Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

নাশকতার মামলায় খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর

file-2_2বিডিপি প্রতিবেদক: রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় নাশকতার মামলায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন বিএনপির চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া। আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টা ২০ মিনিটে ঢাকার মহানগর দায়রা জজ (১ নম্বর মহানগর বিশেষ ট্রাইবুনাল) আদালত খালেদা জিয়ার জামিন মঞ্জুর করেন।এর আগে সকাল ১০টা ৪০ মিনিটে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন বিএনপি চেয়ারপারসন।
আইনজীবীরা জানিয়েছেন, খালেদা জিয়া সকাল সাড়ে ১০টায় আদালত প্রাঙ্গনে পৌঁছান। এর ১০ মিনিটর পর তিনি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালত ভবনের দ্বিতীয় তলার আদালত কক্ষে যান। সেখানে গ্রেফতারি পরোয়ানা সংক্রান্ত যাত্রাবাড়ীর মামলায় আত্মসমর্পণ করে তিনি আইনজীবীর মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।
৩০ মার্চ যাত্রাবাড়ীতে বাসে পেট্রলবোমা মেরে মানুষ হত্যার ঘটনায় করা বিশেষ ক্ষমতা আইনের মামলায় বিএনপির চেয়ারপারসনসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কামরুল হোসেন মোল্লার আদালত। একই সঙ্গে পরোয়ানাভুক্ত আসামিরা গ্রেফতার হয়েছেন কিনা, তা পুলিশকে ২৭ এপ্রিল জানাতে বলেছেন আদালত। এ মামলায় খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়েছে।
পরোয়ানাভুক্ত উল্লেখযোগ্য আসামিরা হলেন- বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব বরকত উল্লাহ বুলু, বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা খন্দকার মাহবুব হোসেন, চেয়ারপারসনের প্রেস সচিব মারুফ কামাল খান সোহেল, চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, স্বেচ্ছাসেবক দল সভাপতি হাবিব-উন-নবী খান সোহেল, সাবেক ছাত্রদল সভাপতি আজিজুল বারী হেলাল, সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, বিএনপি নেতা এমএ কাইয়ুম, লতিফ, বাদল, সালাউদ্দিন আহম্মেদ, নবীউল্লাহ নবী।
এছাড়া মামলার চার্জশিটভুক্ত ৩৮ আসামির মধ্যে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য এমকে আনোয়ার, সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী, যুগ্ম মহাসচিব আমান উল্লাহ আমানসহ ছয়জন জামিনে এবং চারজন কারাগারে রয়েছেন।
২০১৫ সালের ৬ মে মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) উপ-পরিদর্শক বশির উদ্দিন ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন। মামলায় হত্যা ও বিস্ফোরক আইনে পৃথক অভিযোগপত্র দেয়া হয়। এতে খালেদা জিয়াসহ ৩১ জনকে পলাতক দেখানো হয়। এ মামলায় ৮১ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে। অভিযোগপত্রে হুকুমের আসামি হিসেবে খালেদা জিয়াকে এক নম্বরে রাখা হয়।
২০১৫ সালের ২৩ জানুয়ারি সরকারবিরোধী আন্দোলনে যাত্রাবাড়ী কাঠেরপুল এলাকায় গ্লোরী পরিবহনের যাত্রীবাহী বাসে পেট্রলবোমা নিক্ষেপ করা হয়। এতে বাসের ২৯ যাত্রী দগ্ধ হন। তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হলে ১ ফেব্রুয়ারি নূর আলম (৬০) নামে এক যাত্রী মারা যান।
ঘটনার পরদিন ২৪ জানুয়ারি খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করে দুটি মামলা করে যাত্রাবাড়ী থানা পুলিশ। দুই মামলাতেই খালেদা জিয়াকে হুকুমের আসামি করা হয়। এর মধ্যে একটি মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হল। মামলায় পেট্রলবোমা নিক্ষেপের পরিকল্পনাকারী হিসেবে বিএনপির ৫০ নেতাকর্মীকে আসামি করা হয়।
প্রসঙ্গত, এ দুই মামলা ছাড়াও গুলশান থানার নাশকতার একটি মামলা, গ্যাটকো দুর্নীতি মামলা এবং মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের সংখ্যা নিয়ে ‘বিতর্কিত’ বক্তব্য দেয়ায় রাষ্ট্রদ্রোহের একটি মামলায় খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে আদালতের সমন রয়েছে। এসব মামলায়ও তিনি হাজির হতে পারেন।

Leave A Reply

Your email address will not be published.