রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানে সৌদির সাথে মিল রেখে আগাম ঈদ উদযাপন

রংপুর ব্যুরো: রংপুর বিভাগের বিভিন্ন স্থানে সৌদির সাথে মিল রেখে ঈদ উদযাপিত হয়েছে। এর মধ্যে লালমনিরহাটের কয়েকটি গ্রামের নারী-পুরুষসহ ১০০ পরিবার ঈদ উৎসব ও ঈদের নামাজ পড়েছেন । গতকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে লালমনিরহাটের কালীগঞ্জ উপজেলার মন্সিপাড়া ঈদের নামাজ পরিচালনা করেন জামাতের খতিব মওলানা ইমান আলী।
প্রতি বছর সৌদি আরবের সাথে সঙ্গতি রেখে একদিন আগে যেমন রোজা রাখতে শুরু করেন। তেমনি ঈদ উৎসব ও ঈদের নামজ পালন করেন একদিন আগে। তবে সকাল থেকে বৃষ্টি হওয়ার কারণে মন্সিপাড়ার একটি মসজিদে এ ঈদের নামাজ আদায় করেন সেখানকার মুসল্লিরা।
এলাকাগুলো হচ্ছে, তুষভান্ডার, সুন্দ্রহবী,কাকিনা, চাপারহাট, চন্দ্রপুর, আমিনগঞ্জ। ঈদের জামায়তে প্রায় ১০০ জন ঈদের জামায়াত পালন করেন । অন্যদিকে নারীদের জন্য নামাজ ও ঈদ উৎসবের আলাদা ব্যাবস্থা করেন।
কালীগঞ্জ উপজেলার হাড়িশহরের মুন্সিপাড়ার ঈদগাহ মাঠের সভাপতি মওলানা আব্দুল আজিজ ও জামাতের খতিব মওলানা ইমান আলী বলেন, সৌদি আরবের সংঙ্গে মিল রেখে বিগত কয়ক বছর থেকে এই এলাকায় ঈদুল ফিতর,ঈদুল আজহা,শবে-কদর,শবে মেরাজসহ বিভিন্ন ধর্মীয় অনুষ্ঠান পালন করে আসছেন এলাকার মানুষ।
এছাড়া সৌদি আরবের সাথে সঙ্গতি রেখে বুধবার দিনাজপুরের ২৬টি গ্রামে উদযাপিত হয়েছে, ঈদ-উল-ফিতর। সকাল ৯টায় ঈদের প্রধান জামাতটি অনুষ্ঠিত হয় দিনাজপুর শহরের পার্টি সেন্টারে। এতে ইমামতি করেন হাফেজ মোহাম্মদ হিজবুল্লাহ। ঈদের এই প্রধান জামাতে অংশ নেয়,নারী,পুরুষ,শিশুসহ প্রায় আড়াই শতাধিক মানুষ। নারীদের জন্য আলাদা ব্যবস্থা করা হয়।
অন্যদিকে চিরিরবন্দর, বীরগঞ্জ,বিরামপুর উপজেলার বেশ কিছু গ্রামে আগাম পালিত হয়েছে ঈদ-উল-ফিতর। দিনাজপুর সদরসহ এই ৪টি উপজেলার প্রায় ২৬টি গ্রামে ঈদ-উল-ফিতর উদযাপিত হয়। নামাজ শেষে কোলাকুলি ও বাড়িতে ফিরে সেমাইসহ উন্নত মানের খাবার খায় তারা।
এদিকে কুড়িগ্রামের রাজিবপুর উপজেলার ৩ গ্রামের মানুষ আজ বুধবার ঈদুল ফিতর উৎযাপিত হয়েছে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে ওই তিন গ্রামের মানুষ প্রতি বছর রোজা ও ঈদ উৎযাপন করে থাকে।
উপজেলার দিয়ারার চর, করাতিপাড়া ও ডাটিয়ারচর নামক ওই তিন গ্রামের মানুষ আজ বুধবার সকাল ১০টায় ঈদের নামাজ আদায় করেন-এমনটাই জানিয়েছেন দিয়ারার চর গ্রামের পল্লী চিকিৎসক আবু হান্নান। উল্লেখ্য তারা রোজাও পালন করেন সৌদি আরবের সাথে।