Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

ওপারে বনগাঁ থানা এলাকায় ব্যবহার হচ্ছে তিন লক্ষাধিক বাংলাদেশী সিম

full_1960912300_1437300536কামাল হোসেন, বেনাপোল: বেনাপোল সীমান্তের ওপারে সীমান্তবর্তী বনগাঁ থানা এলাকা জুড়ে অপরাধ কর্মকান্ডে ব্যবহার হচ্ছে বাংলাদেশী প্রায় ৩ লক্ষাধিক মোবাইল সিম। রেজিষ্টার বিহীন এসব সিম, হুন্ডি, মানব পাচার,স্বর্ন চোরাচালান হত্যা গুম সহ নানা ধরনের অপরাধ মুলক কর্মকান্ডে ব্যাবহার হচ্ছে। এমনকি ভারত সীমান্তরক্ষী বিএসএফ, ইমিগ্রেশন পুলিশ, কাস্টম, গোয়েন্দা, ভারতীয় কুলিরাও বাংলাদেশী সিম ব্যবহার করছে।

সুত্র জানায়,বেনাপোল ও শার্শা থানার সীমান্তে এলাকা কায়বা থেকে শালকোনা পর্যন্ত এবং ভারতের উত্তর ২৪ পরগনার সীমান্তের গড়জালা থেকে মেহেরানি পর্যন্ত উভয় সীমান্তের দৈর্ঘ্য প্রায় ৭২ কিলোমিটার করে।আর এই এলাকা জুড়ে সহজে ভারত বাংলাদেশ এর সাথে চোরাইপথে ব্যবসা বানিজ্য সহ বিভিন্ন অপরাধমুল কর্মকান্ডের যোগাযোগের জন্য চাহিদা রয়েছে মোবাইল ফোন।সীমান্তের চোরাচালানিরা,ভারতের পেট্টাপোল মানিচেঞ্জার কাউন্টার গুলোয় রয়েছে দেশের গ্রামীন, রবি এয়ারটের,বাংলালিং, সিটিসেল সিম।তারা এ গুলো অবাধে ব্যবহার করছে।
বেনাপোল দৌলতপুরের মফিজুর রহমান জানান,বাংলাদেশী সিম অনেক সময় ভারতের বনগাঁও শহর পর্যান্ত নেটওয়ার্ক পায়।আর সেই সুযোগে এখানকার গরু ব্যাবসায়ি, মদ, গাজা হেরোইন, হুন্ডি এবং সীমান্ত এলাকায় নানা সময় গুম হত্যার মতো কাজে এসব সিম ব্যাবহার হয়ে থাকে।তিনি আরো জানান,শুধু চোরাচালানীরা কেন ভারতের বিএসএফ ,ইমিগ্রেশন পুলিশ,কাস্টম সহ ভারতীয় কুলিরাও বাংলাদেশী সিম ব্যবহার করে থাকে।

সুত্র জানায়,সীমান্তে এসব সিম ব্যাবহার করে সন্ত্রাসীরা খুন খারাপি সহ নানাবিধ অপরাধের দিকনির্দেশনা দেয়।বেনাপোল সীমান্তে প্রতি মাসে কোন না কোন খুন, হত্যা গুমের মতো নৃশংশ ঘটনা ঘটে থাকে।আর অপরাধিরা এসব কর্মকান্ড ঘটিয়ে ভারতের সীমান্তের দালালদের সাথে যোগাযোগ করে তাৎক্ষনিক পার হয়ে চলে যায়।সীমান্তে ব্যবহারত রেজিষ্টার বিহীন এসব সিম যদি সঠিকভাবে তদন্ত করা হয় তবে দেখা যাবে এসব সিম ব্যাবহারকারিা হুন্ডি,গরু,নারী শিশু পাচার,স্বর্ন ব্যাবসা,ও চোরাচালানির সাথে জড়িত।
এ ব্যাপারে ২৬ বিজিবি বেনাপোল কমান্ডার আযুব আলী সরকার জানান,লোক মূখে শুনেছি ভারতের সীমান্ত এলাকায় বাংলাদেশী সিম ব্যবহার হয়।সেদেশে ব্যবহার হলে আমাদের কি করার আছে। এ ব্যাপারে বেনাপোল পোর্ট থানার ওসি অপুর্ব হাসান জানান,যেখানে সেখানে মোবাইল সিম বিক্রি হওয়াতে সব কোম্পানির সিম অপরাধিদের নিকট চলে যায়।সিম রেজিষ্টার করে বিক্রি করলে অপরাধ অনেক হৃাস পাবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.