Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

কচুয়ায় শাশুড়িকে কুপিয়ে হত্যা, আহত ২

কচুয়া প্রতিনিধি, চাঁদপুর:
কচুয়া উপজেলা গোহট দক্ষিণ ইউনিয়নের পাড়াগাঁও ফকির বাড়ী গ্রামের জামাই সোহাগ শাশুড়ি খোদেজা বেগমকে (৪৫) কুপিয়ে ঘটনাস্থলে মস্তক প্রায় বিছিন্ন করে হত্যা করে, স্ত্রী শারমিন (১৮) ও তার বড় বোনের ছেলে সোহাগকে (১৫) কুপিয়ে রক্তাক্ত জখম করেছে।
জানা যায় বৃহস্পতিবার রাত ৮ টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই এলাকাবাসী জামাই সোহাগকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের নিকট সোপর্দ করে এবং পুলিশ খোদেজার লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য চাঁদপুর মর্গে প্রেরণ করে। শারমিন ও তার বোনের ছেলে সোহাগ কুমিল্লা কুচাতলী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যুর সঙ্গে পাঞ্জা লড়ছে।
সরেজমিন গিয়ে জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের শিকার খোদেজা বেগমের মেঝো মেয়ে শারমিন প্রায় ৬ মাস পূর্বে চট্টগ্রামের একটি গার্মেন্টসে চাকুরি করার সুবাদে সোহাগ নামে এক ছেলের সাথে পরিচয়ের পর প্রেমের সম্পর্কে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়। খোদেজা বেগম অসহায় স্বামী সন্তানদের নিয়ে পাড়াগাও গ্রামে তার পৈত্রিক সম্পত্তিতে বসবাস করে আসছে। খোদেজার স্বামী জয়নাল আবেদীন মোল্লা জানান, প্রায় দু’মাস পূর্বে একটি নতুন টিন সেড ঘর উত্তোলন করলে ঘাতক সোহাগ মেয়েকে আমার বাড়িতে এনে রাখে। মাঝে মধ্যে সোহাগ আসা যাওয়া করলে তার উপর আমার সন্দেহ হয় এবং তার চলাফেরা কথাবার্তা খুবই উচ্ছৃঙ্খল ছিল। এক পর্যায়ে পাশাপাশি পালগিরি গ্রামের ডলার ও বিদেশি সামগ্রী ব্যবসায়ী হারুনের কাছ থেকে সোহাগ ৯০ হাজার টাকার মালামাল বাকিতে নিলে সে না দেয়ায় মেয়ের সুখ শান্তির জন্য আমাকে পরিশোধ করতে হয়েছে। এতেও সে ক্ষান্ত না হয়ে মোবাইল ফোনে তাকে আরও টাকা দেয়ার জন্য চাপ সৃষ্টি করে এবং টাকা না দিলে পরিবারের সকলকে হত্যা করবে বলেও হুমকি দেয়। জয়নাল আরও জানান, তাদের বিয়ের কাবিননামা এবং তার বাড়ি ঘরের পরিচয় জানতে চাইলেও বিভিন্ন তালবাহানা করায় আজ থেকে প্রায় ১৫ দিন পূর্বে তাকে আটকালে পাড়াগাঁও গ্রামে একটি শালিস বৈঠক বসে। বৈঠকে এক সপ্তাহের মধ্যে তাদের কাবিননামাসহ বায়োডাটা সোহাগ উপস্থাপন করার জন্য মাতব্বররা সময় বেঁধে দেয়। কিন্তু এর মধ্যে ঘাতক সোহাগ ঘটনার দিন বাড়িতে এসে অতর্কিতভাবে রামদা দিয়ে কুপিয়ে স্ত্রী খোদেজাকে হত্যা, মেয়ে শারমিন ও নাতি সোহাগকে রক্তাক্ত জখম করেছে। ঘটনার সময় খোদেজার স্বামী জয়নাল বাড়িতে ছিল না। পুলিশ জানায়, ঘাতক সোহাগের গ্রামের বাড়ি বরগুনা জেলার পাথরঘাটা। এ ব্যাপারে খোদেজার বড় পুত্র জসিম উদ্দীন বাদী হয়ে কচুয়া থানায় একটা হত্যা মামলা দায়ের করেছে যার মামলা নং- ৫, তারিখ ১৭ এপ্রিল ২০১৫।

Leave A Reply

Your email address will not be published.