বাঁচার তীব্র আকুতি শিশু মারুফার
রংপুর সংবাদদাতা: দু’চোখের কোনা বেয়ে টপ টপ করে পানি পড়ছে তৃতীয় শ্রেণীর মেধাবী ছাত্রী মারুফা আক্তারের। অঝোরে কাঁদছে আর বলছে আমি বড় হতে চাই! খেলতে চাই! পড়ালেখা করে দেশের কল্যাণে কাজ করতে চাই! আপনারা আমাকে বাচান। আমি বাঁচতে চাই। মাদ্রাসায় যেতে চাই। আমি খুব কষ্টে আছি। সারাদিন শরীর ও মাথা খুব ব্যাথা করে। বুক ধড়পড় করে, নিশ্বাস বন্ধ হয়ে আসতে চায় আমি খুব কষ্টে আছি।
মারুফা আক্তারের বাড়ী রংপুর মহানগরী ৩২নং ওয়ার্ডের মিলনপাড়া জিয়াতপুকুর এলাকায়। সে আমিরুর ইসলাম ও বেলী আক্তার দম্পতির একমাত্র কন্যা। জিয়াতপুকুর মাজার শরীফ দাখিল মাদ্রাসার তৃতীয় শ্রেণীর ছাত্রী এবং প্রথম স্থান অধিকারী। প্রায় ৩ বছর যাবৎ থ্যালাসিমিয়া রোগে আক্রান্ত। মারুফার দরিদ্র পিতা মেয়ের চিকিৎসা করাতে গিয়ে নিজের সর্বস্থ হারিয়েছেন।এমনকি বসতবাড়ীর ৩ শতক জমিও বিক্রি করে রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,প্রাইম মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন ভাবে মেয়ের চিকিৎসায় ব্যয় করেছেন।
মারুফার পিতা আমিরুল ইসলাম জানান, আমার ২ ছেলে ও ১ মেয়ে নিয়ে সুখের সংসার ছিল। হঠাৎ করে মেয়েটার থ্যালাসিমিয়া রোগ দেখা দিলো। মেয়ের চিকিৎসার পিছনে জমি বাড়ীসহ প্রায় ৪ লক্ষ টাকা খরচ করেছি। আমি এখন আর পারছিনা । ভাড়ায় চালিত অটো চালিয়ে কোন মতে জীবন যাপন করছি। বড় ছেলে পাভেল জিয়াতপুকুর মাদ্রাসায় অষ্টম শ্রেণীতে পড়ে ও ছোট ছেলে আসাদুজ্জামান ৬ মাস বয়সী। এখন কিভাবে মারুফার চিকিৎসা করাবো বুঝে উঠতে পারছিনা। প্রতি মাসে রক্ত দিতে হয়। ঔষধপত্রতো আছে। ডাক্তার বলেছে বিদেশে নিতে হবে। এজন্য ১০/১২ লক্ষ টাকার প্রয়োজন। যা আমার পক্ষে সংগ্রহ করা সম্ভব নয়। এজন্য দেশের প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রপতি ও রাজনীতিবীদ, সমাজের বিশিষ্ট শিল্পপতিসহ দেশবাসীর নিকট সাহায্যের আবেদন করছি। আপনারা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিলে ৭ বছরের একটা শিশু তার জীবন নতুন রুপে ফিরে পাবে। মারুফাকে সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা: অগ্রণী ব্যাংক লিমিটেড,সেন্ট্রাল রোড শাখা, রংপুর। সঞ্চয়ী হিসাব নাম্বার ১৪৯৮৬।বিকাশ ০১৭৫২০৬৮০৯১(মারুফার পিতার নম্বর)।