পালিত হচ্ছে জাতীয় আয়কর দিবস
বর্ণাঢ্য ও জমকালো আয়োজনের মধ্য দিয়ে ‘সুখী দেশ গড়তে ভাই, আয়করের বিকল্প নাই’ এই প্রতিপাদ্য নিয়ে আজ সারাদেশে পালিত হচ্ছে আয়কর দিবস। এ উপলক্ষে সকাল সাড়ে ৮টায় বর্ণাঢ্য র্যালির উদ্বোধন করেন অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আব্দুল মুহিত। উদ্বোধনী বক্তব্যে অর্থমন্ত্রী বলেন, কীভাবে আরও বেশি আয়কর আদায় করা যায়, সে প্রচেষ্টা থাকবে সরকারের।
র্যালিটি জাতীয় রাজস্ব ভবনের সামনে থেকে শুরু হয়ে শিল্পকলা একাডেমি, মৎস্যভবন, প্রেসক্লাব হয়ে রাজস্ব ভবনের সামনে গিয়ে শেষ হয়।
এবারের আয়কর দিবসের স্লোগান ‘সমৃদ্ধির সোনালি দিন, আনতে হলে আয়কর দিন’। আয়কর দিবস পালনের পর আগামীকাল ১৬ই সেপ্টেম্বর থেকে ২২’শে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে আয়কর মেলা। জেলা শহরগুলোতে করমেলা হবে ৪ দিন। আর এবারই প্রথমবারের মতো ৮৬টি উপজেলায় অনুষ্ঠিত হবে এ মেলা। জনগণকে কর দিতে উৎসাহিত করতেই দেশজুড়ে করদিবস ও সপ্তাহব্যাপী করমেলার আয়োজন করা হয়েছে।
এদিকে, বিভাগীয় শহরগুলোতে বর্ণাঢ্য র্যালি ও নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে পালিত হচ্ছে জাতীয় আয়কর দিবস।
চট্টগ্রাম: জাতীয় আয়কর দিবস উপলক্ষে বন্দর নগরী চট্টগ্রামে বর্ণাঢ্য র্যালি হয়েছে। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ৯টায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে র্যালির উদ্বোধন করেন গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রী ইঞ্জিনিয়ার মোশাররফ হোসেন। র্যালিটি শহরের আগ্রাবাদের সরকারি কার্যভবন-২ এর সামনে থেকে থেকে শুরু হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে আয়কর ভবনে গিয়ে শেষ হয়। আয়কর বিভাগের কর্মকর্তা কর্মচারীরা এতে অংশ নেন। এদিকে ‘সুখী স্বদেশ গড়তে চাই, আয়করের বিকল্প নাই’ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে এই আয়কর মেলার আয়োজন করা হয়েছে।
সিলেট: এদিকে, আয়কর দিবস উপলক্ষে সিলেটেও বর্ণাঢ্য র্যালির আয়োজন করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে এ র্যালির উদ্বোধন করেন সংসদ সদস্য মাহমুদুস সামাদ চৌধুরি। র্যালিটি হাউজিং এস্টেটের কর কমিশনার কার্যালয় থেকে বের হয়ে নগরীর আম্বরখানা, চৌহাট্টা ঘুরে রিকাবী বাজারের কবি নজরুল অডিটোরিয়ামে এসে শেষ হয়। সিলেটের কর কমিশনার জানান, ৩’শ ৩২ কোটি টাকার লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে।
রাজশাহী: নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে রাজশাহীতেও পালিত হয়েছে আয়কর দিবস। মঙ্গলবার সকাল ৯টায় হোসনিগঞ্জ এলাকা থেকে বর্ণাঢ্য র্যালি বের হয়। র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে কর ভবনের সামনে শেষ হয়। এর আগে বেলুন উড়িয়ে র্যালির উদ্বোধন করা হয়।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর
