Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

উত্তেজনা নিরসনে চুক্তিবদ্ধ দুই কোরিয়া

উত্তেজনা নিরসনে চুক্তিবদ্ধ দুই কোরিয়া

আন্তর্জাতিক ডেস্ক : পরিস্থিতির ব্যাপারে যোগাযোগ রক্ষায় সম্মত হওয়ার পর এবার কোরীয় উপদ্বীপে উত্তেজনা নিরসনে চুক্তিবদ্ধ হয়েছে দুই কোরিয়া।  মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তা প্রধান কিম কুয়ান-জিন চুক্তির বিষয়টি জানান।

চুক্তি অনুযায়ী, তাৎক্ষণিকভাবে সীমান্তে লাউডস্পিকারে উত্তর কোরিয়া বিরোধী প্রচারণা বন্ধ করবে দক্ষিণ। আর সাম্প্রতিক এই সামরিক উত্তেজনায় দক্ষিণ কোরিয়াকে ক্ষমা করে দেবে উত্তর।

সিউলভিত্তিক সংবাদ সংস্থা ইয়োনহাপ জানিয়েছে, এরই মধ্যে সীমান্তে প্রচারণা বন্ধ হয়েছে। উত্তর কোরিয়ার সরকারও নিজ ভূখণ্ডে জারি করা ‘যুদ্ধাবস্থা’ প্রত্যাহার করে নিয়েছে। সেই সঙ্গে ল্যান্ডমাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় দক্ষিণ কোরীয় সেনা হতাহতের ঘটনায় নিন্দা জানিয়েছে।

এর আগে সীমান্তে স্থল মাইন বিস্ফোরণের ঘটনায় পিয়ংইয়ংকে দায়ী করে সীমান্তে লাউডস্পিকারে উত্তর কোরিয়া বিরোধী ‘প্রচারণা’ শুরু করে সিউল। দক্ষিণ কোরিয়ার এ ধরনের পদক্ষেপে উত্তেজিত হয়ে পড়ে পিয়ংইয়ং। সিউলকে ‘আগুনের সাগরে’ পরিণত করারও হুমকি দেয় উত্তর কোরিয়া। এতেও কোনো লাভ না হলে শেষ পর্যন্ত দক্ষিণ কোরিয়ার সীমান্তে গোলাবর্ষণ করে পিয়ংইয়ং সেনারা। সেই সঙ্গে গত বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) ‘প্রচারণা’ বন্ধ করতে সিউলকে ৪৮ ঘণ্টার সময় বেধে দেয় উত্তর কোরিয়া।

শনিবার (২২ আগস্ট) ‘ডেডলাইন’ শেষ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা আগে নাটকীয়ভাবে আলোচনায় রাজি হয় দুই কোরিয়া। সীমান্তবর্তী ‘যুদ্ধবিরতি গ্রাম’ বলে পানমুনজন-এ আলোচনায় বসেন দুই দেশের শীর্ষ কর্মকর্তারা। এতে দক্ষিণ কোরিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দেন দেশটির একত্রীকরণ বিষয়ক মন্ত্রী হং ইয়ং-পিও ও জাতীয় নিরাপত্তা অধিদফতরের প্রধান কিম কুয়ান-জিন। আর উত্তর কোরিয়ার পক্ষে নেতৃত্ব দেন শীর্ষ সেনা রাজনৈতিক কর্মকর্তা হুয়াং পিয়ং-সো ও ওয়ার্কার্স পার্টির সেক্রেটারি কিম ইয়ং-গন।

হুয়াং পিয়ং-সো কিম জং-উনের পর উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় শীর্ষ ব্যক্তিত্ব ও কিম ইয়ং-গন দক্ষিণ কোরিয়ার সঙ্গে সম্পর্ক বিষয়ক বিভাগের প্রধান বলে পরিচিত।

আলোচনায় নেতারা যেকোনো পরিস্থিতিতে যোগাযোগ রক্ষায় সম্মত হয়ে প্রথম দিনের মতো বৈঠক শেষ করেন। রোববার (২৩ আগস্ট) ও সোমবারও (২৪ আগস্ট) চলে এ আলোচনা। এরপরই চুক্তিতে যায় দুই কোরিয়া।

বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর

Leave A Reply

Your email address will not be published.