Connect with us

আন্তর্জাতিক

৮২ বছর বয়সী বৃদ্ধ প্লেন নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে জরুরি অবতরণ করল প্লেন

Avatar photo

Published

on

August_2014-August_26-airplane_generic__sm_115916486বৃদ্ধ এক যাত্রীর পাগলামির কারণে অস্ট্রেলিয়ান প্লেন জরুরি অবতরণ করেছে। ৮২ বছর বয়সী এক ব্যক্তি প্লেনটির নিয়ন্ত্রণ নেওয়ার চেষ্টা করলে পাইলট অবতরণ করেন। এয়ারক্রাফট চার্টার কোম্পানি জানায়, যাত্রার মাঝপথে প্লেনের নিয়ন্ত্রণ নিয়ে ধস্তাধস্তির ঘটনাও ঘটেছে। 

পুলিশ জানায়, ব্যবসায়িক কাজে সিডনি থেকে সোমবার ওই বয়স্ক লোকটি চার-সিটার বিচক্রাফট ডাচেস প্লেনটি বরাদ্দ নেয়। কিন্তু মাঝপথেই তিনি অসঙ্গতিপূর্ণ আচরণ করতে থাকেন। কন্ট্রোল স্ট্রিক নিয়ে প্লেনের ইঞ্জিন বন্ধ করতে যান তিনি।

২৩ বছর বয়সী পাইলট বৃদ্ধ যাত্রীকে বিরত রাখার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে একটি মাঠে প্লেনটি অবতরণ করেন।

এয়ারক্রাফট কোম্পানি এক বিবৃতিতে জানায়, পাইলট বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দিয়েছে। তার পেশাদারিত্বের জন্য আমরা তাকে ধন্যবাদ জানাই।

পুলিশ ইন্সপেক্টর মার্ক ওয়াল জানান,  সিডনির এক হাসপাতালে মুখে সামান্য আঘাত নিয়ে বৃদ্ধ লোকটি ভর্তি আছেন। তার অবস্থা স্থিতিশীল। পাইলটকেও আচমকা এমন ঘটনার জন্য চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

তবে কেন লোকটি প্লেনের নিয়ন্ত্রণ নিতে চেয়েছিলেন তাৎক্ষণিকভাবে তা জানা যায়নি। পুলিশ ঘটনার তদন্ত করছে। 

Continue Reading
Click to comment

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Highlights

তুরস্কে তিন মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা

Avatar photo

Published

on

তুরস্কে তিন মাসের জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছেন দেশটির প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ান। সোমবারের বিধ্বংসী ভূমিকম্পে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত ১০টি প্রদেশে তিনি এ জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেন।

এরদোগান বলেছেন, দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে কেন্দ্রীভূত ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৩,৫৪৯ জন হয়েছে। এর ফলে উত্তর সিরিয়ার মানুষসহ নিহতের মোট সংখ্যা ৫,০০০-জনের বেশি হয়েছে।

টেলিভিশনে সম্প্রচারিত ভাষণে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট বলেন, তুরস্কের দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলে উদ্ধার কাজ দ্রুত সম্পন্ন করার বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য জরুরি অবস্থা ঘোষণা করা হয়েছে।

তিনি বলেন, জরুরি অবস্থা ঘোষণার মাধ্যমে ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলগুলোতে দ্রুত ত্রাণ কর্মীরা যেতে পারবেন। এছাড়া সেসব এলাকায় তাড়াতাড়ি আর্থিক সহায়তাও দেওয়া যাবে।

তবে এ বিষয়ে কোনো বিশদ বিবরণ দেননি এরদোয়ান। তিনি আরও জানিয়েছেন, ১৪ মে তারিখে নির্বাচনের ঠিক আগে জরুরি অবস্থার অবসান হবে।

সোমবার ভোরে সিরিয়ার সীমান্তের কাছে দক্ষিণ-পূর্ব তুরস্কে আঘাত হানা একটি বড় ধরণের ভূমিকম্পে হাজার হাজার মানুষ নিহত এবং বহু মানুষ আহত হয়েছে। তুরস্কের গাজিয়ান্তেপ শহরের কাছে ভূমিকম্পটি আঘাত হানার পর আরও বেশ কয়েকটি আফটারশক বা ভূমিকম্প-পরবর্তী কম্পন অনুভূতি হয়েছে। এর মধ্যে একটি কম্পন ছিলো মূল ভূমিকম্পের মতোই শক্তিশালী। এর আগে প্রায় ২০০ বছরে তুরস্কের ওই অঞ্চলে তেমন কোনো বড় ভূমিকম্প হয়নি।

এটি একটি বড় ধরণের ভূমিকম্প ছিলো। যার মাত্রা ছিলো ৭.৮, যেটিকে ‘ভয়াবহ’ হিসেবে শ্রেণীবদ্ধ করা হয়েছে। ফল্ট লাইন বরাবর প্রায় ১০০ কিলোমিটার ধরে এটি আঘাত হেনেছে এবং এর কারণে ভবনগুলোতে মারাত্মক ক্ষতি হয়েছে।

ইউনিভার্সিটি কলেজ লন্ডনের ইনস্টিটিউট ফর রিস্ক অ্যান্ড ডিজাস্টার রিডাকশনের প্রধান অধ্যাপক জোয়ানা ফাউর ওয়াকার বলেছেন: ‘এটা যেকোনো বছরের তুলনায় সবচেয়ে ভয়াবহ ভূমিকম্প। গত ১০ বছরের মধ্যে মাত্র দু’টি ভূমিকম্প এ মাত্রার ছিলো, আর এর আগের ১০ বছরে মাত্র চারটি ভূমিকম্প এ মাত্রার ছিলো।”

তবে শুধু কম্পনের শক্তির কারণেই এতো বেশি ধ্বংসযজ্ঞ হয়নি। এই ঘটনাটি ঘটেছে ভোরের দিকে, যখন মানুষ ঘরের ভেতরে ঘুমাচ্ছিল। ভবনের দৃঢ়তাও একটি বিষয়।

পোর্টসমাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভলকানো এন্ড রিস্ক কমিউনিকেশন বিভাগের রিডার ড. কারমেন সোলানা বলেছেন: “দুর্ভাগ্যবশত দক্ষিণ তুরস্ক এবং বিশেষ করে সিরিয়ায় অবকাঠামোগুলো খুব একটা ভূমিকম্প প্রতিরোধী নয়। তাই জীবন বাঁচানো এখন নির্ভর করবে উদ্ধার তৎপরতার ওপর। জীবিতদের উদ্ধারে পরবর্তী ২৪ ঘন্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ৪৮ ঘণ্টা পর জীবিত মানুষের সংখ্যা অনেক কমে যায়।”

এ বিষয়ে ব্লিউএইচও-এর শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাডেলহেইড মার্শাং বলেন, ‘ভূমিকম্প যেসব অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে, তার মানচিত্র অনুসারে বলা যায় যে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদের মধ্যে ৫০ লাখ মানুষ অরক্ষিত অবস্থায় আছে।

তিনি আরও বলেন, তুরস্ক এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ভূমিকম্প কবলিত অঞ্চলে বেসামরিক অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেনেভায় ডব্লিউএইচও-এর নির্বাহী কমিটিকে মার্শাং বলেছেন, ‘ডব্লিউএইচও মনে করে যে সিরিয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন জরুরি পণ্যের অভাব দেখা দিবে। এমনকি দেশটিতে মধ্যমেয়াদী সময়ের জন্য আরও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার বহু অংশ প্রবল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে। উভয় দেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তুরস্কেই ধসে পড়েছে সাড়ে তিন হাজার ভবন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

সূত্র : বিবিসি

 

Continue Reading

Highlights

তুরস্ক-সিরিয়ার ভূমিকম্পে ২ কোটি ৩০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত!

Avatar photo

Published

on

তুরস্ক-সিরিয়ার ভয়াবহ ভূমিকম্পে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। স্বাস্থ্য সেবা নিয়ে কাজ করা একটি বৈশ্বিক সংস্থা এমন মন্তব্য করেছে। কারণ, এ ধ্বংসাত্মক ভূমিকম্পে অনেক বেসামরিক অবকাঠামো ও হাসপাতাল বিধ্বস্ত হয়েছে।

আল-জাজিরার প্রতিবেদন অনুসারে জানা গেছে যে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) জানিয়েছে, ‘তুরস্ক-সিরিয়ায় সংঘটিত ভূমিকম্পে বিপুল সংখ্যক মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।’

ডব্লিউএইচও-এর শীর্ষ কর্মকর্তা অ্যাডেলহেইড মার্শাং বলেন, ‘ভূমিকম্প যেসব অঞ্চলে সংঘটিত হয়েছে, তার মানচিত্র অনুসারে বলা যায় যে দুই কোটি ৩০ লাখ মানুষ এতে ক্ষতিগ্রস্ত হবে। এদের মধ্যে ৫০ লাখ মানুষ অরক্ষিত অবস্থায় আছে।

তিনি আরও বলেন, তুরস্ক এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার ভূমিকম্প কবলিত অঞ্চলে বেসামরিক অবকাঠামো ও স্বাস্থ্য সেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অবকাঠামোগুলোর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

জেনেভায় ডব্লিউএইচও-এর নির্বাহী কমিটিকে মার্শাং বলেছেন, ‘ডব্লিউএইচও মনে করে যে সিরিয়ায় তাৎক্ষণিকভাবে বিভিন্ন জরুরি পণ্যের অভাব দেখা দিবে। এমনকি দেশটিতে মধ্যমেয়াদী সময়ের জন্য আরও এমন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

বর্তমানে তুরস্কের দক্ষিণাঞ্চল এবং উত্তর-পশ্চিম সিরিয়ার বহু অংশ প্রবল ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত হয়েছে। উভয় দেশে প্রায় পাঁচ হাজার মানুষের মৃত্যু হয়েছে। শুধু তুরস্কেই ধসে পড়েছে সাড়ে তিন হাজার ভবন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা জানিয়েছে যে ভূমিকম্পে মৃত্যুর সংখ্যা ২০ হাজার ছাড়িয়ে যেতে পারে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ওই অঞ্চলে কয়েক সপ্তাহ থেকে কয়েক মাস পর্যন্ত আফটারশক হতে পারে। সিএনএনের আবহাওয়াবিদ ক্যারেন ম্যাগিনিস ব্যাখ্যা করে জানিয়েছেন যে ভূকম্পনের বৈশিষ্ট্যের কারণে আফটার শক পরের কয়েক সপ্তাহ, এমনকি কয়েক মাস পর্যন্তও অনুভূত হতে পারে।

সূত্র : আল-জাজিরা

 

Continue Reading

Highlights

তুরস্কে ভূমিকম্প: বাংলাদেশি নিখোঁজ, ৩৫ জন আশ্রয় কেন্দ্রে

Avatar photo

Published

on

তুরস্কে ভয়াবহ ভূমিকম্পে গোলাম সাঈদ রিংকো নামে একজন বাংলাদেশি নিখোঁজ রয়েছেন। তুরস্ক থেকে বাংলাদেশের উপ-রাষ্ট্রদূত শাহনাজ গাজী এ তথ্য জানিয়েছেন।

সোমবার রাতে টেলিফোনে যুগান্তরকে শাহনাজ গাজী জানান, সিরিয়া সীমান্তে কাহারা মানমারাস নামে একটি অঞ্চলে দুজন প্রবাসী বাংলাদেশি একটি ভবনে ছিলেন। ওই সময় ভূমিকম্পে ভবনটি ধসে পড়লে গোলাম সাঈদ রিংকো নিখোঁজ হন। তার সহযোগী কোনোমতে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হয়েছেন। তবে তিনিও অসুস্থ হয়ে পড়েছেন বলে জানা গেছে।

তিনি আরও জানান, বাংলাদেশ দূতাবাস বেরিয়ে আসা ওই ব্যক্তির সঙ্গে যোগাযোগ করতে সক্ষম হয়েছে। তবে ওই অঞ্চলে বিদ্যুৎ ও গ্যাস সংযোগ না থাকায় তার মোবাইল ফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়ায় কথা বলতে পারছেন না।

শাহনাজ গাজী আরও জানান, গাজী আস্তেব নামে আরেকটি ভূমিকম্প অঞ্চল থেকে ৩০/৩৫ জন বাংলাদেশিকে উদ্ধার করে একটি আশ্রয় কেন্দ্রে রাখা হয়েছে।

Continue Reading