Connect with us

Highlights

’এইচএম সেলিম রান টেন কে ২০২৪’ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা

Avatar photo

Published

on

রাজধানীর উত্তরাস্থ দিয়াবাড়িতে পিনাকল স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে ‘সুস্থ সমাজ গঠনে খেলাধুলার বিকল্প নেই’ শীর্ষক ‘এইচএম সেলিম রান টেন কে ২০২৪, HM Salim Run 10K 2024’ ম্যারাথন দৌড় প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (৫ জানুয়ারি ২০২৪ খ্রি.) সকালে সাড়ে ৬টায় উদ্বোধনী বক্তব্যের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের সূচনা করেন এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সাধারণ সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা।

পিনাকল স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক রিয়াল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিনাকল স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশনের চেয়ারম্যান ও হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।

হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম তার বক্তব্যে বলেন, তরুন সমাজ বর্তমানে নানাবিধ সঙ্কটে ভুগছে। প্রথমত আদর্শগত সঙ্কট, আজকে তরুণদের সামনে কোনো সঠিক আদর্শ নাই। আজকে তারা যাদেরকে আইকন ভাবছে তারা শুধু বিনোদন দিতে পারছে। কিন্তু জীবনধারা পরিবর্তনের পথ দেখাতে পারছে না। দ্বিতীয়ত, প্রচলিত ধাপ্পাবাজির রাজনীতি। এই রাজনীতির ক্ষপ্পরে পরে তরুণরা হাজার হাজার ভাগে বিভক্ত। নিজেদের মধ্যে মারামারিতে লিপ্ত। তৃতীয়ত ধর্মের অপব্যাখ্যা, ভুল ব্যাখ্যা, উদ্দেশ্যমূলক ব্যাখ্যা, বিকৃত ব্যাখ্যা। যেমন- খেলাধুলা হারাম, গান হারাম ইত্যাদি ফতোয়ার বেড়াজাল। চতুর্থত, মাদক, যা তারুণ্য শক্তিকে শেষ করে দিয়েছে। পঞ্চম অপসংস্কৃতির আগ্রাসন, যা তারুণ্য শক্তিকে নিস্তেজ, নিষ্প্রভ করে দিচ্ছে। বুঁদ করে দিচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, আজকে যুব সমাজকে সঠিক ট্র্যাকে নিয়ে আসতে খেলাধুলার বিকল্প নেই। তাই হেযবুত তওহীদ সদা-সর্বদা তরুণদের নিয়ে নানা ধরণের খেলাধুলার আয়োজন করে থাকে। এরই ধারাবাহিকতায় পিনাকল স্পোর্টসের আজকের এই আয়োজন।

এ সময় তিনি তরুণদেরকে জাগাতে হলে তাদের তরুণ্য শক্তিকে জাগাতে হবে বলে মন্তব্য করেন। বলেন, তরুণদের সেই শক্তিকে জাগাতে কাজ করে যাচ্ছে মানবতার কল্যাণে নিবেদিত আন্দোলন হেযবুত তওহীদ। আমরা বাংলাদেশের প্রতিটি জেলায়, প্রতিটা থানায়, প্রতিটা বিভাগে সাংস্কৃতিক ও খেলাধুলা অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে চাই। আমরা সারাদেশে হারিয়ে যাওয়া খেলাধুলাকে আবারও উদ্ধার করতে চাই। বক্তব্যে ম্যারাথন প্রতিযোগিতার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও গুরুত্ব তুলে ধরেন হেযবুত তওহীদের শীর্ষ নেতা।

এরআগে এদিন সকাল সাড়ে ৫টা থেকে প্রবল শীত উপেক্ষা করে প্রতিযোগিরা দৌড় প্রতিযোগিতার স্টার্টিং পয়েন্ট ১৮নং সেক্টরের ১০নং ব্রিজের নিকটে আসতে শুরু করে। পরে সাড়ে ৬টা থেকে ওয়ার্ম আপ শুরুর পর প্রথমে সকাল ৭টায় বেজে ওঠে পুরুষ প্রতিযোগিদের দৌড় প্রতিযোগিতার বাঁশি। এর ৩০ মিনিট পর শুরু হয় নারীদের প্রতিযোগিতা। পুরুষ প্রতিযোগিদের মধ্যে ৪৬ মিনিটে ১০ কিলোমিটার দৌড় শেষ করে প্রথম স্থান অধিকার করেন প্রতিযোগি মুক্তাদির আহমেদ, দ্বিতীয় হন সোহেল রানা (৪৭মিনিট) এবং তৃতীয় হন মোহাম্মদ হৃদয় (৪৭.৩০মিনিট)। নারীদের মধ্যে সাড়ে ৭ কিলোমিটার দৌড়ে ৪০মিনিটে প্রথম স্থান অধিকার করেন সুমাইয়া আক্তার, দ্বিতীয় স্থান নাজমুন্নাহার বিথী এবং তৃতীয় স্থান জাহানারা আক্তার।

প্রতিযোগিতা শেষে দৌড় প্রতিযোগিদের প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারকারীদের পুরস্কার বিতরণ করা হয়। এছাড়াও সকল ফিনিশারকে মেডেল দেয় আয়োজক কর্তৃপক্ষ। জানা যায়, নারী-পুরুষ মিলে সহস্রাধিক প্রতিযোগি অংশগ্রহণ করেন। যাদের মধ্যে প্রায় শতভাগ এন্ডিং পয়েন্ট অতিক্রম করতে সক্ষম হয়।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন, পিনাকল স্পোর্টস এ্যাসোসিয়েশনের উপদেষ্টা খাদিজা খাতুন, দৈনিক দেশেরপত্রের সম্পাদক রূফায়দাহ পন্নী, ডা. মাহবুব আলম মাহফুজ, আল আমিন সবুজ, আলী হোসেন প্রমুখ। অনুষ্ঠানটি যৌথভাবে সঞ্চালনা করেন, তারুণ্যের সভার চেয়ারম্যান আয়েশা সিদ্দিকা, ডা. তুহিন মাহমুদ, শাহ নেওয়াজ খান রিপন ও ফরিদ উদ্দিন রব্বানী।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

রাজধানীতে ‘বাংলা ভাষার মান রক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা

Avatar photo

Published

on

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ‘বাংলা ভাষার মান রক্ষায় আমাদের করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকাল সাড়ে পাঁচটায় রাজধানীর সেগুনবাগিচায় কচি-কাচার মেলা হলে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে হৃদয়ে বাংলাদেশ সাংস্কৃতিক পরিষদ।

সংগঠনটির উপদেষ্টা শাহ মুহাম্মদ সেলিম রেজা চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন হেযবুত তওহীদের সর্বোচ্চ নেতা এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম বলেন, ‘বাংলা ভাষা বিকৃত করার প্রবণতা তরুণদের মধ্যে বেশ লক্ষণীয়। অফিস-আদালত, চলচ্চিত্র, নাটক, বিজ্ঞাপনসহ প্রায় জায়গাতেই চলছে বিদেশি ভাষার ব্যবহার। বিদেশি ভাষার আগ্রাসনে খাঁটি বাংলা ভাষার চর্চা দিন দিন কমে যাচ্ছে। সবচেয়ে বড় আফসোসের বিষয় হলো, আমাদের সমাজে কিছু সুশীল ব্যক্তিবর্গ আছেন যারা বেশি ইংরেজি শব্দ ব্যবহার করেন। যার প্রভাব পড়ে দর্শক-শ্রোতাদের মধ্যে। তারাও মিশ্র ভাষায় কথা বলতে শেখে। বেসরকারি বেতারগুলোর উপস্থাপকরা তো বাংলা বলেন না বললেই চলে। পৃথিবীর প্রায় ২৮ কোটি মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলে। জনসংখ্যার দিক থেকে বিশ্বে বাংলা ভাষার স্থান সপ্তম। বাংলা ভাষার ঐতিহ্য এবং সাহিত্যসম্ভারও বিপুল। অথচ নতুন প্রজন্ম বাংলা ভাষার প্রতি উৎসাহী ও মনোযোগী নয়। আরেকদিকে ইংলিশ মিডিয়ামের দৌরাত্বে অনেক ছেলেমেয়ে যদিও বাংলা ভাষায় কথা বলতে পারে কিন্তু লিখতে পারে না। একটু শিক্ষিতরা বাংলার সাথে ইংলিশ শব্দ মিশ্র করে ককটেল বানিয়ে ব্যবহার করে গৌরব করে। অন্যদিকে একজন অশিক্ষিত কৃষক শ্রমিকের কথায় যদি আঞ্চলিকতা প্রকাশ পায় তাকে আমরা ক্ষেত বলে পরিহাস করতে ছাড়ি না বলে মন্তব্য করেন তিনি।

বক্তব্য রাখছেন হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

বক্তব্য রাখছেন হেযবুত তওহীদের এমাম হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম

তিনি বলেন, ‘নব্বইয়ের দশকে ইউনেস্কো একুশে ফেব্রুয়ারিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস হিসেবে ঘোষণা করে। কিন্তু আমরা কি বাংলা ভাষাকে সঠিক মর্যাদা দিতে পারছি? আমরা কি বিশুদ্ধ বাংলায় কথা বলতে পারি? আমরা কি বাংলা ভাষার বিকৃতি রোধ করতে পেরেছি? ১৯৪৮ সালে করাচিতে নিখিল পাকিস্তান শিক্ষা সম্মেলনে পাকিস্তানিরা উর্দুকে রাষ্ট্রভাষা করার প্রয়াসে আরবি হরফে বাংলা লেখার প্রস্তাব করেছিল। আমরা কিন্তু তাদের অযৌক্তিক প্রস্তাব গ্রহণ করিনি। হয়েছে প্রতিবাদ, আন্দোলন। কিন্তু এখন তরুণ প্রজন্মের বড় অংশই ইংরেজি অক্ষরে বাংলা লিখছে প্রতিনিয়ত। কিন্তু কোনো মহল থেকেই এর কোনো প্রতিবাদ উঠছে না -বলেন এই বক্তা।

তিনি আরো বলেন, ‘বাংলা ভাষার শুদ্ধ ও সঠিক ব্যবহারের প্রতি অনেকের আগ্রহ কমছে বলে মনে হয়। বিশেষ করে আমাদের শিশু ও তরুণ প্রজন্মের মধ্যে ভাষার প্রতি মমত্ব ও আগ্রহ নিয়ে উদাসীনতা মোটেও ভালো কিছু নয়। শিশু ও তরুণদের একাংশ বাংলার চেয়ে ইংরেজি ভাষা ব্যবহারে বেশি আগ্রহী। এর জন্য আমাদের বিদ্যমান পরিস্থিতিও অনেকাংশে দায়ী। ইংরেজি ভাষা শিক্ষা নিয়ে আমার কোনো আপত্তি নেই, কিন্তু নিজের ভাষাকে অবহেলা করার পক্ষেও আমি নইÑ বলেন হোসাইন মোহাম্মদ সেলিম।

তিনি বলেন, ‘বিমা-ব্যাংকে গেলে বাংলার ব্যবহার প্রায় অদৃশ্য। অনেক সরকারি প্রতিষ্ঠানেও ইংরেজিতে প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা হয়; এমনকি কর্মরতদের নাম, পদবিও থাকে ইংরেজিতে। ব্রিটিশরা আমাদের মনে পরনির্ভরতা ও বিদেশি ভাষার প্রতি যে অনুরাগ তৈরি করে গেছে, সেটি বদলাতে হবে। বিদেশি শব্দ ও ভাবধারার প্রতি আমাদের দুর্বলতা দূর করতে হবে। পৃথিবীর অনেক দেশ সরকারিভাবে তাদের নিজস্ব ভাষা ব্যবহারে সাফল্য দেখিয়েছে; তাহলে আমরা কেন পারব না?”

সবশেষে তিনি বলেন, মানবজাতি এক জাতি। ভাষাভিত্তিক জাতীয়তাবাদ ইসলামের নিষিদ্ধ। সব ভাষাই আল্লাহর দেওয়া। প্রকৃতির বৈচিত্র্য যেমন স্বাভাবিক তেমনি ভাষার বৈচিত্র্যও স্বাভাবিক। ইসলাম ভূপ্রকৃতির কারণে জাতীয়তাবাদ এবং ভাষার কারণে বিভিন্নতার কারণে জাতীয়তাবাদ কোনটাকেই স্বীকার করে না। ইসলামের বিধানে সমস্ত মানুষ এক জাতি ভাষার কারণে কোনো জাতি অন্য জাতির উপরে শ্রেষ্ঠ হতে পারে না।

বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন দৈনিক দেশেরপত্রের সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী, লায়ন কেফায়েত উল্লাহ, বাংলাদেশ ওয়ার্ল্ড ক্যান্সার সোসাইটির সভাপতি সৈয়দ হুমায়ুন কবির, অতিথি গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও লায়ন সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ নারী উদ্যোক্তার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি রূপা আহমেদ, দৈনিক বজ্রশক্তির সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা, মাটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সহ-সভাপতি রিয়াদুল হাসান প্রমুখ।

বিশেষ অতিথি মাটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠীর সহ-সভাপতি রিয়াদুল হাসান তার বক্তব্যে বর্তমানের বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় ভাষা ইংরেজি ভাষার বিভিন্ন দুর্বলতা তুলে ধরে বাংলা ভাষার সমৃদ্ধ সুশৃঙ্খল রূপ তুলে ধরেন।

বিশেষ অতিথি দৈনিক বজ্রশক্তির সম্পাদক এস এম সামসুল হুদা তার বক্তব্যের সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানসহ আদালতে ইংরেজি ভাষার ব্যবহারের নিন্দা জানিয়ে অনতিবিলম্বে এসব দপ্তরে বাংলা ভাষার ব্যবহার নিশ্চিত করতে কর্তৃপক্ষের নিকট দাবি জানান।

সবশেষে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানের বিশিষ্ট শিল্পীদের পরিবেশিত ভাষার গানে দেশের গানে মুখরিত হয় মিলনায়তন।

Continue Reading

Highlights

বই মেলায় আইয়ুব রানার ‘রকমারী ছড়া’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন

Avatar photo

Published

on

অর্ধ সাপ্তাহিক সুবাণী সম্পাদক আইয়ুব রানা রচিত ‘রকমারী ছড়া’ গ্রন্থের মোড়ক উন্মোচন করা হয়েছে। গত সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪) বিকেলে বাংলা একাডেমি প্রাঙ্গণে চলমান অমর একুশে বইমেলার মোড়ক উন্মোচন মঞ্চে বইটির মোড়ক উন্মোচন করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বইটির মোড়ক উন্মোচন করেন দৈনিক দেশেরপত্রের সম্পাদক রুফায়দাহ পন্নী। আরও উপস্থিত ছিলেন দৈনিক বজ্রশক্তির সম্পাদক এসএম সামসুল হুদা, দানবীর সেখ সইদুল ইসলাম (কলকাতা), বইয়ের রচয়িতা আইয়ুব রানা প্রমুখ।

বইয়ের রচয়িতা আইয়ুব রানা জানান, বইটি একুশে বইমেলার ৩৮৪নং উচ্ছ্বাস প্রকাশনীর স্টলে পাওয়া যাচ্ছে। এ সময় তিনি ছড়া প্রেমিদের বইটি সংগ্রহ করার অনুরোধ জানান।

Continue Reading

Highlights

দেশকে এগিয়ে নেব, এটিই প্রতিজ্ঞা: প্রধানমন্ত্রী

Avatar photo

Published

on

সারা বিশ্বে যুদ্ধ বন্ধের আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, শান্তি থাকলেই প্রগতি ও উন্নতি আসে। বাঙালি শান্তিতে বিশ্বাস করে। আমরা যুদ্ধ চাই না, শান্তি চাই।

তিনি বলেন, শান্তি থাকলেই কিন্তু প্রগতি আসে, উন্নতি হয়, এগিয়ে চলা যায়। সেটিই আমাদের একমাত্র লক্ষ্য, এভাবেই আমরা এগিয়ে যেতে চাচ্ছি। দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব, এটিই আমাদের প্রতিজ্ঞা।

বুধবার আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে মহান শহিদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৪ উদ্‌যাপন উপলক্ষ্যে চার দিনব্যাপী অনুষ্ঠানমালার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শেখ হাসিনা বলেন, সারাবিশ্বের যুদ্ধ বন্ধ হোক। বন্ধ হোক অস্ত্র প্রতিযোগিতা। এ অস্ত্র প্রতিযোগিতায় যে অর্থ (খরচ করা হচ্ছে), তা মানুষের জ্ঞানবিজ্ঞান, গবেষণা, জলবায়ু পরিবর্তন, নারী ও শিশুর বিকাশ, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, পরিবেশের উন্নয়নসহ বিশ্বের উন্নয়নের নানান কাজে ব্যয় হোক।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আজ মহান একুশে ফেব্রুয়ারি শহিদ দিবস এবং আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস। বাঙালি জাতি নিজের মাতৃভাষাকে মর্যাদা দেওয়ার জন্য মহান আত্মত্যাগ করেছে। মাতৃভাষা রক্ষায় যারা আত্মত্যাগ করেছে তাদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। বাঙালি জাতি রক্ত দিয়ে ভাষার মর্যাদা দিয়ে গেছে।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন- প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ড. কামাল আবদুল নাসের চৌধুরী, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী রুমানা আলী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব সোলেমান খান, আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক প্রফেসর ড. হাকিম আরিফ।

Continue Reading