ঐশীর ফাঁসির আদেশ
পুলিশের বিশেষ শাখার (এসবি) কর্মকর্তা মাহফুজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী স্বপ্না রহমান হত্যা মামলায় তাদের মেয়ে ঐশী রহমানকে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দিয়েছে আদালত। একই সঙ্গে তার বন্ধু মিজানুর রহমান রনিকে দুই বছরের কারাদণ্ড দেয়া হয়েছে। এছাড়াও ঐশীকে ২০ হাজার ও রনিকে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়। বেকসুর খালাস পেয়েছেন মামলার ওপর আসামি আসাদুজ্জামান জনি। বৃহস্পতিবার ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-৩ এর বিচারক সাঈদ আহমেদ এই রায় ঘোষণা করেন।
আদালত রায়ের পর্যবেক্ষণে বলেছে, এই রায় দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে। এর ফলে কোনো সন্তান পিতা-মাতাকে খুন করার মতো অপরাধ থেকে দূরে থাকবে। মামলার রায় ঘোষণা উপলক্ষে বেলা ১১টার দিকে ঐশী রহমান ও আসাদুজ্জামান জনিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। এর আগে ৪ নভেম্বর মামলার যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষে রায় ঘোষণার জন্য দিন ধার্য করে আদালত। এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ছিলেন মাহবুবুর রহমান। ঐশী রহমানের পক্ষে মামলা লড়েন এডভোকেট ফারুক আহমেদ। ২০১৩ সালের ১৬ আগস্ট রাজধানীর চামেলীবাগে নিজেদের বাসা থেকে মাহফুজুর রহমান ও তাঁর স্ত্রীর ক্ষতবিক্ষত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় পরদিন ১৭ আগস্ট নিহত মাহফুজুর রহমানের ভাই মশিউর রহমান পল্টন থানায় হত্যা মামলা করেন। ওই দিনই ঐশী রহমান পল্টন থানায় আত্মসমর্পণ করেন। ২৪ আগস্ট আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন ঐশী। পরে তিনি ওই জবানবন্দি প্রত্যাহারের জন্য আবেদন করেন।


