Connecting You with the Truth
ওয়েব ডিজাইন
গ্রাফিক্স
এসইও
ফেসবুক বুস্ট
📞 01757-856855
অর্ডার করুন »

হাতীবান্ধায় বোরো ধান ক্ষেতে ব্লাস্ট রোগের আক্রমণ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি

হাতীবান্ধা প্রতিনিধি, লালমনিরহাট:
লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলায় এবারের ইরি-বোরো ধান ক্ষেতে ব্যাপকহারে ব্লাস্ট রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। রোগের লক্ষণ হিসেবে দেখা যায়, আক্রমণে শীষের গোড়া পচে সাদা ও তামাটে বর্ণের হয়ে গেছে। শেষ সময়ে ধানের শীষ শুকিয়ে সাদা ও পাকার মতো হয়ে যাচ্ছে। দেখে মনে হয় ধান পেকেছে। এ ঘটনায় কৃষকরা হতাশাগ্রস্ত হয়ে পড়েছেন।
কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, এবারের ইরি-বোরো ধানের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ১১ হাজার ৩ শত ১৫ হেক্টর, কিন্তু অর্জিত হয় ১০ হাজার ৫ শত ৫০ হেক্টর। ধারণা করা হচ্ছে ব্লাস্ট রোগে ধানের ক্ষতি সাধিত না হলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ফলন বেশি হতো।
সরেজমিনে গিয়ে উপজেলার গড্ডিমারী ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য জাকির হোসেন, সিংগীমারী গ্রামের আজিজুল হক, আ. রশিদ, বাড়াইপাড়া গ্রামের ওয়ালিউল্লাহ, রফিকুল ইসলামের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, অনেক টাকা খরচ করে এবারে জমিতে ইরি-বোরা ধান লাগানো হয়। ধান ক্ষেতে শীষ দেখে আনন্দে বুক ভরে যায়, ক্ষেতে শীষ বের হওয়া শেষ হয়। কিন্তু অসময়ে শীষ শুকিয়ে সাদা ও পাকার মতো হয়ে পড়েছে। এর ক্ষতি পুষিয়ে উঠা তাদের জন্য কষ্টকর। হাতীবান্ধা উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ২৮ জাতের বোরো ধান ক্ষেত ব্লাস্টার রোগে আক্রান্ত হয়েছে।
এ ব্যাপারে হাতীবান্ধা উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন বলেন, এটি ছত্রাকজনিত রোগ। বীজের কারণে এ রোগের সৃষ্টি হয়। অনেক কৃষক অসচেতনতার কারণে ব্র্যাক’র বীজ দিয়ে আবাদ করায় এ ক্ষতি হয় বলে দাবি করেন কৃষি কর্মকর্তা। কিন্তু ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকরা বলছেন ভিন্ন কথা। তারা বলেন, ক্রয়কৃত বীজের প্যাকেটে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশন বা বিএডিসি লেখা ছিল। এ রোগে কৃষকদের ফসলের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি সাধিত হলেও এলাকায় দেখা যায় নি কৃষি বিভাগের কোন মাঠ কর্মীদের- এ অভিমত কৃষকদের।
এ রোগ নিরোধে কার্যকরী ব্যবস্থা ও বীজের গুণগত মান সঠিক রাখার ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন কৃষকরা।

Leave A Reply

Your email address will not be published.