”জিম্মিদের অক্ষত উদ্ধারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে”

নিজস্ব প্রতিবেদক: রাজধানীর গুলশানে ‘হলি আর্টিজান বেকারি’ নামের রেস্তোরাঁয় বিদেশিসহ কয়েকজনকে জিম্মি করে রাখার ঘটনায় শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চলছে বলে জানিয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে শনিবার ভোরে বলা হয়, রেস্তোরাঁয় জিম্মিদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।
র্যাবের অতিরিক্ত মহাপরিচালক আবদুল জলিল মণ্ডল শনিবার ভোরে বলেন, ‘সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা চলছে। জিম্মিদের অক্ষত অবস্থায় উদ্ধারকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।’
এদিকে এ হামলার ঘটনায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অন্তত ২০ জন। নিহত দুই পুলিশ কর্মকর্তা হলেন, ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) সহকারী কমিশনার রবিউল ইসলাম ও বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সালাহউদ্দিন।
শুক্রবার রাত ৯টার দিকে গুলশান-২ এর ৭৯ নম্বর সড়কের ওই রেস্তোরাঁয় হঠাৎ আট থেকে ১০ জন যুবক ঢুকে পড়েন এবং গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে সেখানে অবস্থানরত লোকজনকে জিম্মি করেন। খবর পেয়ে র্যাব, পুলিশসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা সেখানে যান। অস্ত্রধারীদের সঙ্গে গোলাগুলির ঘটনায় আহত হন পুলিশের ওই দুই সদস্য। গুলশানের ইউনাইটেড হাসপাতালে ভর্তির পর সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তারা মারা যান।
এসি রবিউলের মামা মোহাম্মদ জালালউদ্দিন জানান, রাত আনুমানিক ১টার দিকে ইউনাইটেড হাসপাতালে মারা যান রবিউল। ওসি সালাউদ্দিনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছেন তার ভাগ্নে মিশু হাসান। তিনি জানান, সালাহউদ্দিনের গলায় গুলি ও বোমার স্প্লিন্টার বিদ্ধ হয়।