Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

ফেসবুকে Like, Recommend, Share বাটনের অর্থ কী?

facebookরকমারি ডেস্ক:
সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ফেসবুক কোনো ঘটনা বা স্ট্যাটাসের ব্যাপারে নিজস্ব প্রতিক্রিয়া জানানোর কিছু প্রতীকী বাটন যুক্ত করেছে। এর মধ্যে Share, Like সবচেয়ে পুরনো। ব্যবহারকারীদের চাহিদা বিবেচনায় পরে ডিসলাইক বাটনটিও আনার কথা ভেবেছিলেন মার্ক জুকারবার্গ কিন্তু পরে তা নাকচ করে দিয়েছেন। এতো গেল একেবারে ব্যক্তিগত অ্যাকাউন্টের ক্ষেত্রে স্ট্যাটাস, কমেন্ট বা যেকোনো কন্টেন্টের বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানানোর ব্যাপার। কিন্তু অন্য কোনো ওয়েবসাইট বা বিশেষ করে যারা তথ্য সরবরাহের কাজ করে যেমন: পত্রিকা তাদের ক্ষেত্রে শুধু এই লাইক আর শেয়ার বাটন যথেষ্ট নয়। এমনকি কখনো কখনো উপযুক্তও নয়।
যেমন: নিউজ ওয়েবসাইট থেকে যখন শোকের সংবাদ ফেসবুক পাতায় পোস্ট করা হয় তখন পাঠকরা এতে লাইক (Like) দিতে বিব্রতবোধ করেন। এ নিয়ে এযাবৎ বহু পাঠক হাস্যরস এবং একই সাথে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। কারণ মৃত্যু সংবাদে লাইক দেয়াটা নিশ্চয়ই কারো কাছে পছন্দনীয় হবে না।
ঠিক এই কারণেই ফেসবুক Recommend নামে একটি বাটন নিয়ে এসেছে। শোক সংবাদ বা খারাপ খবরে পাঠক লাইক দিতে বিব্রতবোধ করলে খবরটি বন্ধুকে পড়ার জন্য পরামর্শ দিতে পারে। আর এ জন্যই আজকাল অনলাইন পত্রিকাগুলো (Like) এর বদলে Recommend বাটনটি বেছে
নিচ্ছে। তাদের ওয়েবসাইটে ফেসবুক Like/Recommend বাটন এমবেড করতে চান তখন তাদের দুটির যেকোনো একটি বেছে নেয়ার সুযোগ দেয়া হয়। আর সঙ্গত কারণেই এখন অনলাইন নিউজ সাইটগুলোর প্রোগ্রামাররা নিরপেক্ষ চরিত্রের Recommend বাটনটিকেই বেছে নিচ্ছেন।
প্রোগ্রামের দিক থেকে Like এবং Recommend বাটনের মধ্যে মূলত কোনো পার্থক্য নেই। ব্যবহারকারীদের ক্ষেত্রেও এদু’টোর আলাদা কোনো অর্থ নেই। এখানে লাইক দিয়ে বন্ধুদের না জানানোর বদলে রিকমেন্ড করে তাদের পড়তে পরামর্শ দেয়া হয় মাত্র। ফলে যেকোনো ধরনের সংবাদে (পোস্টে) বাটনটি ব্যবহার করা যায়।
অন্যদিকে Share বাটনটি আসলে Like এবং Recommend বাটনের অগ্রজ। বিশেষ করে নিউজ সাইটগুলোর ক্ষেত্রে এর ব্যবহার অনেক কমে গেছে। হয়তো একসময় থাকবেই না। সামাজিক যোগাযোগের বিশ্লেষকদের মতে, শেয়ার বাটন নতুন বাটনগুলোর সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না। এটি ক্রমেই জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে। এর প্রধান কারণ, ব্যবহারকারীদের অনুভূতিতে পার্থক্য। যেমন: শেয়ার করাটা অনেকটা কাজ করার মতো আর লাইক বা রিকমেন্ড করা যেন একটা খেলা যা অক্লেশে উপভোগ্য।

Leave A Reply

Your email address will not be published.