নিজস্ব প্রতিবেদক: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস । ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তি সংগ্রামের পর পাকিস্তানে বন্দিদশা থেকে ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি দেশে ফেরেন বঙ্গবন্ধু। দিনটি জাতির জনকের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে। বিশ্ব ইজতেমার আখেরি মোনাজাতের কারণে দিবসটিতে আওয়ামী লীগের সমাবেশ কর্মসূচি পালন করা হবে একদিন পরে ১১ জানুয়ারি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে। রবিবার সকালে ধানমণ্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা নিবেদনের মধ্য দিয়ে দিবসের কর্মসূচি শুরু হয়।
সকাল ৭টায় সরকারপ্রধান হিসাবে ধানমণ্ডির ৩২ নম্বর সড়কে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে ফুল দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এরপর তিনি আওয়ামী লীগ সভানেত্রী হিসাবে দলীয় নেতাদের নিয়ে ফুল দেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন দলের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য আমির হোসেন আমু, সুরঞ্জিত সেনগুপ্ত, এইচ টি ইমাম, ইউসুফ হোসেন হুমায়ুন, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য মতিয়া চৌধুরী, সাহারা খাতুন, সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী প্রমুখ।
শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সৈয়দ আশরাফুল সাংবাদিকদের বলেন, স্বাধীনতার এত বছর পরও রাজাকাররা বাংলাদেশে বহাল তবিয়তে আছে। তারা ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। এই রাজাকাররা বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক সরকারব্যবস্থা ধ্বংস করার ষড়যন্ত্র করে যাচ্ছে। মুজিবনগর সরকারের অস্থায়ী রাষ্ট্রপতি সৈয়দ নজরুল ইসলামের এই সন্তান বলেন, আমরা ৭১ এ পাকিস্তানিদের পরাজিত করেছি। আমরা কখনও পরাজিত হই নাই। বাংলাদেশ স্বাধীন রাষ্ট্র হিসাবে থাকবে; তা পাকিস্তানিরা কখনও ভাবতে পারেনি। ৪০ বছর ধরে ষড়যন্ত্র করে তারা পারে নাই। এখনও পারবে না। আমির হোসেন আমু বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার সমালোচনা করেন।