প্রত্যক্ষদর্শীদের সূত্রে জানা গেছে, জহির মন্ডলপাড়া গ্রামের কবির হোসেনের বসত ভিটায় পোতা বৈদ্যতিক খুটি থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া না দেয়ার ঘটনার বিরোধ নিরসনে কবির হোসেনের বাড়ি এক বিচার শালিসী বৈঠক বসেছিল। বৈঠক শুরু হতে না হতেই একই গ্রামের মোয়াচ্ছেল হোসেন এর পক্ষের লোকজন পরিকিল্পত ভাবে লাঠিশোটা ও ধারাল অস্ত্র নিয়ে হামলা করে। এ নিয়ে সংঘর্ষে বাঁধে। সংঘর্ষে কবির হোসেনের পক্ষের আহত হয় সাহেরা খাতুন (৪৫), আয়শা বেগম (৪০), ফরিদা পারভীন (৩০), হবিবর রহমান (৩৫), শহীদুল ইসলাম (৩৫) ও আব্দুল লতিফ (৪০)। এদের মধ্যে সাহেরা ও আয়শা খাতুনের অবস্থা আশংকাজনক। তাদেরকে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়। অপর পক্ষের আহতরা হলেন, হাবিবুর রহমান (৫০), আব্দুল কুদ্দুছ (৪০), আব্দুস ছাত্তার (৩৮), সৈয়দ আলী (৫০)।
রাজীবপুর উপজেলা আ’লীগ সভাপতি ও উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার আব্দুল হাই সরকার ওই শালিসী বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তিনি জানান, বৈঠক শুরু হতে না হতেই দু’পক্ষের লোকজন হঠাৎ উত্তেজিত হয়ে ওঠে এবং সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
ঘটনা প্রসঙ্গে জানতে চাইলে কবির হোসেন অভিযোগ করে বলেন, ‘বিচার শালিসে তারা ধারালো অস্ত্র নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে হামলা করেছে। আমাদের বাড়িঘরও ভাংচুর করেছে তারা।’ অপরদিকে মোয়াচ্ছেল হোসেন জানান, বৈদ্যতিক খুটি থেকে তারা বিদ্যুৎ সংযোগ নিতে দিচ্ছে না। এ নিয়ে বিচার বসলে তারাই উত্তেজিত হয়ে ওঠে আমাদের ওপর।
রাজীবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ পৃথীশ কুমার সরকার দু’পক্ষের সংঘর্ষের বিষয়টি স্বীকার করে জানান, এ বিষয়ে উভয় পক্ষই থানায় অভিযোগ দাখিল করেছে।