বাংলাদেশকে ১৪২ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান
সিরিজের একমাত্র টুয়েন্টি টুয়েন্টি ম্যাচে বাংলাদেশকে ১৪২ রানের টার্গেট দিয়েছে পাকিস্তান। মিরপুর শেরে বাংলা স্টেডিয়ামে আজ টস পাকিস্তানের অধিনায়ক শহিদ আফ্রিদির পক্ষে কথা বলেছে। তাই প্রথমে ব্যাট করার সিদ্বান্ত নেন আফ্রিদি। অধিনায়কের এমন সিদ্বান্তকে সঠিকই প্রমাণ করতে ওপেনার হিসেবে ২২ গজে হাজির হন দুই ওপেনার আহমেদ শেহজাদ ও অভিষেক ম্যাচ খেলতে নামা মুক্তার আহমেদ। বাংলাদেশী বোলারদের দুর্দান্ত বোলিং-এর সামনে শুরু থেকে নড়বড়ে ছিলেন সফরকারী দুই ওপেনার।
ফলে পাওয়ার প্লে’র ৬ ওভারে বিনা উইকেটে রান উঠেছে মাত্র ৩১ রান। উইকেট একটি পড়তে পারতো। যদি না উইকেটরক্ষক মুশফিকুর রহিম ষষ্ঠ ওভারের পঞ্চম বলে স্টাম্পিং মিস না করতেন। সাকিবের বলে উইকেট ছেড়ে খেলতে গিয়ে বলের লাইন হারান মুক্তার। তখন তার রান ছিলো ১৫।
ফলে দলের স্কোর ৫০ রানে নিয়ে যান দুই ওপেনার শেহজাদ ও মুক্তার। আর ৯ ওভারের শেষ বলে প্রথম সাফল্য পায় বাংলাদেশ। পেসার তাসকিন আহমেদের হাত ধরে আসে সেই সাফল্য। তবে এই আউটের পিছনে সবচেয়ে বেশি অবদান ছিলো টাইগার দলপতি মাশরাফির। লং-অফে দুর্দান্ত এক ক্যাচ ধরেন মাশরাফি। ফলে ১৭ রানে থামে শেহজাদের ইনিংসটি।
রান তোলার গতি কম থাকায়, তিন নম্বরে ব্যাটিং-এ আসেন আফ্রিদি। কিন্তু কিছুই করতে পারেননি তিনি। ৯ বলে ১২ রান করে অভিষেক হওয়া স্বাগতিক পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের শিকার হন আফ্রিদি।
পাকিস্তান দলপতির কিছুক্ষণ পরই প্যাভিলিয়নে ফিরেন ১৫ রানে জীবন পাওয়া মুক্তার। এবার আর স্টাম্পিং-এর সুযোগ হাতছাড়া করেননি মুশফিকুর। আরাফাত সানির বলে ৩০ বলে ৩৭ রান করে আউট হন মুক্তার।
১৩ ওভারের প্রথম বলে মুক্তারের বিদায়ের সময় পাকিস্তানের স্কোর ছিলো ৭৭ রান। এরপর দলের রানের পালে হাওয়া জোগানোর দায়িত্ব ছিলো মিডল-অর্ডার ব্যাটসম্যানদের। কিন্তু তারা পারেননি বড় ইনিংস খেলতে। এজন্য বাহ-বা দিতেই হবে স্বাগতিক বোলারদের। শেষ পর্যন্ত মোহাম্মদ হাফিজের ২৬ ও হারিস সোহেলের অপরাজিত ৩০ রানে ৫ উইকেটে ১৪১ রান করে পাকিস্তান। বাংলাদেশের পক্ষে ২০ রান ২ উইকেট নিয়েছেন অভিষেক হওয়া মুস্তাফিজ।
স্কোর কার্ড :
পাকিস্তান ইনিংস :
মুক্তার আহমেদ স্ট্যাম্পিং মুশফিকুর ব সানি ৩৭
আহমেদ শেহজাদ ক মাশরাফি ব তাসকিন ১৭
শহিদ আফ্রিদি ক মুশফিকুর ব মুস্তাফিজুর ১২
হারিস সোহেল অপরাজিত ৩০
মোহাম্মদ হাফিজ এলবিডব্লু ব মুস্তাফিজুর ২৬
সোহেল তানভীর রান আউট ৮
অতিরিক্ত বা-২, লে বা-৫, ও-৪ ১১
মোট ৫ উইকেট, ২০ ওভার ১৪১
উইকেট পতন : ১/৫০ (শেহজাদ), ২/৬৪ (আফ্রিদি), ৩/৭৭ (মুক্তার), ৪/১২৬ (হাফিজ), ৫/১৪১ (তানভীর)।
বাংলাদেশ বোলিং :
বোলার ওভার মেডেন রান উইকেট
মুস্তাফিজুর রহমান ৪ ০ ২০ ২ ও- ২
সাকিব আল হাসান ৪ ০ ১৭ ০ —
মাশরাফি বিন মর্তুজা ৪ ০ ২৯ ০ —
আরাফাত সানি ২ ০ ২৩ ১ ও-১
তাসকিন আহমেদ ৪ ০ ২৯ ১
নাসির হোসেন ২ ০ ১৬ ০ ও-১
