আজ শনিবার (৩০ এপ্রিল) দুপুর ২ টার দিকে ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়। নিহত ফেরদৌস লক্ষ্মীপুর পৌরসভার সমসেরাবাদ গ্রামের ফয়েজ আহাম্মদের মেয়ে। আট বছর আগে পাশ্ববর্তী লামচরি গ্রামের আবদুল মান্নানের ছেলে বেলাল হোসেনের সাথে তার বিয়ে হয়।
নিহতের মা রোকেয়া বেগম অভিযোগ করে বলেন, ফেরদৌসের স্বামী বিদেশ। সে শ্বশুর বাড়িতে থাকতো। স্বামীর অনুপস্থিতিতে ননদরা ও শাশুড়ি তাকে প্রায় মারধর করতো। এনিয়ে কয়েকবার শালিস-বৈঠকও হয়েছে। দুপুরে তার ওপর নির্যাতন করা হয়। নির্যাতনে তার মেয়ের মৃত্যু হয়েছে। পরে ঝুলিয়ে রেখে অত্মহত্যার নাটক সাজাতে অপচেষ্টা করে।
নিহতের শ্বশুর আবদুল মন্নান জানান, পারিবারিক কলহের জের ধরে তার পুত্রবধূ দুপুর গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে।
লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালের মেডিকেল অফিসার ডা. আনোয়ার হোসেন বলেন, হাসপাতালে আনার আগেই ওই গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনের মাধ্যমে মৃত্যুর কারণ জানা যাবে।
লক্ষ্মীপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবদুল্ল্যাহ আল মামুন বলেন, এ ব্যাপারে এখনও পর্যন্ত কোন অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।