টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শনিবার বিমানঘাঁটিতে হামলা চালানোর পর পাঁচজন সন্ত্রাসী নিহত হয়েছে। সন্দেহ করা হচ্ছে, এখনো ভেতরে এক হামলকারী রয়েছে। এসব হামলাকারী জইস-ই মোহম্মদ সংগঠনের সদস্য।
শনিবারের হামলায় আহত জাতীয় নিরাপত্তা বাহিনীর লেফটেন্যান্ট কর্নেল নিরঞ্জন কুমার আজ মারা গেছেন। তিনি আইইডি বিস্ফোরণে আহত হয়েছেন।
বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা আরো জোরদার করা হয়েছে। এছাড়া প্রতিরক্ষা কর্মকর্তাদের টহল দিতে দেখা গেছে। ঘাঁটির যে স্থানে যুদ্ধবিমান, হেলিকপ্টার ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ সম্পদ রয়েছে সেই এলাকা সুরক্ষিত আছে।
সেনাবাহিনী, এনএসজি, বিমান বাহিনী, প্যারামিলিটারি বাহিনী ও পাঞ্জাব পুলিশসহ নিরাপত্তা সংস্থাগুলো বিমান ঘাঁটির মধ্যে ও আশেপাশের এলাকায় বড় আকারের অভিযান চালাচ্ছে।