অবশেষে ঘুষের টাকা ফেরত দিলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা।
আশরাফুর রহমান কালকিনি(মাদারীপুর) প্রতিনিধি
শিক্ষক এমপিও ভুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে ঘুষ গ্রহনের টাকা চাপে পড়ে অবশেষে ফেরত দিলেন মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায়। এতে করে সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে ব্যাপক সমালোচনার ঝড় বইছে। তিনি দির্ঘ প্রায় ৫ বছর যাবত একই স্থানে চাকরী করায় অনিয়ম ও দূর্নীতিতে জড়িয়ে পড়েছেন বলে ব্যাপক অভিযোগ উঠেছে।
শিক্ষকদের অভিযোগ সুত্রে জানা গেছে, কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজে নতুন নিয়োগ প্রাপ্ত শিক্ষক আল-মামুন, তাজরিন, রাহাত হোসেন, হাকিম মোল্লা, নিপুন সিংহ ও মজিবুর রহমানসহ ৬জনের কাছ থেকে চাকুরী এমপিও ভুক্ত করে দেওয়ার কথা বলে জন প্রতি ৩ হাজার টাকা করে মোট ১৮ হাজার টাকা ঘুষ গ্রহন করেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্ব জিৎ রায়। পরে এ ৬ জন শিক্ষক মিলে কলেজ কমিটির সভাপতি ও কেন্দ্রীয় কৃষকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদারের কাছে এ বিষয়টি অবহিত করলে তিনি ওই ঘুষ গ্রহনের টাকা ফেরত দিতে বলেন শিক্ষা কর্মকর্তাকে। সভাপতির এ কঠোর নির্দেশে চাপে পড়ে অবশেষে ঘুষ গ্রহনের টাকা ফেরত দিতে বাধ্য হন শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায়। তার এ ঘুষ গ্রহনের বিষয়টি জনাজানি হলে কলেজের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মাঝে চলছে সমালোচনার ঝড়। এ ছাড়া তিনি শিক্ষক নিয়োগে তার পছন্দ মত একটি সিন্ডিকেট তৈরী করে তাদের মাধ্যমে লক্ষ- লক্ষ টাকা হাতিয়ে নিয়েছেন বলে ও অভিযোগ রয়েছে। সম্মপ্রতি উপজেলার নবগ্রাম উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগে মোটা অংকের ঘুষ গ্রহন করে নিয়োগ করায় তার বিরুদ্ধে মনববন্ধন করছেন ওই স্কুল কমিটির সদস্য, অভিবাবক ও শিক্ষার্থীসহ বিভিন্ন শ্রেনীর পেশার লোকজন। বিভিন্ন মিডিয়া এ সংবাদ প্রকাশ করা হলে ডিজি অফিস থেকে জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে তার বিরুদ্ধে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য নির্দেশ দিয়েছেন।
এ ব্যাপারে কালকিনি সৈয়দ আবুল হোসেন কলেজ কমিটির সভাপতি সাকিলুর রহমান সোহাগ তালুকদার বলেন, আমি শুনে এ টাকা ফেরত দিতে বলেছি।
এ ব্যাপারে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ রায় বলেন, আমাকে মিষ্টি খেতে টাকা দেওয়া হয়ে ছিল। পরে সে টাকা ফেরত দিয়েছি।



