Connecting You with the Truth
প্রিমিয়াম ওয়েব হোস্টিং + ফ্রি ডোমেইন
সাথে পাচ্ছেন ফ্রি SSL এবং আনলিমিটেড ব্যান্ডউইথ!
অফারটি নিন »

- Advertisement -

স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের পুকুর সংস্কার

কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি:
বাংলাদেশ জেলা পরিষদ কর্মকর্তা ও কর্মচারী সমিতি কুড়িগ্রাম জেলা শাখার উদ্যোগে স্বেচ্ছাশ্রমে চলছে কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চত্ব¡রের পুকুর, প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের পিছন ও অফিস চত্ব¡রের ফুলবাগানে মাটি ভরাটকাজ।
‘একতাই বল’ এই শক্তিকে ধারণ করে গত কাল শনিবার সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শতাধিক মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে এ কাজ করেন।
জানা গেছে, কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদ চত্বরে ২১২ ফিট লম্বা ১’শ ফিট চওড়া ও ১২ফিট গভীর পুকুরটির সর্বশেষ সংস্কারের কাজ হয় ১৯৮৬ সালে। ফলে দীর্ঘদিন যাবৎ পুকুরটির নাব্যতাহীনতায় ভুগছিল। যে কারণে পুকুরটিতে মৎস্য উৎপাদনও সন্তোষজনক ছিল না। পুকুরটি সংস্কার ও মৎস্য চাষে উপযোগীকরণ এবং প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তার বাসভবনের পিছনে মাটি ভরাট করে মালভোগ কলা চাষের প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। এই পুকুরটি সংস্কার ও মাটি ভরাট করে কলাবাগান তৈরি করতে খরচ হতো প্রায় ৫ লক্ষ ৩৭ হাজার টাকা। যাহা স্বেচ্ছাশ্রমের মাধ্যমে সম্পন্ন করা সম্ভব হচ্ছে। এ ব্যাপারে কুড়িগ্রাম এলজিইডির সহযোগিতায পুকুরের পানি নিষ্কাশন ও তরল পলিমাটি উত্তোলন করেন। গত কাল সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত শতাধিক মানুষ স্বেচ্ছাশ্রমে কাজ করেন।
এসময় কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ফরিদুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কুড়িগ্রাম এসএম আবু হোরায়রা। অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন- জেলা তথ্য অফিসার মোজাম্মেল হক, বেলগাছা ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. মাহাবুবুর রহমান, জাসদ নেতা এমদাদুল হক এমদাদ, আ’লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক তাহমিনা আক্তার মিনা, আ’লীগ নেতা মো. আইয়ুব আলী। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন- স্থানীয় প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিক্স মিডিয়ার সাংবাদিকবৃন্দ। প্রধান অতিথি অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) এসএম আবু হোরায়রা স্বেচ্ছাশ্রম কাজের শুভ উদ্বোধন করেন। ভরাটকৃত জায়গাতে তিন শতাধিক কলাগাছ লাগানোর প্রকল্প হাতে নিয়েছেন। ইতোমধ্যে দেড় শতাধিক কলাগাছের চারা লাগানো হয়েছে।
কুড়িগ্রাম জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদুল ইসলাম প্রতিনিধিকে জানান, পুকুর সংস্কার করায় মাছের চাষ যেমন বৃদ্ধি পাবে এবং পলিমাটি দ্বারা নীচু জায়গা ভরাট করায় সেই মাটিতে পর্যাপ্ত সার থাকায় দেশীয় মালভোগ কলা উৎপাদনও ভাল হবে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.