প্রতিবেদনে বলা হয়, নিজেদের পরিচয় গোপন করে জঙ্গি সংগঠকরা ভারতের রাষ্ট্রায়ত্ত্ব ব্যাংকগুলোতে অ্যাকাউন্টগুলো খুলেছিলো। স্টেট ব্যাংক অব ইন্ডিয়া, কর্পোরেশন ব্যাংক, ব্যাংক অব বারোডা এবং ওরিয়েন্টাল ব্যাংকের বর্ধমান, বীরভূম, মুর্শিদাবাদ এবং কলকাতা শাখায় এসব অ্যাকাউন্ট খুলেছিলো জেএমবি।
ভারতের ন্যাশনাল ইনভেস্টিগেটিং এজেন্সি (এনআইএ) জেএমবির ভারতীয় হোতাকে আটক করার পর ওইসব অ্যাকাউন্ট পরিচালনা বন্ধ হয়ে যায়। তবে কারা তাদের ব্যাংক হিসাব খুলতে সহযোগিতা করেছিলো, তদন্তকারীরা এখন সেটা জানার চেষ্টা করে যাচ্ছেন।
বর্ধমানের একটি বাড়িতে বোমা বিস্ফোরণে দু’জনের মৃত্যুর ঘটনায় জেএমবির সংশ্লিষ্টতা পাওয়ার পর থেকেই নড়েচড়ে বসে ভারত। বাংলাদেশ সফর করে যায় এনআইএ’র একটি তদন্তদল।
ব্যাংকের যেসব কর্মকর্তা অ্যাকাউন্টগুলো গ্রহণ করেছিলেন, তদন্তকারীরা তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। পাশাপাশি কিছু স্থানীয় মানুষ যারা নকল পরিচয়পত্র বানানোর কাজ করে, তাদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
অ্যাকাউন্টগুলোতে খুব বেশি পরিমাণ টাকা লেনদেন হয়নি। লেনদেনের পরিমাণটা সপ্তাহে ২৫ হাজার থেকে ৪০ হাজার রুপির মধ্যেই সীমাবদ্ধ ছিলো। তবে তদন্তকারীরা দেখেছেন, অ্যাকাউন্টগুলো থেকে সবসময় একই দিনে টাকা তোলা হতো। তবে চার অ্যাকাউন্টে টাকা জমা হতো। এসব টাকার কিছু অংশ বোমা বানানোর পারিশ্রমিক হিসেবে দেওয়া হতো বলেই ধারণা তদন্তকারীদের।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর