Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

জিমন্যাস্টিকসে রিতার বিশ্বজয়

স্পোর্টস ডেস্ক: জিমন্যাস্ট হিসেবে কোন বাংলাদেশি পৃথিবী জোড়া নাম কুড়াবেন- এটা বিশ্বাস করা দায়। অনেকে হয়তো জেনে অবাক হবেন যে, এই গেমসে বাংলাদেশের নাম উঁচু করে ধরেছেন এক নারী। রিদমিক জিমন্যাস্টিকসে গোটা বিশ্বের নজর কেড়েছেন এক বাংলাদেশি নারী। নাম মার্গারিতা মামুন। রিতা একজন ক্রীড়াবিদ, রিদমিক জিমন্যাস্ট। তিনি অবশ্য বাংলাদেশের হয়ে খেলছেন না। খেলছেন রাশিয়ার হয়ে। তার বাবা বাংলাদেশি ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল্লাহ আল মামুন। কিন্তু মা রাশান, আন্না মামুন। রিতা কি বাংলাদেশকে চেনেন না। না চিনেন। তিনি বাংলাদেশে এসেছিলেন অনেকবার। ভাঙ্গা ভাঙ্গা বাংলাও বলতে পারেন। রাশিয়ার রিদমিক জিমন্যাস্ট দলের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সদস্য রিতা। ১৯৯৫ সালের ১ নভেম্বর জন্ম নেয়া রিতা সাত বছর বয়স থেকেই রিদমিক জিমন্যাস্টিকস চর্চা শুরু করেন। রিতা জুনিয়র হিসেবে অনেকগুলো আন্তর্জাতিক টুর্নামেন্টে অংশ নিয়েছেন। ২০০৫ সাল থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গণে বিচরণ তার। জুনিয়র পর্যায়ে বাংলাদেশের হয়েও প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছেন তিনি। তবে এক পর্যায়ে রাশিয়ার হয়েই এগিয়ে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন রিতা। ২০১১ সাল থেকে রিতার জীবনে উল্লেখযোগ্য সাফল্য আসতে শুরু করে। ওই বছর রাশিয়ার চ্যা¤িপয়নশিপে হুপ ও বলে অল-অ্যারাউন্ড চ্যা¤িপয়ন হওয়ার মধ্য দিয়ে জাতীয় দলে সুযোগ পান। ২০১১ সালে মন্ট্রিল ওয়ার্ল্ড কাপে অংশ নিয়ে ১০৬.৯২৫ পয়েন্ট অর্জন করে অল-অ্যারাউন্ডে ব্রোঞ্জ পান রিতা। আর বল ফাইনালে ২৭.০২৫ পয়েন্ট নিয়ে স্বর্ণ জিতে প্রথম স্থান অধিকার করেন। উইকিপিডিয়ায় প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী রিতা রিদমিক জিমন্যাস্টিকসের ২০১৪ সালের ওয়ার্ল্ড চ্যা¤িপয়নশীপে সবমিলিয়ে সিলভার মেডেলিস্ট এবং ২০১৩ সালের ওয়ার্ল্ড কাপ ফাইনালেঅল অ্যারাউন্ড’ চ্যা¤িপয়ন। রিতাকে বলা হয় ‘বাংলার বাঘিনী।’ আর এই খেতাব তাকে দিয়েছেন তার রুশ কোচ ইরিনা ভিনের। রাশিয়ার গণমাধ্যমেও রিতাকে ‘বাংলার বাঘিনী’ হিসেবেই উল্লেখ করা হয়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.