আরো কিছু রেকর্ড
স্পোর্টস ডেস্ক:
আফগানিস্তানকে হারানোর আনন্দে উত্তাল সারা বাংলাদেশ। জয় দিয়ে বিশ্বকাপ শুরু করায় খুশী বাংলাদেশের সাবেক ক্রিকেটার সহ সবাই। আফগানদের বিপক্ষে ১০৫ রানের জয়ের আড়ালেও বাংলাদেশ স্পর্শ করেছে অনেকগুলো রেকর্ড। আসুন অজানা সেই রেকর্ড গুলোতে একটু চোখ বুলিয়ে নি। ৪০৪০- সাকিব আল হাসানের ওয়ানডেতে মোট রান ৪০৪০। বাংলাদেশের ওয়ানডে ইতিহাসের সবচেয়ে বেশি রান এখন সাকিবের। প্রথম বাংলাদেশী ক্রিকেটার হিসেবে ৪ হাজার রান করেন সাকিব। সাকিবের কাছাকাছি কেবল তামিম আছেন। তামিমের মোট রান ৩৯৯০। ১১৪- মুশফিকুর রহিম এবং সাকিব আল হাসানের মধ্যকার ৫ম উইকেটের পার্টনারশিপের রান। ৫ম উইকেটে এটাই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রানের পার্টনারশিপ। এমনকি বিশ্বকাপে বাংলাদেশের পক্ষে যেকোন উইকেটে এটিই প্রথম সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ। ৪- সাকিব আল হাসান এবং মুশফিকুর রহিম এর মধ্যকার ৪ টা সেঞ্চুরি পার্টনারশিপ হয়েছে। তারা দু’জন একসাথে ১৭২৫ রান করেছেন যা বাংলাদেশের ওয়ানডেতে সাকিব ও মুশফিকের একসাথে করা সর্বোচ্চ পার্টনারশিপ। ৬- টানা ৬ টা ওয়ানডে ম্যাচ জিতলো বাংলাদেশ। বাংলাদেশের সব থেকে বেশি টানা ৭ ওয়ানডে জয়ের রেকর্ডটা ২০০৬-০৭ সালে জিম্বাবুয়ে ও স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে। ২৬৭- আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের সর্বমোট রান ২৬৭।
অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে এটিই বাংলাদেশের সর্বোচ্চ রান। এর আগে ৬ বার অজিদের মাটিতে খেলে ১৪৭ রান সর্বোচ্চ ছিল বাংলাদেশের। ১০৫- আফগানিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশ ১০৫ রানে জয় পায়। রানের দিক দিয়ে বিশ্বকাপে এটিই বাংলাদেশের সব থেকে বড় জয়।
এর আগে ২০০৭ সালে দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ৬৭ রানে জয় পেয়েছিল বাংলাদেশ। ৬৭- প্রথম ২০ ওভারে বাংলাদেশ ৬৭ রান করছে। টেস্ট খেলুড়ে দল ব্যতীত অন্যান্য দল গুলোর বিপক্ষে দ্বিতীয় সব থেকে কম রান। ২০০৩ সালের বিশ্বকাপে কেনিয়ার বিপক্ষে প্রথম ২০ ওভারে ৬৬ রান করেছিল বাংলাদেশ। ১২৯- বাংলাদেশ ১২৯ বার ওয়ানডেতে অলয়াউট হয়েছে। যদিও বুধবার ২৬৭ রানে অলয়াউট হওয়া সব থেকে বেশি রান করে অল আউট হওয়ার রেকর্ড।