এদিকে, টি-টোয়েন্টি সিরিজকে ঘিরে খুলনা এখন আনন্দ আর উচ্ছ্বাসের নগরীতে পরিণত হয়েছে। খুলনার শেখ আবু নাসের বিভাগীয় স্টেডিয়াম পাড়া হয়ে উঠেছে আনন্দমুখর। স্টেডিয়ামের ভেতরে সাকিব-মুশফিকদের অনুশীলন উপভোগ করেছেন দর্শকরা। স্টেডিয়ামের বাইরেও ছিল উৎসুক জনতার ভিড়। সেই সঙ্গে মাঠের ভেতর ও বাইরে ছিল কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। এরই মধ্যে খুলনা নগরীর প্রধান সড়কে আলোকসজ্জা ও তোরণ নির্মাণের কাজ চলছে।
এদিন বিসিবির পরিচালক শেখ সোহেল মুশফিকদের অনুশীলন উপভোগ করেছেন। এই সময় তিনি সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, ‘মাত্র ১০ দিনের নোটিসে খুলনায় টি-টোয়েন্টি আয়োজন করা হয়েছে। কঠিন হলেও শেষ পর্যন্ত আমরা পূর্ণ প্রস্তুতি নিতে পেরেছি। শুধুমাত্র গ্যালারিতে কিছু নতুন চেয়ার স্থাপন করা হয়েছে। কিন্তু অল্প সময়ের মধ্যে চেয়ারগুলো পুনঃস্থাপন করা অসম্ভব। তাই এই প্রক্রিয়া আপাতত বাদ রাখা হয়েছে। আগামীতে চেয়ারগুলো ভালোভাবে স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হবে।’
টাইগার দলের নতুন সদস্য খুলনার ছেলে নুরুল হাসান সোহান বলেন, ‘একাদশে স্থান পেলে যে কোনও স্থানে ব্যাটিং করার জন্য আমি প্রস্তুত। ঘরের মাঠ ও চেনা পরিবেশ এবং চেনা দর্শকদের মাঝে আমি ভালো কিছু করে দেখাতে চাই।
টি-টোয়েন্টি ম্যাচ নির্বিঘ্নে আয়োজন করতে পুলিশের পক্ষ থেকে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তার অংশ হিসেবে হোটেল সিটি ইন থেকে শিববাড়ী মোড় হয়ে নিউমার্কেট, জোড়াগেট, নুরনগর, বয়রা কলেজ মোড় ও বৈকালী হয়ে স্টেডিয়াম পর্যন্ত আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ২ হাজার সদস্য ম্যাচ চলাকালে দায়িত্ব পালন করবেন।
খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের মুখপাত্র বিশেষ শাখার এডিসি শেখ মনিরুজ্জামান মিঠু বলেন, ‘খেলোয়াড়দের নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে। খেলোয়াড়দের আবাসস্থল হোটেল সিটি ইন থেকে স্টেডিয়াম পর্যন্ত খুলনা-যশোর মহাসড়কে কঠোর নিরাপত্তা থাকবে।