এবার মিশন স্কটল্যান্ড, মিশন নেলসন। একেবারে তাসমান সাগরের তীরবর্তী শহর নিউজিল্যান্ডের নেলসন। এখানকারই পাহাড় আর সবুজ বেষ্টিত সেক্সটন ওভাল। আন্তর্জাতিক ক্রিকেট এখানে কালে-ভদ্রে দু’একটি হয়ে থাকে। তবে, এবারের বিশ্বকাপে পেয়েছে ভেন্যুর মর্যাদা। এ উপলক্ষে বাড়ানো হয়েছে সৌন্দর্য। নিউজিল্যান্ডের কয়েকটি ভেন্যু আছে, যেগুলো এমনিতেই সবুজে ঘেরা, অনিন্দ্য সুন্দর। এর মধ্যে সেক্সটন ওভালকে দেখলে যে কেউ এর প্রেমে পড়ে যাওয়ার কথা। বাংলাদেশের ক্রিকেটাররা এখানে পা দেওয়ার পরই বুঝতে পেরেছে, এক রাশ সবুজের ফাঁদও পাতা আছে সেক্সটন ওভালের ২২ গজে। সবচেয়ে বড় কথা, এই প্রথম নেলসনে এল বাংলাদেশ দল। এখানকার হোটেল রাদারফোর্ডে উঠেছেন ক্রিকেটাররা। কোয়ার্টারের স্বপ্ন পূরণ করতে হলে এখানেই সমাধি রচনা করতে হবে স্কটল্যান্ডের। ৫ মার্চ এই মাঠেই বাংলাদেশ সময় ভোর ৪টায় স্কটিশদের বিপক্ষে শুরু হবে বাংলাদেশের ‘ডু অর ডাই’ ম্যাচটি। একে তো কিছুটা হলেও প্রতিকুল পরিবেশ, তারওপর সবুজ বাউন্সি উইকেট, সবচেয়ে বড় কথা স্কটল্যান্ড বাংলাদেশের সামনে দীর্ঘদিন অপরিচিতি। সুতরাং, প্রস্তুতিটা সেরকম হওয়া চাই। এ কারণে শনিবার নেলসনে পৌঁছার পরদিন, গত কাল রোববার সেক্সটন ওভালে ঘাম ঝরিয়েছে মাশরাফিরা। তবে আজ শুধু জিমনেশিয়ামেই সময় কাটিয়েছে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটাররা। তবে কঠোর অনুশীলন শুরু হবে আজ থেকে। নেলসনে হবে বাংলাদেশ দলের ক্রিকেটারদের স্কিল অনুশীলন। বাংলাদেশের প্রথম তিন ম্যাচ ছিল অস্ট্রেলিয়ায়। ক্যানবেরায় আফগানিস্তানের বিপক্ষে ১০৫ রানের জয় দিয়ে বিশ্বকাপ অভিযান শুরু করে মাশরাফিরা। এরপর ব্রিসবেনে স্বাগতিক অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পরের ম্যাচটি বৃষ্টির কারণে পরিত্যক্ত ঘোষণা করা হয়। সর্বশেষ মেলবোর্নে শ্রীলংকার বিপক্ষে ৯২ রানে হারে মাশরাফির দল। গত শুক্রবার নেলসনে পৌঁছায় প্রতিপক্ষ স্কটল্যান্ড। আগের তিনটি ম্যাচও নিউজিল্যান্ডেই খেলে সহযোগী দেশটি। স্বাগতিক নিউজিল্যান্ড, ইংল্যান্ড ও আফগানিস্তানের কাছে হারে তারা।