এই অনুযায়ী ফৌজদারি মামলায় কোনো সরকারি কর্মচারীকে পূর্বানুমতি ছাড়া গ্রেফতার করা যাবে না।
তবে কোনও মামলায় কোনও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করা হলে কোনো অনুমতি ছাড়াই তাকে গ্রেফতার করা যাবে।
এছাড়া কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী ফৌজদারি মামলায় এক বছরের অধিক কারাদণ্ডপ্রাপ্ত হলে তার চাকরি চলে যাবে।
এ বৈঠকের পর সচিবালয়ে এক ব্রিফিংয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, অনেক দিন আলোচনার পর আইনটি আসছে। অনেক বিষয়ই বিধির জন্য রাখা হয়েছে।
তিনি বলেন, সরকারি কর্মচারীদের ফৌজদারি অপরাধে অভিযোগপত্র গৃহীত হওয়ার আগে গ্রেফতার করতে হলে সরকার বা নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। চার্জশিট গৃহীত হলে আর অনুমোদন নেয়া লাগবে না।
এই আইন পাস হলে দুদক ফাঁদ পেতে কোনো সরকারি কর্মচারীকে গ্রেফতার করতে পারবে কি না- এ প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, চার্জশিট পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে। চার্জশিট হওয়ার আগে গ্রেফতার করতে হলে আগে অনুমতি নিতে হবে।
নতুন আইনের ফলে দুদক আইন বাস্তবায়ন বাধাগ্রস্ত না হলেও কিছুটা বিলম্বিত হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।
মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, কোনো সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর ফৌজদারি মামলায় যদি মৃত্যুদণ্ড বা এক বছরের অধিক কারাদণ্ড হয়, তাহলে তার চাকরি চলে যাবে। কারাদণ্ড এক বছরের কম হলে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।