প্রতিবন্ধী মেয়েটির নানী রাবেয়া বেগম জানায়, আমার নাতনি শিশুকাল থেকেই আমার বাসায় রয়েছে এবং সেলিনা জাহান লিটা এমপির পরিচালিত আলী আকবর মেমোরিয়াল প্রতিবন্ধী স্কুল এন্ড পূর্ণবাসন কেন্দ্র এর চর্তুথ শ্রেণীর শিক্ষার্থী । ঘটনার দিন শক্রবার দুপুরের দিকে আমার নাতনি জনৈক(১২) স্থানীয় সিডিএ অফিস মাঠ প্রাঙ্গনে খেলাধুলা করছিলো। সে সময় একই গ্রামের ফজর আলীর ছেলে নুর ইসলাম(৩০) প্রতিবন্ধী মেয়েটিকে বিভিন্ন কায়দায় ফুসলিয়ে সিডিএ অফিসের পিছন পাশ্বে পুকুরের ধারে নিয়ে গিয়ে জোর পূর্বক ধর্ষণ করে। পরবর্তীতে ধর্ষিত প্রতিবন্ধী মেয়েটি অসুস্থ অবস্থায় বাসায় এসে কান্না করতে থাকে। তার নানি তার কাছে কান্নার কারণ ইশারায় জানতে চাইলে সে শুধুই কান্না করে। এরপর মেয়েটিকে কান্না থামিয়ে বুঝিয়ে বাঝিয়ে কান্নার কারণ ইশারায় জানতে চাইলে সে এই ঘটনা জানায়। এরপর মেয়েটির নানি মেয়েটিকে সাথে নিয়ে এই ঘটনা, কে ঘটালো তার অনুসন্ধান করে ধর্ষককে চিহ্নিত করে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিকে বিষয়টি জানাই তারা বিষয়টি গুরুত্ব না দেওয়ায় রবিবার সকালে এমপি লিটাকে জানায়। এমপি লিটা তাৎক্ষনিক থানার অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিমকে জরুরী ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দেন। এরপর পুলিশ গিয়ে ধর্ষক নুর ইসলামকে না পেয়ে তার বাবা ফজর আলীকে থানায় নিয়ে আসেন।
অফিসার ইনচার্জ রেজাউল করিম জানান, ঘটনার সংবাদ পাওয়ায় সাথে সাথেই আমরা ঘটনাস্থলে গিয়েছি। আসামীকে তার বাসায় পাওয়া যায়নি তবে তার বাবাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে,আসামীকে ধরার জোর প্রচেষ্টা চলছে এবং মামলার কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন।
এ বিষয়ে সংরক্ষিত ৩০১ আসনের এম’পি সেলিনা জাহান লিটা ফোনে কান্না জড়িত কণ্ঠে জানান, এই নর পশুর কোন ছাড় নেই । প্রশাসনকে নির্দেশ দিয়েছি আইন অনুযায়ী সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য। এঘটনাটির তীব্র নিন্দা প্রতিবাদ ও দৃষ্টান্তমুলক শাস্তির দাবী জানিয়েছেন উপজেলা আ’লীগের যুগ্ন সম্পাদক আনিসুর রহমান বাকী,উপজেলা ছাত্রদল সম্পাদক এম আর বকুল মজুমদারসহ স্থাণীয় সচেতনমহল।