ছাত্রদলের ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী অনুষ্ঠান উদ্বোধন করলেন খালেদা

নিজস্ব প্রতিবেদক: ছাত্রদলের ৩৭ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে ছাত্রসমাবেশের উদ্বোধন করেন বেগম খালেদা জিয়া। শুক্রবার বিকাল সাড়ে ৩টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে বেলুন ও কবুতর উড়িয়ে ছাত্রদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উদ্বোধন করেন তিনি। এসময় তিনি জাতীয় পতাকা এবং দলীয় পতাকা উত্তোলন করেন। বাজানো হয় জাতীয় সঙ্গীত ও দলীয় সঙ্গীত। মুহুমুহু শ্লোগান আর করতালির মধ্যে ছাত্রদলের কমিটি ঘোষণা প্রসঙ্গে খালেদা জিয়া বলেন, আমাদের বয়স হয়েছে। আমরা চলে যাব। তোমরা যাতে আমাদের জায়গা পূরণ করতে পার সেইভাবে তোমাদের তৈরি হতে হবে।
তিনি বলেন, আমরা সবাইকে মূল্যায়ণ করতে চাই। সবাই আমার সন্তানের মতো। কিন্তু আমাদের জায়গা কম। তাই সবাইকে বলব, পদ না পেলে কেউ গ্রুপিং করবে না। বড় ভাই পদ দেয়নি তাই বলে তার বিরুদ্ধে কিছু করা ঠিক হবে না। যারা ছাত্রদলে থাকবে না তাদের অন্য সংগঠনে সুযোগ দেওয়া হবে। তাই সবাইকে যা দেওয়া হবে তা মেনে নেওয়ার মানসিকতা তৈরি করতে হবে।
ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক মো. আকরামুল হাসানের সঞ্চালনায় ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মামুনুর রশীদ মামুনের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য দেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, ছাত্রদলের সাবেক নেতা শামসুজ্জামান দুদু, ফজলুল হক মিলন, খায়রুল কবির খোকন, আবুল খায়ের ভুঁইয়া, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানী, শফিউল বারি বাবু, শিরিন সুলতানা, সুলতান সালাহ উদ্দিন টুকু, আবদুল কাদের ভুইয়া জুয়েল প্রমুখ। এ ছাড়া ছাত্রদলের বিভিন্ন ইউনিটের নেতারা বক্তব্য রাখেন। দর্শক সারিতে দলের সিনিয়র নেতারা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। ছাত্র সমাবেশ শেষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।
বিকেল ৩টা ২৪ মিনিটে খালেদা জিয়ার গাড়ির বহর পৌছে সমাবেশ স্থলে এসময় মিলনায়তনের বাইরে উপস্থিত ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা মুহুর্মুহু করতালি ও স্লোগানের মধ্য দিয়ে তাকে স্বাগত জানান। বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তিনি মিলনায়তনে প্রবেশ করেন। ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা শ্লোগানে শ্লোগানে মিলনায়তন মুখরিত করে তোলে। এ সময় খালেদা জিয়াও হাত নেড়ে তাদের অভিনন্দনের জবাব দেন। এরপর ছাত্রদলের পক্ষ থেকে ভারপ্রাপ্ত সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ফুল দিয়ে সাংগঠনিক নেত্রীকে শুভেচ্ছা জানায়।

Comments (0)
Add Comment