Connect with us

দেশজুড়ে

লালমনিরহাটে ৬ দফা দাবিতে হেযবুত তওহীদের সংবাদ সম্মেলন

Avatar photo

Published

on

সীমাহীন অপপ্রচার, হত্যার হুমকি, হামলার উস্কানি ও ফতোয়া দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রকারীদের অবিলম্বে গ্রেপ্তারের ৬ দফা দাবিতে সংবাদ সম্মেলন করেছে লালমনিরহাট জেলা হেযবুত তওহীদ।
রবিবার (৪ আগস্ট) বিকেল ৩ ঘটিকায় লালমনিরহাট বার্তা অফিসে
এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।

লালমনিরহাট জেলা হেযবুত তওহীদের সাধারন সম্পাদক মোঃ একরামুল হক এর সঞ্চালনায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের জেলা সভাপতি মোঃ জাহেদুল হক ও উপস্থিত সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মোঃ আশেক মাহমুদ।

হেযবুত তওহীদের সাংগঠনিক সম্পাদক আশেক মাহমুদ বলেন, ‘১৯৯৫ সালে করটিয়ার দাউদ মহলে হেযবুত তওহীদ প্রতিষ্ঠা থেকেই এ আন্দোলনের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে সেই শ্রেণিটি যারা ইসলামকে তাদের রুটি-রুজির মাধ্যম বানিয়ে নিয়েছে এবং যারা অপরাজনীতিতে ধর্মীয় সেন্টিমেন্টকে ব্যবহার করে এ পর্যন্ত বিভিন্ন জাতিবিনাশী কর্মকা- ঘটিয়েছে। এ শ্রেণিটি জনগণের কাছে হাজারো বিভ্রান্তিমূলক অসত্য তথ্য, গুজব, বানোয়াট বক্তব্য প্রচার করে হেযবুত তওহীদের মতো মহান একটি আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্য চেষ্টা করে এসেছে। শুধু তাই নয়, ধর্মান্ধ জনগোষ্ঠীকে লেলিয়ে দিয়েছে, হত্যা করতে প্ররোচনা দিয়েছে। এ পর্যন্ত তারা আমাদের চারজনকে নির্মমভাবে পিটিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে হত্যা করেছে। বহুজনকে আহত করেছে, বহু বাড়িঘর ভস্মীভূত করেছে, লুটপাট ভাঙচুর চালিয়েছে, বহু সদস্যকে বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করে দিয়েছে। সম্প্রতি এই শ্রেণিটি আরও ব্যাপক পরিসরে দেশজুড়ে সীমাহীন অপপ্রচার, হত্যার হুমকি, হামলার উস্কানি ও ফতোয়া দিয়ে দাঙ্গা সৃষ্টির ষড়যন্ত্রে গভীরভাবে লিপ্ত হয়েছে।’

সংবাদ সম্মেলনে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে অবিলম্বে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ বেআইনি উস্কানিদাতাদের গ্রেপ্তারের ৬ দফা দাবি জানানো হয়।

৬ দফা দাবি সমুহঃ ১.গ্রামে গঞ্জে ওয়াজ মাহফিল করে ও মসজিদের খুতবায় হেযবুত তওহীদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার, হুমকি প্রদানকারী ফতোয়াবাজদের গ্রেফতার করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে।

২.সোস্যাল মিডিয়াতে হেযবুত তওহীদ সদস্যদের জীবননাশসহ বিভিন্ন ধরনের ক্ষয় ক্ষতি সাধনের হুমকি দিচ্ছে তাদেরকে গ্রেফতার করে দ্রুত আইসিটি আইনের আওতায় আনতে হবে।

৩. দেশ ও জাতির স্বার্থে ধর্মব্যবসা, সাম্প্রদায়িকতা, ধর্মান্ধতা, জঙ্গিবাদ, ধর্ম নিয়ে অপরাজনীতি, মাদক ইত্যাদির বিরুদ্ধে দেশব্যাপী হেযবুত তওহীদের প্রচারকার্যে কোন ধর্মব্যবসায়ী গোষ্ঠী বা অন্য কোন ষড়যন্ত্রকারী যেন বাধা প্রদান করতে না পারে সে ব্যাপারে প্রশাসনের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করতে হবে।

৪. হেযবুত তওহীদের মাননীয় এমাম ও সদস্যদেরকে প্রাণনাশের এমনকি আত্মঘাতী হামলাও হুমকি দেওয়া হচ্ছে তাতে আমরা আশঙ্কা করছি আমরা যেকোন জায়গায়, যেকোন স্থানে আক্রান্ত হতে পারি । এমতাবস্থায় আমাদেরকে জান মালের নিরাপত্তা দেওয়ার দাবি জানাচ্ছি।

৫. ধর্মান্ধতা সাম্প্রদায়িকতা মুক্ত একটি সমাজ বিনির্মাণে আমরা নিঃস্বার্থভাবে কোন রাজনৈতিক অভিসন্ধিহীন যে আদর্শিক লড়াই চালিয়ে যাচ্ছি তার গুরুত্ব অনুধাবন করে আমাদের বক্তব্য জনগণের সামনে তুলে ধরার জন্য গণমাধ্যম কর্মীদেরকে অনুরোধ জানাচ্ছি।

৬.অবিলম্বে সকল ওয়াজ মাহফিলে, মসজিদের খোতবায়, ধর্মীয় সমাবেশে হেযবুত তাওহীদের বিরুদ্ধে মিথ্যাচার ও উস্কানি বন্ধ করার জন্য সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে নির্দেশ প্রদান করতে হবে।”

এসময় উপস্থিত ছিলেন লালমনিরহাট বার্তার সম্পাদক ও প্রকাশক গেরিলা লিডার ড. এস এম শফিকুল ইসলাম কানু, যমুনা টিভির আনীসুজ্জামান লাভলা, বিটিভির মৃদুল, জিটিভির আলতাফ হোসেন, জয়যাত্রা টিভির মাহাফুজুর রহমান, আনন্দ টিভির সাব্বির, নববিজয় টিভির আসাদুল ইসলাম সবুজ, বৈশাখী টিভির তৌহিদুল ইসলাম লিটন, দৈনিক ইত্তেফাক পত্রিকার সৈকত, দৈনিক প্রথম আলোর আব্দুর রহমান সুজন, বাংলাদেশের খবর পত্রিকার এস কে সাহেদ, সময়ের আলো পত্রিকার তন্ময় আহমেদ নয়ন, নব চেতনার লিয়াকত আলী, দৈনিক সাঈফ পত্রিকার কাওসার আলী ও জেলা হেযবুত তওহীদের নেতৃবৃন্দ।

Highlights

বাউফলের সেই লাল মিয়ার পাশে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা

Avatar photo

Published

on

মানবতার বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন বাউফল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল আমিন। সংবাদ প্রকাশের পর বাউফলের সেই হতদরিদ্র লাল মিয়া হাওলাদারের পাশে দাঁড়িয়েছেন তিনি।

শনিবার দুপরে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তাকে সঙ্গে নিয়ে সরজমিনে উপজেলার কালিশুরি ইউনিয়নের উত্তর রাজাপুর গ্রামের বাসিন্দা অসহায় দরিদ্র লাল মিয়া হাওলাদারের বাড়িতে যান। এসময় তিনি লাল মিয়াকে শীতবস্ত্র ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করেন এবং তাকে সরকারি ব্যয়ে ঘর নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দেন।

এরআগে গত শুক্রবার বাংলাদেশেরপত্র অনলাইনসহ কয়েকটি জাতীয় পত্রিকায় ‘আসমানী কবিতার রহিমদ্দির ঘরকেও হার মানায় বাউফলের লাল মিয়ার ঘর’ শিরোনামে একটি সচিত্র সংবাদ প্রকাশ হলে বিষয়টি নজরে আসে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার।

স্থানীয়রা জানান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আল-আমিন সরেজমিনে নিজের চোখে সবকিছু দেখে দরিদ্র লাল মিয়াকে কম্বলসহ তার নিজের পক্ষ থেকে আর্থিক সাহায্য প্রদান করেন। লাল মিয়াকে প্রতিবন্ধী ভাতার আওতায় নিয়ে আসাসহ ঘর তৈরি করার জন্য আরও আর্থিক সাহায্য প্রদান করার প্রতিশ্রুতি দেন। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার এমন মানবিক কর্মকাণ্ডে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন লাল মিয়া।

এদিকে অর্থিক সহায়তা ও ঘর পাওয়ার প্রতিশ্রুতি পেয়ে ইউএনওকে ধন্যবাদ জানান লাল মিয়া।

 

আসমানী কবিতার রহিমদ্দির ঘরকেও হার মানায় বাউফলের লাল মিয়ার ঘর

 

 

Continue Reading

দেশজুড়ে

ঝিনাইগাতীতে ‘কল্পিত অভিযোগে’ মানববন্ধনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

Avatar photo

Published

on

নির্বাচনে সমর্থন না করা, জমিজমা সংক্রান্ত বিরোধসহ বিভিন্ন আক্রোশে অনুসারীদের নিয়ে ‘নাটকীয় মানববন্ধন’ করে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ তুলেছেন আকরাম হোসেন নামে এক ব্যাক্তি।

শুক্রবার বিকালে শেরপুরের ঝিনাইগাতী উপজেলার ভালুকা গ্রামে সংবাদ সম্মেলন করে এ অভিযোগ করেন মৃত আলী আকবরের ছেলে আকরাম হোসেন।

মানববন্ধনের সংবাদ বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশ ও বিভিন্ন প্রশাসনিক দপ্তরে কল্পিত অভিযোগ দিয়ে তার পরিবারকে সমাজে হেয় প্রতিপন্ন করা হচ্ছে এবং পরিবারের শান্তি বিনষ্ট হচ্ছে বলেও অভিযোগ তার।

৭০ বছর বয়সী বৃদ্ধ আকরাম হোসেনের পক্ষে সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করে তার ছেলে ফজলুল করিম। তিনি বলেন, গত ২৩ জানুয়ারি পার্শ্ববর্তী ফুলহারি গ্রামের ইউপি সদস্য ও সাবেক ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যন মজনু মিয়া কল্পিত অভিযোগ তুলে আমাদের বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিভিন্ন দপ্তরের অভিযোগ দিয়ে অপপ্রচার করে আসছে। এমনকি পত্রিকায় আমাদের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রচার করে আমাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করছে। এছাড়াও মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাদেরকে হয়রানী করছে। এতে আমার ও আমার পরিবারের সদস্যদের সুনাম, শান্তি ভঙ্গের মারাত্মক কারণ হয়ে দাড়িয়েছে।

উল্লেখ্য বিভিন্ন দপ্তরে দেওয়া মজনু মিয়ার অভিযোগ অনুযায়ী- গত ১৫ জানুয়ারি বিকাল ৪টায় ভালুকা গ্রামের জনৈক হাবিবর ও হালিমের বাড়ির সম্মুখে মৃত আঃ জলিলের পুত্র মোঃ মজনু মিয়াকে প্রাণ নাশের হুমকি ও রাম দা এবং চাকু নিয়া মারপিট মিথ্যা হুমকির কথা বলে এবং ভুয়া মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলে গালাগালি করা, হত্যার হুমকি ইত্যাদি বিষয় নিয়ে জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নিকট অভিযোগ করেন। অভিযোগেগ আকরাম হোসেনকে ১নং বিবাদী করা হয়েছে। ২নং বিবাদী করা হয় মো. ফজলুল করিম ওরফে ফজল হককে।

মজনু মিয়ার অভিযোগটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্য প্রণোদিত উল্লেখ করে আকরাম হোসেন বলেন, ১৩ থেকে ১৭ জানুয়ারী পর্যন্ত তিনি ঢাকায় বিশ্ব ইজতেমায় ছিলেন। ২নং বিবাদী মোঃ ফজলুল করিম ওরফে ফজল হক ঘটনার পূর্ব থেকেই ঢাকায় অবস্থান করে ব্যবসায় লিপ্ত ছিলেন। ফরহাদ হোসেন ও জিব্রাইলকে ৩/৪ নং বিবাদী করা হয়েছে। মূলত ফরহাদ ও জিব্রাইল মো. মজনু মিয়ার বিরুদ্ধে আনীত একটি মামলার স্বাক্ষী হওয়ায় তাদের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ আনয়ন করা হয়েছে। ১৫ জানুয়ারিতে বর্ণিত কোনো ঘটনাই ঘটেনি বলে দাবি করেন তিনি। এছাড়াও মজনু মিয়ার অভিযোগ উল্লেখিত চুরি, ডাকাতি, খুন, রাহাজানি, ছিনতাই এবং মুক্তিযোদ্ধাদের গালি দেওয়ার বিষয়টিও সম্পূর্ণ মিথ্যা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

ভালুকা গ্রামের হালিম মিয়া বলেন, আমার বাড়ির সামনে যে ঘটনার কথা মজনু বলছে সেই ধরনের কোন ঘটনা ঘটেনি। তবে তাদের মধ‍্যে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে দ্বন্দ্ব রয়েছে।

মজনু মিয়া বলেন, আকরাম আমার সাথে দীর্ঘদিন থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে ঝামেলা করে আসছে। তাই তার বিরুদ্ধে আমি মানববন্ধন করতে বাধ্য হয়েছি।

এদিকে মানববন্ধন ও অভিযোগের বিষয়টিকে ‘গ্রাম্য রাজনীতি’ বলে মন্তব্য করেছেন তার পরিবারের সদস্য ও গ্রামবাসীরা। এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে নিরপেক্ষ তদন্তের দাবিও তাদের।

Continue Reading

দেশজুড়ে

শেরপুরে সন্ত্রাসী হামলায় ব্যবসায়ীর স্বর্ণ লুট

Avatar photo

Published

on

শেরপুরে সন্ত্রাসী হামলায় মো. আবু সাইদ নামে এক স্বর্ণ ব্যবসায়ী গুরুতর আহত হয়েছেন। সেইসাথে তার সাথে থাকা এক ভরি স্বর্ণ, ১২ আনি ওজনের একটি স্বর্ণের চেইন এবং নগদ টাকাসহ প্রায় দেড় লাখ টাকার মালামাল ছিনতাই করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের নয়ানীবাজার সুজন জুয়েলার্সের সামনে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতে আবু সাইদের পিতা মো. শামছুদ্দিন সমেশ বাদী হয়ে শেরপুর সদর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।

লিখিত অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, শহরের মুন্সিবাজারস্থ সুলতানা জুয়েলার্সের মালিক শামছুদ্দিন সমেশ এর ছেলে মো. আবু সাইদ দুপুরের দিকে গহনা তৈরীর জন্য এক ভরি ওজনের স্বর্ণ এবং একটি স্বর্ণের চেইন নিয়ে নয়ানীবাজার এলাকায় একজন কারিগরের উদ্দেশ্যে রওনা হয়।

এসময় আবু সাইদকে দিঘারপার মহল্লার হেলাল উদ্দিনের ছেলে নয়ন মিয়া, নয়ানীবাজার মহল্লার ইয়াকুব আলীর ছেলে আব্দুল জলিল, শিব বাড়ী মহল্লার সোহেল মিয়ার ছেলে শ্রাবন মিয়া এবং কসবা কাঠগড় মহল্লার শাখা নামে (পিতা অজ্ঞাত) কয়েকজন যুবক পথি মধ্যে গতি রোধ করেন এবং দেশীয় অস্ত্র ও লাঠি-সোটা নিয়ে হামলা চালায়। এসময় আবু সাইদের সাথে থাকা একটি স্বর্ণের চেইন এবং গহনা তৈরীর স্বর্ণ এবং নগদ টাকা ছিনতাই করে তাকে রাস্তায় ফেলে সন্ত্রাসীরা চম্পট দেয়। পরে আশপাশের লোকজন সাইদকে উদ্ধার করে শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করেন। তবে সাইদ শষ্কামুক্ত বলে জানান শেরপুর সদর হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক।

এ বিষয়ে সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বশির আহমেদ বাদল জানায়, সন্ত্রাসী ঘটনার লিখিত অভিযোগ পেয়েছি, মামলার গ্রহনের জন্য তদন্ত করা হচ্ছে।

Continue Reading