ফিক্সিংয়ের ছায়া দক্ষিণ আফ্রিকার ক্রিকেটে
স্পোর্টস ডেস্ক: আবারও ফিক্সিংয়ে কলঙ্কিত হতে বসেছে ক্রিকেট। এবার হ্যান্সি ক্রোনিয়ের দেশ দক্ষিণ আফ্রিকাতেই ফিক্সিংয়ের ছায়া। বাঁ-হাতি ব্যাটসম্যান গোলাম বদি, যিনি প্রোটিয়াদের জার্সি গায়ে দুটি ওয়ানডে এবং একটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছেন- তার বিরুদ্ধেই উঠেছে ফিক্সিংয়ের অভিযোগ। প্রাথমিকভাবে ফিক্সিংয়ে জড়িত থাকার অভিযোগে আপাতত তাকে সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ রাখা হয়েছে। গোলাম বদির বিপক্ষে ফিক্সিংয়ের তদন্ত করছে দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের অ্যান্টি করাপশন ইউনিট।
দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটে আবার সেই হ্যান্সি ক্রোনিয়ে ছায়া। ষোলো বছর আগে হ্যানসি ক্রোনিয়ের ম্যাচ ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকার স্বীকারোক্তি যেভাবে ক্রিকেট দুনিয়ায় ঝড় তুলেছিল, তেমনই ঝড় তুলতে চলেছে এই খবরও। ক্রোনিয়ের পর কাঠগড়ায় উঠে গেলো আরেক দক্ষিণ আফ্রিকান ক্রিকেটারের নাম। প্রথমে নামটা প্রকাশ না করা হলেও, পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হয় তিনি গোলাম বদি। দক্ষিণ আফ্রিকা ক্রিকেটের দুর্নীতিদমক বিভাগের তদন্তে অবশ্য সব ধরনের সহযোগিতা তিনি করছেন বলে খবরে প্রকাশ করা হয়েছে।
আইসিসি-র দূর্নীতিদমন শাখা (আকসু) প্রথমে নাম না জানিয়ে নিশ্চিত করেছে যে, ইনিও দক্ষিণ আফ্রিকার এক ক্রিকেটার। পরে গোলাম বদির নাম প্রকাশ হয়। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ হচ্ছে, দক্ষিণ আফ্রিকার স্থানীয় র্যামসøাম টি-টোয়েন্টি লিগে নাকি তিনি হয়ে উঠেছিলেন ফিক্সিং চক্রের সবচেয়ে বড় পাÐব। বেশ কয়েকজন ক্রিকেটারকে নিয়ে এই চক্র তৈরি করেছিলেন বলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ তোলে সিএসএ’র দুর্নীতিদমন বিভাগ এবং এই রহস্যটা উন্মোচন হতে পারে চলতি ইংল্যান্ড-দক্ষিণ আফ্রিকা সিরিজের পরই। সে দেশের টি-টোয়েন্টি লিগের একটি ফ্র্যাঞ্চাইজিও তদন্তকারীদের নজরে রয়েছে বলে শোনা যাচ্ছে।
ক্রিকেট দক্ষিণ আফ্রিকার প্রধান নির্বাহী হারুন লরগাত জানিয়েছে, ‘তদন্তের ভিত্তিতে একটা পয়েন্টে এসে উপনীত হয়েছি আমরা, জনাব গোলাম বদি ফিক্সিংয়ের সঙ্গে জড়িত। গত ডিসেম্বরেই তার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয় এবং সব ধরনের ক্রিকেট থেকে নিষিদ্ধ করা হয় তাকে।’ শুধু সিএসএর দুর্নীতিদমন সংস্থাই নয়, এই তদন্তে যুক্ত হচ্ছে দক্ষিণ আফ্রিকা এবং ইংল্যান্ডের পুলিশও। দু’দেশের পুলিশের গোয়েন্দ বিভাগ পুরোপুরি সহায়তা করবে এই তদন্ত কাজে। শেষ পর্যন্ত অভিযোগ প্রমাণিত হলে, গোলাম বদির কপালে বড় ধরনের শাস্তিই অপেক্ষা করছে।