Connect with us

ঢাকা বিভাগ

কালকিনির ধর্ষিতা শিশু হাসপাতালের বেডে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ॥ মামলা তুলে নিতে পরিবারকে হুমকি ॥ ৫ দিনেও ধরা পড়েনি ধর্ষক

Avatar photo

Published

on

shishu hotta BDPমাদারীপুর প্রতিনিধি ॥

ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বেডে সুয়ে যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে ধর্ষিতা ৩য় শ্রেণির স্কুল ছাত্রী। এ দিকে ঘটনার ৫ দিন পেরিয়ে গেলেও ধর্ষককে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
অন্যদিকে ধর্ষকের পরিবার প্রভাবশালী হওয়ায় শিশুটির পরিবারকে মামলা তুলে নেয়াসহ নানা ধরণের হুমকি দিচ্ছে বলে পারিবারিকভাবে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
এছাড়া শিশুটির যৌনাঙ্গে গুরুতর ক্ষতি হওয়ায় উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সহায়তা করতে এগিয়ে এসেছেন মাদারীপুরের ছেলে ইতালি প্রবাসী ওয়াদুদ মিয়া ওরফে জনি মিয়া।
পুলিশ, স্থানীয় ও পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মাদারীপুরের কালকিনির এনায়েতনগর ইউনিয়নের আলীপুর গ্রামে বাড়ির পাশে অন্য শিশুদের সাথে খেলা শেষে ঘরে ফেরার পথে রাস্তা দিয়ে আসার সময় প্রতিবেশী ইউনুস সরদার তৃতীয় শ্রেণির ছাত্রী ওই শিশুকে মুখ চেপে জোর করে পাশে পুকুর পারে একটি সরিষা খেতে নিয়ে যায়। এরপর তাকে জোর করে ধর্ষণ করে।
এই ঘটনায় শিশুটি রক্তাক্ত অবস্থায় বাড়িতে গিয়ে অসুস্থ্য হয়ে পড়ে এবং রক্তপাত শুরু হয়। লোক লজ্জার ভয়ে প্রথমে এই ঘটনাটি চেপে যেতে চাইলেও শিশু গুরুত্বর অসুস্থ্য হওয়ায় তাকে পরের দিন শুক্রবার সকালে মাদারীপুর সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। শিশুটির রক্তপাত বন্ধ না হলে তাকে দ্রুত ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। বর্তমানে সেখানে চিকিৎসাধীন আছে।
পরে ঘটনাটি এলাকায় জানাজানি হয়ে গেলে ধর্ষিতার পরিবার থেকে শুক্রবার রাতে কালকিনি থানায় ধর্ষণ করা করা হয়। মামলার পর থেকে আসামীর পরিবার মামলা তুলে নেয়াসহ নানা ধরণের হুমকি দিচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া যায়।
এদিকে শিশুটির উন্নত চিকিৎসার জন্য আর্থিক সমস্যার কথা শুনে মাদারীপুরের ছেলে ইতালী প্রবাসী ওয়াদুদ মিয়া ওরফে জনি মিয়ার পাঠানো ১০ হাজার টাকা শিশুটির মায়ের হাতে তুলে দেয়া হয়।
সোমবার দুপুরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে বসে জেলা প্রশাসক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস, ফ্রেন্ডস অভ নেচারের নির্বাহী পরিচালক রাজন মাহমুদ, সাংবাদিক শাহজাহান খান ও আয়শা সিদ্দিকা আকাশীর উপস্থিতিতে এই টাকা দেয়াসহ শিশুটির ব্যাপারে সকল ধরণের সহযোগিতার আশ্বাস দেয়া হয়।
এসময় শিশুটির মা কেদে কেদে বলেন, ২০১১ সালে আমার স্বামী মারা যায়। এর পর মানুষের বাসায় কাজ করে ছেলে-মেয়েদের পড়ালেখার খরচসহ সংসারের সব খরচ যোগার করতে হয়। আমার মেয়ের চিকিৎসার জন্য এই ১০ হাজার টাকা আমার খুব উপকারে আসবে। তাছাড়া আসামীর পক্ষের লোকজন আমাকে মামলা তুলে নেয়ার জন্য হুমকিসহ বাড়িঘর ছেড়ে চলে যাবার জন্য ভয়ভীতি দেখাচ্ছে। এমনকি তারা আমার স্বামীর ভিটাটাও দখল করার চেষ্টা করছে। আমরা খুব ভয়ের মধ্যে আছি।
শিশুটির মা আরো জানান, আমরা গ্রামের মানুষ। আমাদের মান সম্মান সব শেষ হয়ে গেলো। মেয়ে বড় হলে কিভাবে বিয়ে দিবো তাও জানিনা। আমরা ঐ ধর্ষক ইউনুস সরদারের সুষ্ঠু বিচার চাই। যাতে করে আমার মেয়ের মতো এমন ঘটনার শিকার কারো হতে না হয়।
শিশুটির খালা ও খালু মোবাইল ফোনে জানায়, পূর্ব আলীপুর গ্রামের জব্বার সরদারের বখাটে ছেলে ইউনুস সরদারকে (৩০) প্রধান আসামী করে আরো ২জনকে অজ্ঞাত রেখে শুক্রবার রাতে শিশুটির মামা বাদী হয়ে মামলা করলেও এখন পর্যন্ত আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ।
মামলার বাদী ধর্ষিতার মামা বলেন, ‘এমন নোংড়া কাজ করে আবার হত্যার হুমকি দিচ্ছে ইউনুস ও তার পরিবার। আমরা দ্রুত এর বিচার চাই।’
একই এলাকার মুদি দোকানদার মো. মিরাজ হোসেন বলেন, ‘নিস্পাপ শিশুটির সাথে যে ব্যবহার করা হয়েছে অভিযুক্ত লম্পট ইউনুসের দৃষ্টান্তুমূলক শাস্তি চাই। ওর ফাঁসি চাই। যা দেখে অন্য কেউ যেন এমন জঘন্য কাজ না করতে পারে।’
মাদারীপুর মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা মাহ্মুদা আক্তার কণা বলেন, শিশুটি ধর্ষণের শিকার হবার পর থেকে খুব অসুস্থ্য। শিশুটিকে আইনী সহায়তাসহ চিকিৎসার ব্যাপারে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা করে দেয়া হবে।
মাদারীপুর নারী উন্নয়ন সংস্থা নকশি কাথার নির্বাহী পরিচালক আয়শা সিদ্দিকা বলেন, দ্রুত ধর্ষককে গ্রেফতার করে সুষ্ঠু বিচারের ব্যবস্থা করা হোক।
কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা কৃপা সিন্দু বালা বলেন, ‘কালকিনি থানায় ইউনুসকে প্রধান আসামী করে ধর্ষণ মামলা করেছে নির্যাতিত মেয়েটির মামা। ঘটনার পর থেকে ইউনুস ও তার পরিবারের লোকজন পলাতক রয়েছে। অভিযুক্তকে ধরতে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশা করছি দ্রুত গ্রেফতার করা সম্ভব হবে।’
এ ব্যাপারে জেলা প্রশাসক মো. কামাল উদ্দিন বিশ্বাস বলেন, ইতিমধ্যে শিশুটির চিকিৎসার ব্যাপারে ফরিদপুরের সিভিল সার্জনের সাথে কথা বলেছি। শিশুটির ব্যাপারে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

ঢাকা

১৬নং ওয়ার্ডের সফল কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা

Avatar photo

Published

on

আশিকুর রহমান:
এলাকার জনসাধারণের সেবা সুনিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পরপর দুইবারের নির্বাচিত ১৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী তিনি। বিগত দিনেও সফলতার সাথে ওয়ার্ডবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সফল কাউন্সিলর মোঃ মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা। জনসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগে কুড়িয়েছেন জনসাধারণের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

এলাকার সার্বিক উন্নয়ন অর্থাৎ জনসাধারণের চলাচলের অনুপযুক্ত রাস্তাঘাটা মেরামত, নির্মাণ ও প্রশস্তকরণ, ইউএনডিপি কর্তৃক কাজ বাস্তববায়ন, ড্রেন নির্মাণ, কবরস্থান নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, দূর্যোগকালীন ব্যবস্থাপনা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধিদের ভাতা প্রদান, ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, নগর মাতৃ সদন হাসপাতাল স্থাপন, নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন নিচু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাটি ভরাট, মসজিদ-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, বৃক্ষ রোপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে শিক্ষা উপকরণ প্রদান, সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন কার্যক্রমসহ জনকল্যাণমুখী নানাবিধ উন্নয়ন কার্মকান্ড বাস্তবায়ন করেন কাউন্সিলর মোঃ মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা।

এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখের পড়তে হয়েছে তাকে। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বাঁধা উপেক্ষা করে ওয়ার্ডকে সুন্দর, বাসযোগ্য ও ডিজিটাল করণের মাধ্যমে মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা জনসাধারণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রাখতে স্থানীয় জনগণ ভোটের মাধ্যমে মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসাকে জয়ী করার কথা জানান।

১৬নং ওয়ার্ডের স্থানীয় জনগণ জানায়, পরিচ্ছন্ন ও পরিশ্রমী ব্যক্তির দ্বারাই সমাজ পরিবর্তন হয়ে থাকে। সমাজ বা এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তির কোন বিকল্প নেই। ব্যক্তি হিসেবে কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসাকে পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন স্থানীয়রা। কর্মঠ, পরিশ্রমী, দক্ষ, সৎ, মেধাবী জনপ্রতিনিধি হিসেবে পুনরায় তাকে নির্বাচিত করতে চান তারা। তারা বলেন, বিগত দিনগুলোতে তার পরিশ্রমের কথা ভুলার নয়। আগে ৩নং ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট খানাখন্দে ছিল ভরা, চলাচলের জন্য একেবারেই ছিল অনুপযোগী। যার কারণে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসার দিন-রাত পরিশ্রমের ফলে এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। তিনি অতি অল্প সময়ে রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত করে চলাচলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। তারা বলেন, রাস্তাঘাট ছাড়াও তার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডগুলো চোখে পড়ার মত। একজন জনপ্রতিনিধির সকল গুণাবলি তার মধ্যে রয়েছে।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোসলেম উদ্দিন চৌধুরী মুসা, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ১৬নং ওয়ার্ডকে আধুনিকায়ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য একটি ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তার ধ্যান, জ্ঞান ও স্বপ্ন। সেই লক্ষ্যে তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেব বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন। পরবর্তী দ্বিতীয় নির্বাচনেও জনসাধারণ ভোটের মাধ্যমে তাকে কাউন্সিলর হিসেবে সাদরে গ্রহণ করে নেন।

তিনি বলেন, দুইবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ১৬নং ওয়ার্ডের লক্ষাধিক জনগণের নিরাপত্তা, চলাচলের জন্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, অসহায়কে সহায়তাদান, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, কবরস্থান নির্মাণ, নিরাপদে ঘরে ফেরার ব্যবস্থাসহ আরও নানারকম উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এলাকার জনসাধারণ উৎসাহ, সহযোগিতা ও পরামর্শ পেয়েছি। তাদেরকে আমি পাশে পেয়েছি। দেশের একজন সুনাগরিক ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার লক্ষ ও উদ্দেশ্যই ছিল, আমার নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে তাদের পাশে থাকার।

Continue Reading

গাজীপুর

জনসেবায় নিরলস কাজ করছেন গাজীপুর সিটির কাউন্সিলর শিরিষ

Avatar photo

Published

on

আশিকুর রহমান, গাজীপুর:
এলাকার জনসাধারণের সেবা সুনিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের পরপর দুইবারের নির্বাচিত ৪০নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আজিজুর রহমান শিরিষ। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনেও কাউন্সিলর প্রার্থী তিনি। বিগত দিনেও সফলতার সাথে ওয়ার্ডবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সফল কাউন্সিলর মোঃ আজিজুর রহমান শিরিষ। জনসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগে কুড়িয়েছেন জনসাধারণের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

এলাকার সার্বিক উন্নয়ন অর্থাৎ জনসাধারণের চলাচলের অনুপযুক্ত রাস্তাঘাটা মেরামত, নির্মাণ ও প্রশস্তকরণ, ইউএনডিপি কর্তৃক কাজ বাস্তববায়ন, ড্রেন নির্মাণ, কবরস্থান নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, দূর্যোগকালীন ব্যবস্থাপনা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধীদের ভাতা প্রদান, ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, নগর মাতৃ সদন হাসপাতাল স্থাপন, নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন নিচু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাটি ভরাট, মসজিদ-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, বৃক্ষ রোপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে শিক্ষা উপকরণ প্রদান, সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন কার্যক্রমসহ জনকল্যাণমুখী নানাবিধ উন্নয়ন কার্মকান্ড বাস্তবায়ন করেন কাউন্সিলর আজিজুর রহমান।

এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখের পড়তে হয়েছে তাকে। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বাঁধা উপেক্ষা করে ওয়ার্ডকে সুন্দর, বাসযোগ্য ও ডিজিটাল করণের মাধ্যমে আজিজুর রহমান শিরিষ জনসাধারণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রাখতে স্থানীয় জনগণ ভোটের মাধ্যমে আজিজুর রহমান শিরিষকে জয়ী করার কথা জানান।

৪০নং ওয়ার্ডের স্থানীয় জনগণ জানায়, পরিচ্ছন্ন ও পরিশ্রমী ব্যক্তির দ্বারাই সমাজ পরিবর্তন হয়ে থাকে। সমাজ বা এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তির কোন বিকল্প নেই। ব্যক্তি হিসেবে কাউন্সিলর মোঃ আজিজুর রহমান শিরিষকে পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন স্থানীয়রা। কর্মঠ, পরিশ্রমী, দক্ষ, সৎ, মেধাবী জনপ্রতিনিধি হিসেবে পুনরায় আজিজুর রহমানকে নির্বাচিত করতে চান তারা।

তারা আরও বলেন, বিগত দিনগুলোতে তার পরিশ্রমের কথা ভুলার নয়। আগে ৪০নং ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট খানাখন্দে ছিল ভরা, চলাচলের জন্য একেবারেই ছিল অনুপযোগী। যার কারণে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কাউন্সিলর মোঃ আজিজুর রহমান শিরিষর দিন-রাত পরিশ্রমের ফলে এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। তিনি অতি অল্প সময়ে রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত করে চলাচলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। তারা বলেন, রাস্তাঘাট ছাড়াও তার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডগুলো চোখে পড়ার মত। একজন জনপ্রতিনিধির সকল গুণাবলি তার মধ্যে রয়েছে।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোঃ আজিজুর রহমান শিরিষ জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ৪০নং ওয়ার্ডকে আধুনিকায়ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য একটি ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তার ধ্যান, জ্ঞান ও স্বপ্ন। সেই লক্ষ্যে তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেব বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন। পরবর্তী দ্বিতীয় নির্বাচনেও জনসাধারণ ভোটের মাধ্যমে তাকে কাউন্সিলর হিসেবে সাদরে গ্রহণ করে নেন।

তিনি বলেন, দুইবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ৪০নং ওয়ার্ডের লক্ষাধিক জনগণের নিরাপত্তা, চলাচলের জন্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, অসহায়কে সহায়তাদান, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, কবরস্থান নির্মাণ, নিরাপদে ঘরে ফেরার ব্যবস্থাসহ আরও নানারকম উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এলাকার জনসাধারণ উৎসাহ, সহযোগিতা ও পরামর্শ পেয়েছি। তাদেরকে আমি পাশে পেয়েছি। দেশের একজন সুনাগরিক ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার লক্ষ ও উদ্দেশ্যই ছিল, আমার নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে তাদের পাশে থাকার।

Continue Reading

গাজীপুর

আসন্ন সিটি নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে জনসেবা সুনিশ্চিত করতে চান কাউন্সিলর মোশারফ

Avatar photo

Published

on

আশিকুর রহমান, গাজীপুর:
এলাকার জনসাধারণের সেবা সুনিশ্চিত করতে নিরলসভাবে কাজ করে আসছেন গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের গত নির্বাচনে নির্বাচিত ২২ নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. মোশারফ হোসেন। গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের তৃতীয় ধাপের নির্বাচনে কাউন্সিলর প্রার্থী তিনি। বিগত দিনেও সফলতার সাথে ওয়ার্ডবাসীর সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রেখেছেন সফল কাউন্সিলর মো. মোশারফ হোসেন। জনসেবায় নিজেকে আত্মনিয়োগে কুড়িয়েছেন জনসাধারণের অকৃত্রিম ভালোবাসা।

উক্ত এলাকার সার্বিক উন্নয়ন অর্থাৎ জনসাধারণের চলাচলের অনুপযুক্ত রাস্তাঘাটা মেরামত, নির্মাণ ও প্রশস্তকরণ, ইউএনডিপি কর্তৃক কাজ বাস্তববায়ন, ড্রেন নির্মাণ, কবরস্থান নির্মাণ ও রক্ষণাবেক্ষণ, দূর্যোগকালীন ব্যবস্থাপনা, বয়স্ক ও প্রতিবন্ধিদের ভাতা প্রদান, ঈদগাহ মাঠের উন্নয়ন, নগর মাতৃ সদন হাসপাতাল স্থাপন, নিজস্ব অর্থায়নে বিভিন্ন নিচু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে মাটি ভরাট, মসজিদ-মাদ্রাসা ও বিভিন্ন সামাজিক প্রতিষ্ঠানে আর্থিক অনুদান, বৃক্ষ রোপন, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদানে শিক্ষা উপকরণ প্রদান, সুবিধা বঞ্চিত দরিদ্র জনগোষ্ঠীর উন্নয়ন কার্যক্রমসহ জনকল্যাণমুখী নানাবিধ উন্নয়ন কার্মকান্ড বাস্তবায়ন করেন কাউন্সিলর মোঃ মোশারফ হোসেন।

এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে নানা ধরনের ষড়যন্ত্রের মুখের পড়তে হয়েছে তাকে। ষড়যন্ত্রকারীদের সকল বাঁধা উপেক্ষা করে ওয়ার্ডকে সুন্দর, বাসযোগ্য ও ডিজিটাল করণের মাধ্যমে মোঃ মোশারফ হোসেন জনসাধারণের হৃদয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। এলাকায় উন্নয়ন কর্মকান্ড চলমান রাখতে স্থানীয় জনগণ ভোটের মাধ্যমে মোঃ মোশারফ হোসেন মোল্লাকে জয়ী করার কথা জানান।

২২নং ওয়ার্ডের স্থানীয় জনগণ জানায়, পরিচ্ছন্ন ও পরিশ্রমী ব্যক্তির দ্বারাই সমাজ পরিবর্তন হয়ে থাকে। সমাজ বা এলাকাকে পরিচ্ছন্ন রাখতে একজন পরিচ্ছন্ন ব্যক্তির কোন বিকল্প নেই। ব্যক্তি হিসেবে কাউন্সিলর মোশারফ হোসেনকে পরিচ্ছন্ন মনের অধিকারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন স্থানীয়রা। কর্মঠ, পরিশ্রমী, দক্ষ, সৎ, মেধাবী জনপ্রতিনিধি হিসেবে পুনরায় মোশারফ হোসেনকে নির্বাচিত করতে চান তারা। তারা বলেন, বিগত দিনগুলোতে তার পরিশ্রমের কথা ভুলার নয়। আগে ২২নং ওয়ার্ডের রাস্তাঘাট খানাখন্দে ছিল ভরা, চলাচলের জন্য একেবারেই ছিল অনুপযোগী। যার কারণে অনেক দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে। কাউন্সিলর মোশারফ হোসেনের দিন-রাত পরিশ্রমের ফলে এখন আর সেই ভোগান্তি নেই। তিনি অতি অল্প সময়ে রাস্তা নির্মাণ ও মেরামত করে চলাচলে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছেন। তারা বলেন, রাস্তাঘাট ছাড়াও তার উন্নয়ন মূলক কর্মকান্ডগুলো চোখে পড়ার মত। একজন জনপ্রতিনিধির সকল গুণাবলি তার মধ্যে রয়েছে।

ওয়ার্ড কাউন্সিলর মোশারফ হোসেন জানান, গাজীপুর সিটি কর্পোরেশনের ২২নং ওয়ার্ডকে আধুনিকায়ন, সুন্দর ও বাসযোগ্য একটি ওয়ার্ড হিসেবে গড়ে তোলাই ছিল তার ধ্যান, জ্ঞান ও স্বপ্ন। সেই লক্ষ্যে তিনি সিটি কর্পোরেশনের প্রথম নির্বাচনের কাউন্সিলর প্রার্থী হিসেব বিপুল ভোটে জয়যুক্ত হন। পরবর্তী দ্বিতীয় নির্বাচনেও জনসাধারণ ভোটের মাধ্যমে তাকে কাউন্সিলর হিসেবে সাদরে গ্রহণ করে নেন।

তিনি বলেন, দুইবারের নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে ২২নং ওয়ার্ডের লক্ষাধিক জনগণের নিরাপত্তা, চলাচলের জন্য রাস্তা-ঘাটের উন্নয়ন, অসহায়কে সহায়তাদান, বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা, কবরস্থান নির্মাণ, নিরাপদে ঘরে ফেরার ব্যবস্থাসহ আরও নানারকম উন্নয়নমূলক কর্মকান্ড বাস্তবায়ন করতে গিয়ে এলাকার জনসাধারণ উৎসাহ, সহযোগিতা ও পরামর্শ পেয়েছি। তাদেরকে আমি পাশে পেয়েছি। দেশের একজন সুনাগরিক ও জনপ্রতিনিধি হিসেবে আমার লক্ষ ও উদ্দেশ্যই ছিল, আমার নিজ এলাকার উন্নয়ন ও সাধারণ মানুষের সেবক হয়ে তাদের পাশে থাকার।

Continue Reading