Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

খুলনার সবজি ও নিত্যপণ্যের বাজারে বৈশাখী উত্তাপ

খুলনা প্রতিনিধি:
গত তিন মাসের রাজনৈতিক সহিংসতা ও অচলাবস্থার অবসান হলেও খুলনার সবজি ও নিত্যপণ্যের বাজার এখনও স্বাভাবিক হয়নি। বৈশাখের উত্তাপের মতোই বাজারে প্রতিটি পণ্যের দাম চড়া। গতকাল সকালে নগরীর নতুন বাজার ও শামসুর রহমান রোডস্থ কাঁচাবাজার ঘুরে এমন অস্থিতিশীল অবস্থাই দেখা গেছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, বিভিন্ন প্রকার সবজির দাম অবরোধ-হরতালের সময়ের চেয়ে না কমে বরং কোনো কোনোটার বেড়েছে। এসব বাজারে প্রতি কেজি কাঁকরোল ৬০ টাকা, টমেটো ৩০ টাকা, চাল কুমড়া ২০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ২০ টাকা, করলা ৩০ টাকা, কাঁচা মরিচ ৩০ টাকা, গাজর ২৫ টাকা, পটল ৪০ টাকা, চিচিঙ্গা ৪০ টাকা, পেঁপে ৩০ টাকা, ঢেঁড়স ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, কচুরলতি ৩০ টাকা, ঝিঙ্গা ৪০ টাকা, প্রতিপিস লাউ ২০ টাকা, কাঁচা কলা প্রতি হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
শাকের দামও স্বাভাবিকের চেয়ে বেশিই দেখা গেলো। প্রতি আঁটি লাউ শাক ২০ টাকা, পুঁই শাক ১৫-২০ টাকা ও ডাঁটা শাক ১৫-২০ টাকা, লাল শাক ও সবুজ শাক ১৫-২০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। তবে মুদিপণ্যের দাম কিছুটা স্থিতিশীল রয়েছে। এসবের মধ্যে প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল ১১০ টাকা, ভারতীয় মসুর ডাল ৮৫-৯০ টাকা, মুগ ডাল ১২০ টাকা, বুটের ডাল ৪০-৪৫ টাকা, মাসকলাই ৯০ টাকা ও ছোলা ৫০-৫৫ টাকা। প্রতি কেজি খোলা চিনি ৪০-৪২ টাকা, প্যাকেট চিনি ৪৮-৫০ টাকা, প্রতি কেজি খোলা আটা ৩২ টাকা, প্যাকেট আটা প্রতি দুই কেজি ৬৮-৭০ টাকা। প্রতি লিটার খোলা সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৯০-৯৫ টাকা ও প্রতি পাঁচ লিটার বোতলজাত সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৪৮৫-৪৯০ টাকা দরে।
মাছের উত্তাপ বেশ ভালোই টের পাওয়া গেলো। বাজার ঘুরে দেখা গেছে, আকার ভেদে প্রতি কেজি মাঝারি ইলিশ ১০০০ টাকা, বড় ইলিশ ২৫০০ টাকা, রুই ৩০০-৩৫০ টাকা, কাতলা ৩০০ টাকা, বাগদা ৫০০-৬০০ টাকা, গলদা চিংড়ি ৬০০-১০০০ টাকা, তেলাপিয়া ১০০-১৫০ টাকা, সিলভার কার্প ১৪০-১৬০ টাকা, পাঙ্গাস ১৪০-১৫০ টাকা, বাটা মাছ ১৬০-২০০ টাকা, শিং ৪৫০-৫০০ টাকা, চাষের কৈ ২৫০ টাকা, দেশি কৈ ৬০০-৬৫০ টাকা, শৌল মাছ ৪০০-৫০০ টাকা, আইড় ৪৫০-৫৫০ টাকা, সর পুঁটি ১৫০ টাকা, মলা ৩০০-৩৫০ টাকা ও বোয়াল ৪৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বিক্রেতারা প্রতি কেজি মোটা ও ইরি ধানের চাল বিক্রি করছেন ৩৫-৩৭ টাকা দরে। নাজির শাইল ৫০-৫৪ টাকা, মিনিকেট ৪৮-৫২ টাকা এবং লতা ৩৮-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। সুগন্ধি চালের মধ্যে কাটারিভোগ প্রতি কেজি ৭৪-৭৫ টাকা, খোলা কালো জিরা চাল ৮০-৮৩ টাকা ও প্যাকেটজাত প্রতি কেজি ১০০ টাকা দরে। নতুনবাজার বাজারে আসা বেসরকারি ব্যাংক কর্মকর্তা আব্দুস সালাম বলেন, হরতাল-অবরোধ নেই তারপরও দাম আগের মতো। ক্ষোভ প্রকাশ করে তিনি বলেন, বাজারে পণ্যের দাম অস্বাভাবিকভাবে ওঠানামা করছে। একবার বাড়লে আর কমতে চায় না। বাজারে সবজির যে প্রাচুর্য দেখছি, তাতে দাম আরও কমা উচিত। কিন্তু কমছে কই? বিক্রেতারা বলছেন, বাজারে শীতকালীন সবজি শেষ, গ্রীষ্মকালীন সবজি পুরোপুরি না আসায় দাম কিছুটা বেশি।
নতুন বাজারের খুচরা সবজি বিক্রেতা আব্দুল হান্নান বলেন, পাইকাররা দাম বেশি রাখায় আমাদেরও বেশি দরে বিক্রি করতে হচ্ছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.