সিরিয়ার বিদ্রোহীরা আলেপ্পোর একটি গোয়েন্দা সদর দপ্তরে হামলা চালিয়েছে। এতে অন্তত ৩৪ জন নিহত হয়েছে। সরকার বিরোধীরা আলেপ্পোতে জাতিসংঘের একটি অস্ত্রবিরতি পরিকল্পনা নাকচ করে দেয়ার কয়েক দিন পর এ হামলা চালানো হলো। বৃটেন ভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা সিরিয়ান অবজারভেটরি ফর হিউম্যান রাইটস জানায়, বুধবার আলেপ্পোর পশ্চিমাঞ্চলে বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা দপ্তর লক্ষ্য করে চালানো হামলা ও এক শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণে সরকারি নিরাপত্তা বাহিনীর অন্তত ২০ সদস্য ও ১৪ বিদ্রোহী নিহত হয়েছে। মানবাধিকার সংস্থার পরিচালক রামি আব্দেল রহমান এএফপিকে বলেন, ‘বিদ্রোহীরা একটি ভবন দখল করতে এই হামলা চালায়। তবে তারা ব্যর্থ হয়।’ তিনি আরো জানান, সরকারি বাহিনীর নিয়ন্ত্রণাধীন এলাকায় বিদ্রোহীদের পৃথক একটি গোলা বর্ষণের ঘটনায় ছয় বেসামরিক লোকও নিহত হয়েছে। অবজারভেটরি ও সিরীয় সামরিক বাহিনীর একটি সূত্র জানিয়েছে, গোয়েন্দা সদর দপ্তরের কাছে একটি সুড়ঙ্গে শক্তিশালী বোমা বিস্ফোরণের মধ্য দিয়ে হামলাটি শুরু হয়। সামরিক সূত্রটি বলছে, ‘বন্দুকধারীরা বিস্ফোরণে সুড়ঙ্গটি উড়িয়ে দিয়ে পাশের বিমান বাহিনীর গোয়েন্দা সদরদপ্তরের ভবনে হামলা চালায়।’ আলেপ্পোর পূর্বাঞ্চল থেকে এএফপি’র এক সাংবাদিক জানান, প্রচণ্ড বিস্ফোরণের শব্দটি গোটা শহরেই শোনা গেছে। বিদ্রোহীরা সরকারি সৈন্যদের তীব্র প্রতিরোধের সম্মুখীন হয়। এ সময় লেবাননের শিয়া সংগঠন হিজবুল্লাহ যোদ্ধারা সরকারি বাহিনীকে সহায়তা করে। সিরিয়ার সামরিক সূত্র জানায়, ‘সরকারি বাহিনীর গোলা বর্ষণ ও বিমান হামলায় বেশ কয়েকটি বিদ্রোহী বন্দুকধারী নিহত হয়েছে।’ সরকারি বাহিনী বিদ্রোহীদের অবস্থান লক্ষ্য করে বিমান হামলা চালিয়ে এই হামলা প্রতিহত করে। সরকারি বাহিনীর প্রবল প্রতিরোধের মুখে টিকতে না পেরে বিদ্রোহীরা পিছু হটে।