হত্যার দায়ে মামলার মূল আসামি মো. আলমগীরকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়ার পাশাপাশি অপহরণ ও ধর্ষণের ঘটনায় ১৪ বছর সশ্রম কারাদণ্ড এবং এক লাখ জরিমানা, অনাদায়ে আরও দুই বছরের কারাদণ্ড দিয়েছে আদালত। তবে একটি ধারায় মৃত্যুদণ্ড হওয়ায় তার ক্ষেত্রে অন্য সাজা কার্যকর হবে না।
মামলার অপর দুই আসামি আলমগীরের বন্ধু রিপন ও রাহিদ হাসান মিলনকে ১৪ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড ও ২০ টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও একবছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে।
বিচার চলাকালে তিন আসামিই মামলার জামিনে ছিলেন। এদের মধ্যে আলমগীর ও রিপনকে রায় ঘোষণার পর আদালত থেকে কারাগারে পাঠানো হয়। আর অপর আসামি মিলন পলাতক রয়েছেন।