চট্টগ্রাম ব্যুরো: চট্টগ্রাম-৮ আসনের সাংসদ মঈনউদ্দিন খান বাদল বলেছেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। দেশের সমগ্র জাতিকে একত্রিত করে স্বপ্নের সোনার বাংলাদেশ গড়তে সরকারের যাত্রা শুরু হয়েছে। বর্তমান সরকারের আমলে এদেশে সকল ধর্মাবলম্বীরা সহাবস্থানে থেকে নির্বিঘে্ন ও নিঃসংকোচে নিজ নিজ ধর্ম কর্ম পালন করে যাচ্ছে। কিন্তু স্বাধীনতা বিরোধী জঙ্গি ও মৌলবাদী চক্র দেশের এ উন্নয়নের অগ্রযাত্রায় বাধা সৃষ্টি করতে তৎপর রয়েছে। তাই দেশের উন্নয়নসহ বাংলার সংস্কৃতির ধারা অব্যাহত রাখতে হলে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে সম্মিলিত উদ্যোগে দেশ বিরোধী চক্রান্তকারীদের বিতাড়িত করে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদমুক্ত অসা¤প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়তে হবে।
জেলার বোয়ালখালী উপজেলার পোপাদিয়াস্থ শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুরবাড়ির ৩ দিনব্যাপী ষোড়শপ্রহর নামসংকীর্ত্তন, ধর্ম সভা ও বার্ষিক মহোৎসব উপলক্ষে আয়োজিত প্রথম দিনের ধর্ম সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। ধর্মের ভিত্তিতে বোয়ালখালীতে কোন ভেদাভেদ ও হানাহানি নেই। যে কোন ধরনের নাশকতামূলক কর্মকান্ড মোকাবেলায় সকলকে একযোগে কাজ করতে হবে। তিনি বোয়ালখালী উপজেলাকে মাদকমুক্ত করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।
শ্রীশ্রী কালাচাঁদ ঠাকুর বাড়ি বার্ষিক মহোৎসব উদযাপন পরিষদের সভাপতি বাপন কুমার ভঞ্জের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক শ্যামল মজুমদারের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত ধর্মসভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ঠাকুরবাড়ি পরিচালনা পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা রাজেন্দ্র প্রসাদ চৌধুরী। ধর্মসভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বোয়ালখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সালাউদ্দিন চৌধুরী, জাসদ কেন্দ্রীয় কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান ছৈয়দুল আলম, জাসদ উত্তর জেলা সভাপতি ভানু রঞ্জন চক্রবর্তী, অধ্যাপক প্রশান্ত সেন গুপ্ত, মুক্তিযোদ্ধা সেলিম চৌধুরী, পোপাদিয়া ইউপি চেয়ারম্যান এস এম জসিম উদ্দিন, উপজেলা জাসদ সভাপতি মনছফ আলী, সাধারণ সম্পাদক মনির খান ও ঠাকুর বাড়ি পরিচালনা পরিষদের সভাপতি শিবু প্রসাদ চৌধুরী। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন প্রদীপ মলিক, রনজিৎ চৌধুরী বাচ্চু, কিরণ ভঞ্জ, সাংবাদিক রনজিত কুমার শীল, বরুণ ভট্টাচার্য, অশোক ধর, পলাশ গাঙ্গুলী প্রমুখ। সভা শেষে টিভি ও বেতার শিল্পীবৃন্দের পরিবেশনায় অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পদাবলী কীর্ত্তন। সবশেষে বার্ষিক মহোৎসব উপলক্ষে ষোড়শপ্রহরব্যাপী হরিনাম সংকীর্ত্তনের আয়োজন করা হয়। এছাড়া দুপুর ও রাতে মহাপ্রসাদ বিতরণ করা হয়।