Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

বিষখালির ভাঙনে আতঙ্কে সহস্রাধিক মানুষ

river damageঝালকাঠি প্রতিনিধি:
ঝালকাঠির রাজাপুরে বিষখালি নদীর ভাঙন অব্যাহত থাকায় আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন সহস্রাধিক মানুষ। অব্যাহত ভাঙনে গত দুই দিনে বাদুরতলা ও বড়ইয়া গ্রামের তিন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও নয় বসত ঘরসহ প্রায় পাঁচ একর জমি নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। এছাড়া, উপজেলার বাদুরতলা বাজার এলাকার কালভার্ট ও বাজার রক্ষায় এলজিইডি’র পাকা সড়ক ভাঙনের কবলে পড়ে নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে। ভাঙন অব্যাহত থাকায় ওই সব গ্রামের সহস্রাধিক মানুষ আতঙ্কের মধ্যে রয়েছেন।
সরেজমিনে দেখা গেছে, ক্ষতিগ্রস্ত নয়টি পরিবার সর্বস্ব হারিয়ে শিশু-সন্তানদের নিয়ে খোলা আকাশের নিচে দিন কাটাচ্ছেন। উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ছাড়া অন্য কেউ ক্ষতিগ্রস্তদের খোঁজখবর নেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। স্থানীয়রা জানায়, নদীর অব্যাহত ভাঙনে বিলীন হওয়া ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- বাদুরতলা বাজারের মান্নান হোসেনের ফার্মেসি, ওহাব মিয়ার ফার্নিচারের দোকান ও সমিল। ভাঙনে বড়ইয়া গ্রামের বেলায়েত হোসেন, রিজিয়া বেগম, হেমায়েত, হানিফ, সেলিম, রাজু আহমেদ, ইলিয়াচ খলিফা, জাকির হোসেন ও ডা. আব্দুল জলিলের বসতঘর বিলীন হয়ে গেছে। স্থানীয়রা আরো জানায়, বিষখালি নদীর দু’শ গজ দুরে ধ্বংসপ্রাপ্ত বাড়িগুলোর অবস্থান। বৃহ¯পতিবার বিকেল থেকে ভাঙন শুরু হয়। গভীর রাতে সুপারি বাগান, বড় আম ও রেইনট্রি গাছসহ বিভিন্ন গাছ নদীগর্ভে পড়ে যাওয়ার শব্দ পেয়ে ঘুম ভেঙে যায় তাদের। এ সময় ক্ষতিগ্রস্তরা চিৎকার করলে আশপাশের লোকজন এসে কিছু মালামাল সরিয়ে নেয়। কিন্তু খুব অল্প সময়ের মধ্যে ঘরগুলোসহ অন্যান্য মালামাল নদীগর্ভে চলে যায়। এতে নয়টি পরিবারের প্রায় ৩০ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। গতকাল পর্যন্ত চলমান ভাঙনে বিষখালি নদী তীরবর্তী বহু গ্রাম এবং প্রায় দেড় হাজার বিঘা জমি নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। ভাঙন রোধে পানি উন্নয়ন বোর্ড ও উপজেলা প্রশাসন এখন পর্যন্ত কার্যকর কোনো পদক্ষেপ গ্রহণ করেনি বলে অভিযোগ রয়েছে। বর্তমানে উপজেলার নাপিতেরহাট, মঠবাড়ি, সুন্দর, বাদুরতলা, চল্লিশ কাহনিয়া, বড়ইয়া ও উত্তর পালট গ্রামের কয়েক হাজার পরিবার হুমকির মুখে রয়েছে। এছাড়া, বাদুরতলা লঞ্চঘাটটি ভেঙে যাওয়ায় লঞ্চ তীরে ভীড়তে পারছে না। এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাহবুবা আক্তার জানান, ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছি। ভাঙনরোধে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করা হয়েছে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.