ঝড়ে বিধ্বস্ত মানিকগঞ্জের বরঙ্গাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রোদে পুড়ে, বৃষ্টিতে ভিজে গাছের নীচে চলছে ক্লাস। দ্রুত বিদ্যালয়টি মেরামত করে পরীক্ষাগ্রহণ ও শিক্ষার পরিবেশ ফিরিয়ে আনার দাবি এলাকাবাসী ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের।
সরেজমিনে বরঙ্গাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে গিয়ে দেখা গেছে, ঝড়ে বিধ্বস্ত ভবনের সামনের আঙ্গিনায় সারি সারি বেঞ্চে বসে শিক্ষার্থীরা লেখাপড়া করছে। এক সাথে দুইটি ক্লাসের শিক্ষার্থীদের ক্লাস নেয়ায় শিক্ষা কার্যক্রম বিঘিœত হচ্ছে। শিক্ষকদেরও গলদঘর্ম হচ্ছে ক্লাস নিতে গিয়ে। পাশেই স্কুলের বারান্দায় ক্লাস চলছে শিশু শ্রেণীতে পড়–য়া শিক্ষার্থীদের। সব মিলিয়ে শিক্ষার পরিবেশ চরমভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রেবা রাণী বিশ্বাস জানান, ১৯৩৮ সালে প্রতিষ্ঠিত হয় বরঙ্গাখোলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। গত ৮ এপ্রিল প্রবল ঝড়ে তাদের বিদ্যালয়ের একটি টিনসেট ভবন বিধ্বস্ত হয়ে যায়। এরপর থেকে দেড় শতাধিক শিক্ষার্থী নিয়ে বিদ্যালয় আঙ্গিনায় খোলা আকাশের নীচে পাঠদান কার্যক্রম পরিচালনা করতে হচ্ছে। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের লেখাপড়ার চরম ব্যাঘাত ঘটছে। আগামী ২২ এপ্রিল প্রথম সাময়িক পরীক্ষা। যদি কর্তৃপক্ষ অল্প সময়ের মধ্যে বিধ্বস্ত ভবনটি মেরামতের ব্যবস্থা না করে তাহলে পরীক্ষা চালানো খুবই কঠিন হয়ে পড়বে।
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. বশির উদ্দিন বাচ্চু জানান, ঝড়ে বিদ্যালয়টি বিধ্বস্ত হয়ে পড়ায় লেখাপড়ায় চরম ক্ষতি হচ্ছে। এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তবে দুই-এক দিনের মধ্যে বিদ্যালয়টি পরিদর্শন করে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।