রাণীশংকৈল থানার ওয়্যারলেশ অপারেটর সফি ১৪ বছর ধরে এখানে কর্মরত। এখানে কর্মরত অবস্থায় পীরগঞ্জ থানায় বদলীর অর্ডার হলেও সেখানে না গিয়ে রাণীশংকৈল থানায় থেকেই অবৈধ পন্থায় পুণরায় বদলী ফিরিয়ে আনেন বলে একটি সুত্রে জানা যায়। দীর্ঘদিন এখানে চাকুরী থাকার কারনে এলাকার মানুষের সাথে অপ্রশাসনিক সম্পর্ক গড়ে উঠেছে। এ কারনেই থানা পুলিশ বিভিন্ন সময় মামলার আসামী ধরতে গেলে আসামী বা আসামীর লোকজন ওয়ারলেস অপারেটরের পরিচিতির মধ্যে হলে সে আগে থেকেই সরে থাকার জন্য তাদের বিভিন্ন মাধ্যমে জানিয়ে দেয়। সে বেশির ভাগ সময় থানা গেট চা দোকানে অবস্থান করে। লোকজন মামলা মোকদ্দমা কিংবা অভিযোগ করতে আসলে দরখাস্ত লিখে দেওয়াসহ তাদের থেকে বিভিন্নভাবে প্রভাবিত করে টাকা পয়সা হাতিয়ে নেয়।
এছাড়াও থানা চত্বরের কাঠাল গাছের আম বিক্রি হলে ক্রয়কৃত পাটির সাথে প্রভাব খাটিয়ে যে কোন একটি গাছের ফল তার ব্যক্তিগতভাবে রাখতেই হবে। কোন প্রকার ভাড়া পরিশোধ ছাড়াই সে থানা চত্বর কোয়ার্টারে বসবাস করে আসছে বলে বিশ্বস্ত মাধ্যমে জানা যায়। কোয়াটারের মধ্যে সে গরু ছাগল হাঁস মুরগী পালন করে আসছে। থানা চত্বরসহ প্রধান ফটকের আশে পাশে সে গরু বাধার কারনে সাধারন মানুষের চলাচলের ব্যাপক সমস্যা হলেও তিনি কোন কর্নপাত করেন না। সে অপরাধীদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করে থাকে। তাদের মামলা থেকে পার পাওয়ার ব্যাপারে কুপরামর্শ দিয়ে থাকে যা আইনি কাজের পরিপন্থি।
এ প্রসঙ্গে ওয়্যারলেশ অপারেটর সফি মুঠোফোনে জানান, আমি রাণীশংকৈল থানায় কর্মরত আছি। মাঝে একবার পীরগঞ্জে বদলী হয়েছিলাম। সেখান থেকে রাণীশংকৈল থানায় আবার ফিরে আসি।