Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন করেন কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ্ মো: ফেরদৌস খান। গতকাল শুক্রবার সকাল ৯ সময় রাজিবপুর উপজেলার ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শন শেষে রৌমারী উপজেলার ধনারচর এলাকায় বেড়িবাঁধে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। প্রধান অতিথির বক্তব্যে জেলা প্রশাসক আবু ছালেহ্ মো: ফেরদৌস খান বলেন, ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থাগ্রহনের পরিকল্পনা করা হবে, নদের ভাঙ্গন রোধে স্থায়ী ব্যবস্থা গ্রহন না করলে ভবিষতে উপজেলা দুটি বিলিনের সম্ভাবনা রয়েছে।
আরো বক্তব্য রাখেন ২৮,কুড়িগ্রাম-৪ আসনের সংসদ সদস্য মো: রুহুল আমিন, রৌমারী উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: মজিবুর রহমান বঙ্গবাসী, রাজিবপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মো: শফিউল আলম, কুড়িগ্রাম বাপাউবো নির্বাহী প্রকৌশলী মোঃ সফিকুল ইসলাম।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন, চরশৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান একেএম ফজলুল হক মন্ডল,বন্দবেড় ইউপি চেয়ারম্যান কবির হোসেন, যাদুরচর ইউপি চেয়ারম্যান সরবেশ আলী, রৌমারী সদর ইউপি চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম শালু, শৌলমারী ইউপি চেয়ারম্যান হাবিবুর রহমান হাবিল, রৌমারী নদী ভাঙ্গন প্রতিরোধ আন্দোলন ও বাস্তবায়ন কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবু হানিফ মাস্টার, মুক্তিযোদ্ধা খন্দকার সামসুল আলম, এমপি’র ব্যক্তিগত সহকারী এমদাদুল হক, উপজেলা ছাত্রলীগের সাংঠনিক সম্পাদক শাহ্জাহান সিরাজী, মহনগঞ্জ ইউপি চেয়ারম্যান আনোয়ার হোসেন, রৌমারী প্রেসলক্লাবের সাধারণ সম্পাদক আমির হোসেন প্রমূখ।
জেলা প্রশাসকের উদ্দের্শ রৌমারীবাসী দাবী করে বলেন ব্রহ্মপুত্র নদের ভাঙ্গন রোধে জরুরী ভিত্তিতে ব্যবস্থা গ্রহন না করলে অদুর ভবিষ্যতে ১৯৭১ইং সালের মহান স্বাধীনতার মুক্তাঞ্চল রৌমারী ও রাজিবপুর উপজেলা বাংলাদেশের মানচিত্র হতে সম্পূর্ণভাবে হারিয়ে যাবে। এ উপজেলা দুটি ভাঙ্গনের হুমকির সম্মুখীন হয়েছে।
পড়ে জেলা প্রশাসক রৌমারী উপজেলার যাদুরচর,বন্দবেড়, চরশৌলমারী ও দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.