তিনি বলেন, দুপুরে ঢাকা জেলা শ্রমিক ইউনিয়নের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে। বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের সঙ্গেও কথা হয়েছে। তিনি জানান, তারা ধর্মঘট প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বিকেল ৫টার কিছু আগে থেকে দূরপাল্লার যান চলাচল স্বাভাবিক হয়েছে।
বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ইউনিয়নের কার্যকরী সদস্য আবদুর রহমান বলেন, বৈঠকে উভয়ের মধ্যে সমাঝোতা হয়েছে। এরই মধ্যে যানবাহন চলাচল করছে।
এর আগে ভোর থেকে পরিবহন শ্রমিকদের দু’পক্ষের বিরোধে সায়েদাবাদ ও গুলিস্তান থেকে দূরপাল্লা এবং আন্তঃজেলার বাস চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়।এতে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়েন যাত্রীরা। রাজধানী ঢাকার কর্মমুখী মানুষেরা সঠিক সময়ে কর্মস্থলে যেতে পারেননি। বাড়তি টাকা দিয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশা, রিক্শা ও পায়ে হেঁটে কর্মস্থলে গেছেন।
পরিবহন শ্রমিকেরা চট্টগ্রাম, পার্বত্য চট্টগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কুমিল্লা, নোয়াখালী, সিলেট, লক্ষ্মীপুর ও চাঁদপুরগামী বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন।
গুলিস্তান ও সায়েদাবাদ থেকে নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, মুন্সীগঞ্জসহ রাজধানীর আশপাশের কয়েকটি জেলায় চলাচলরত আন্তঃজেলার বাসও বন্ধ করে দেয়া হয়।
গতকাল সোমবার শ্রমিক সংগঠনের একটি কার্যালয় দখলকে কেন্দ্র করে দুপুর থেকে এই অচলাবস্থার সৃষ্টি হলেও মঙ্গলবার ভোরে এসব এলাকা দিয়ে বাস চলাচল সম্পূর্ণ বন্ধ করে দেন পরিবহন শ্রমিকরা।