Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

পুলিশের প্রেস ব্রিফিং সালথায় নিরোধ শিকদার হত্যার রহস্য উন্মোচন!

picসালথা থেকে , আবু নাসের হোসাইন ঃ ফরিদপুরের সালথায় নিরোধ চন্দ্র শিকদার হত্যার রহস্য উন্মোচন হয়েছে। বিজ্ঞ আদালতে আসামী দোষ স্বীকারোক্তি মূলক জবানবন্দী প্রদান করেছে।

শনিবার রাতে সালথা থানা পুলিশ এক প্রেস ব্রিফিংয়ে সাংবাদিদের জানান, গত ২১ ফেব্র“য়ারী ভোর রাতে উপজেলার আটঘর ইউনিয়নের চাউলিয়া গ্রামের মৃত মোকন্দ শিকদারের ছেলে নিরোধ চন্দ্র শিকদার প্রকৃতির ডাকে সারা দেওয়ার জন্য বসতঘর থেকে বাহির হয়ে বাথরুমে যায়। সকালে তাহার লাশ জখম অবস্থায় তাহার বাড়ির উত্তর পাশে পুকুর পাড়ে পাওয়া যায়। এঘটনায় নিহতের ছেলে অপূর্ব কুমার শিকদার বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামীদের বিরুদ্ধে এজাহার দায়ের করিলে সালথা থানায় একটি হত্যা মামলা রুজু হয়। মামলা রুজুর পরপরই সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার (ভাঙ্গা সার্কেল) মো. শামচুল হক পিপিএম ও সালথা থানার অফিসার ইনচার্জ ডী.এম বেলায়েত হোসেন মামলাটি নিবিড় তদারকী শুরু করেন। এক পর্যায়ে মামলার উপ-পরিদর্শক (আইও) এসআই মো. জিল্লুর রহমান গত বৃহস্পতিবার রাতে ঘটনার সাথে জড়িত আসামী বটরকান্দা গ্রামের হাকিম মোল্যার ছেলে আলেম মোল্যা (২২) কে গ্রেফতার করেন। আসামী আলেম মোল্যাকে ঘটনা সংক্রান্তে ব্যাপকভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করিলে সে হত্যাকান্ডের সত্যতা স্বীকার করিয়া বিজ্ঞ আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দী প্রদান করে। বিজ্ঞ আদালতে স্বীকার করে যে, সে তাহার সহযোগি আসামীদের নিয়া ঘটনারদিন ভোর রাতে নিরোধ চন্দ্র শিকদারের বাড়ীতে চুরি করার জন্য ওৎ পাতিয়া ছিলো। এসময় নিরোধ চন্দ্র শিকদার বাথরুম করার জন্য বসতঘর থেকে বাহির হইলে চুরির পথ সুগম করার জন্য নিরোধ শিকদারকে গলায় গামছা পেচাইয়া ও লোহার পাইপ দিয়া আঘাত করিয়া তাকে হত্যা করে তাহার লাশ বাড়ির পাশে পুকুর পাড়ে ফেলে রাখে। এরপর নিরোধ চন্দ্র শিকদারের ঘরে ঢুকিয়া নগদ ৭ হাজার টাকা, একটি দূরবীন ও দুইটি সাইড ব্যাগ নিয়া যায়। চুরি করা ৭ হাজার টাকা তাহারা নিজেদের মধ্যে ভাগ করিয়া নেয়। আসামীর স্বীরোক্তি মোতাবেক তাহার সহযোগি রামকান্তপুর গ্রামের মৃত লতিফ খানের ছেলে রাসেল খান (২৫)কে গ্রেফতার পূর্বক ৭দিনের পুলিশ রিমান্ড চেয়ে শনিবার বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হইয়াছে।

মামলা রুজুর মাত্র ২০ দিনের মাথায় মামলার আইও, থানার অফিসার ইনচার্জ এবং সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার ভাঙ্গা সার্কেলের প্রচেষ্টায় অত্র মামলার মূল রহস্য উদঘাটন করা সম্ভব হয়েছে। এতে সালথা থানা পুলিশের ভাবমূর্তি উজ্জল হইয়াছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.