Connect with us

Highlights

পাবনায় হেযবুত তওহীদের আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত

Avatar photo

Published

on

রাজশাহী ব্যুরোঃ
সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে পাবনায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পাবনা জেলা হেযবুত তওহীদের উদ্যোগে আজ শুক্রবার বিকাল ৩ টার দিকে সদর উপজেলার মলিগাছা ইউনিয়নের বিলভেদুরী গ্রামে এ আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জঙ্গিবাদ, সন্ত্রাস, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মব্যবসা ও ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতির বিরুদ্ধে হেযবুত তওহীদের চলমান জনসচেতনতামূলক কার্যক্রমের অংশ হিসেবে এ আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
পাবনা জেলা হেযবুত তওহীদের সভাপতি মো: রমজান আলীর সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় হেযবুত তওহীদের সাধারন সম্পাদক মসিউর রহমান।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাংগঠনিক সম্পাদক মনিরুজ্জামান মনির, শামসুল হুদা ডিগ্রি (অনার্স) কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) মো. নজরুল ইসলাম, পাবনা জেলা হেযবুত তওহীদের সাধারন সম্পাদক মো. আলমগীর হোসেন, সদর উপজেলা সভাপতি মো. রফিকুল ইসলাম, জেলা মহিলা বিষয়ক সম্পাদক নূর আসমা মিথিলা প্রমুখ।
অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি হেযবুত তওহীদের সাধারন সম্পাদক মসিউর রহমান বলেন, দেশকে সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ ও সকল প্রকার অন্যায় থেকে মুক্ত করার জন্য ধর্মের প্রকৃত শিক্ষা ধারন করে একজন সচেতন নাগরিক হিসেবে এগিয়ে আসতে হবে। এই কাজ হেযবুত তওহীদ নিস্বার্থভাবে করে যাচ্ছে। জতি ও দেশকে বাঁচাতে হলে ঐক্যবদ্ধতার কোন বিকল্প নেই। সকলকে ন্যায় ও সত্য ধারন করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান করেন।
তিনি আরও বলেন, যে ধর্ম এসেছিলো মানব জাতির মুক্তির জন্য সেই ধর্মকেই হীন স্বার্থে ব্যবহার করছে এক শ্রেনীর ধর্ম ব্যবসায়ী আলেম। ফলে মানবজাতি ধর্ম থেকে প্রকৃত মুক্তি পাচ্ছে না। মানবজাতিকে ধর্মের অনাবিল শান্তি ফিরিয়ে দিতে হলে সকলকে কাধে কাধ রেখে কাজ করে যেতে হবে।
আগত দর্শকদের উপস্থিতিতে অনুষ্ঠানস্থল কানায় কানায় পূর্ন হয়ে যায়। হেযবুত তওহীদ যে আদর্শ তুলে ধরেছে আগত দর্শকরা তার সাথে একাত্ততা পোষণ করে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।


Highlights

তুরস্কে তিন মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা

Avatar photo

Published

on

তুরস্কে তিন মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। সোমবারের বিধ্বংসী ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি প্রদেশে তিনি এ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

এরদোগান বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে কেন্দ্রীভূত ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩,৫৪৯ জন হয়েছে। এর ফলে উত্তর সিরিয়ার মানুষসহ নিহতের মোট সংখ্যা ৫,০০০-জনের বেশি হয়েছে।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে উদ্ধার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে দ্রুত ত্রাণ কর্মীরা যেতে পারবেন। এছাড়া সেসব এলাকায় তাড়াতাড়ি আর্থিক সহায়তাও দেওয়া যাবে।

তবে এ বিষয়ে কোনো বিশদ বিবরণ দেননি এরদোয়ান। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১৪ মে তারিখে নির্বাচনের ঠিক আগে জরুরি অবস্থার অবসান হবে।

সোমবার ভোরে সিরিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে আঘাত হানা একটি বড় ধরণের ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে। তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ শহরের কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর আরও বেশ কয়েকটি আফটারশক বা ভূমিকম্প-পরবর্তী কম্পন অনুভূতি হয়েছে। এর মধ্যে একটি কম্পন ছিলো মূল ভূমিকম্পের মতোই শক্তিশালী। এর আগে প্রায় ২০০ বছরে তুরস্কের ওই অঞ্চলে তেমন কোনো বড় ভূমিকম্প হয়নি।

এটি একটি বড় ধরণের ভূমিকম্প ছিলো। যার মাত্রা ছিলো ৭.৮, যেটিকে ‘ভয়াবহ’ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। ফল্ট লাইন বরাবর প্রায় ১০০ কিলোমিটার ধরে এটি আঘাত হেনেছে এবং এর কারণে ভবনগুলোতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ইনস্টিটিউট ফর রিস্ক অ্যান্ড ডিজাস্টার রিডাকশনের প্রধান অধ্যাপক জোয়ানা ফাউর ওয়াকার বলেছেন: ‘এটা যেকোনো বছরের তুলনায় সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প। গত ১০ বছরের মধ্যে মাত্র দু’টি ভূমিকম্প এ মাত্রার ছিলো, আর এর আগের ১০ বছরে মাত্র চারটি ভূমিকম্প এ মাত্রার ছিলো।”

তবে শুধু কম্পনের শক্তির কারণেই এতো বেশি ধ্বংসযজ্ঞ হয়নি। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভোরের দিকে, যখন মানুষ ঘরের ভেতরে ঘুমাচ্ছিল। ভবনের দৃঢ়তাও একটি বিষয়।

পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভলকানো এন্ড রিস্ক কমিউনিকেশন বিভাগের রিডার ড. কারমেন সোলানা বলেছেন: “দুর্ভাগ্যবশত দক্ষিণ তুরস্ক এবং বিশেষ করে সিরিয়ায় অবকাঠামোগুলো খুব একটা ভূমিকম্প প্রতিরোধী নয়। তাই জীবন বাঁচানো এখন নির্ভর করবে উদ্ধার তৎপরতার ওপর। জীবিতদের উদ্ধারে পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪৮ ঘণ্টা পর জীবিত মানুষের সংখ্যা অনেক কমে যায়।”

এ বিষয়ে ব্লিউএইচও-এর শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাডেলহেইড মার্শাং বলেন, ‘ভূমিকম্প যেসব অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে, তার মানচিত্র অনুসারে বলা যায় যে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদের মধ্যে ৫০ লাখ মানুষ অরক্ষিত অবস্থায় আছে।

তিনি আরও বলেন, তুরস্ক এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ভূমিকম্প কবলিত অঞ্চলে বেসামরিক অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেনেভায় ডব্লিউএইচও-এর নির্বাহী কমিটিকে মার্শাং বলেছেন, ‘ডব্লিউএইচও মনে করে যে সিরিয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন জরুরি পণ্যের অভাব দেখা দিবে। এমনকি দেশটিতে মধ্যমেয়াদী সময়ের জন্য আরও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার বহু অংশ প্রবল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে। উভয় দেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তুরস্কেই ধসে পড়েছে সাড়ে তিন হাজার ভবন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

সূত্র : বিবিসি

 

Continue Reading

Highlights

তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্পে ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত!

Avatar photo

Published

on

তুরস্ক-সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা এমন মন্তব্য করেছে। কারণ, এ ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পে অনেক বেসামরিক অবকাঠামো ও হাসপাতাল বিধ্বস্ত হয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গেছে যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ‘তুরস্ক-সিরিয়ায় সংঘটিত ভূমিকম্পে বিপুল সংখ্যক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

ডব্লিউএইচও-এর শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাডেলহেইড মার্শাং বলেন, ‘ভূমিকম্প যেসব অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে, তার মানচিত্র অনুসারে বলা যায় যে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদের মধ্যে ৫০ লাখ মানুষ অরক্ষিত অবস্থায় আছে।

তিনি আরও বলেন, তুরস্ক এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ভূমিকম্প কবলিত অঞ্চলে বেসামরিক অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেনেভায় ডব্লিউএইচও-এর নির্বাহী কমিটিকে মার্শাং বলেছেন, ‘ডব্লিউএইচও মনে করে যে সিরিয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন জরুরি পণ্যের অভাব দেখা দিবে। এমনকি দেশটিতে মধ্যমেয়াদী সময়ের জন্য আরও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার বহু অংশ প্রবল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে। উভয় দেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তুরস্কেই ধসে পড়েছে সাড়ে তিন হাজার ভবন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই অঞ্চলে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত আফটারশক হতে পারে। সিএনএনের আবহাওয়াবিদ ক্যারেন ম্যাগিনিস ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন যে ভূকম্পনের বৈশিষ্ট্যের কারণে আফটার শক পরের কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্তও অনুভূত হতে পারে।

সূত্র : আল-জাজিরা

 

Continue Reading

Highlights

দেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৯৮ লাখ

Avatar photo

Published

on

বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেড়ে ১৬ কোটি ৯৮ লাখ ২৮ হাজার ৯১১ জনে দাঁড়িয়েছে। জনশুমারি ও গৃহগণনা শুমারির চূড়ান্ত প্রতিবেদনে এই তথ্য উঠে এসেছে।

সোমবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের এনইসি সম্মেলনকক্ষে এই প্রতিবেদন তুলে ধরে বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠান (বিআইডিএস)।

এর আগে গত জুলাইয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) প্রাথমিক প্রতিবেদনে জনসংখ্যা ছিল ১৬ কোটি ৫১ লাখ।

বিআইডিএসের মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনের সভাপতিত্বে সেমিনারে অংশ নেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম, পরিকল্পনা বিভাগের সচিব সত্যজিত কর্মকার, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগের সচিব ড. শাহনাজ আরেফিন।

বিবিএসের শুমারিতে কতসংখ্যক বাদ পড়েছে, তা জানতে আলাদাভাবে জরিপ করে সরকারি সংস্থা বিআইডিএস। তাতে দেখা যায়, বিবিএসের শুমারিতে ৪৭ লাখ বাদ পড়েছে। নতুন করে এরা যোগ হওয়ায় এখন জনসংখ্যা বেড়ে ১৬ কোটি ৯৮ লাখে উন্নীত হয়েছে। বিআইডিএস বলেছে, বিবিএসের শুমারিতে ২ দশমিক ৭৫ শতাংশ মানুষ বাদ পড়েছে। তারা বাদ পড়াদের যোগ করেছে।

গত বছরের ২৭ জুলাই বিবিএসের মাধ্যমে বাস্তবায়িত প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়। বিবিএস প্রতিবেদনের সে সময় বলা হয়, বাংলাদেশের জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ আট কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪, নারী আট কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬ এবং তৃতীয় লিঙ্গের জনগোষ্ঠী ১২ হাজার ৬২৯ জন।

Continue Reading