টানা ৭২ ঘন্টার বৃষ্টির কারনে পটুয়াখালীর বিভিন্ন কৃষক হুমকির মুখে !
জুয়েল, পটুয়াখালী: টানা ৭২ ঘন্টার বৃষ্টিতে কৃষক হুমকির মুখে। আবহাওয়া পরিবর্তনের সাথে সাথে আমন মৌসুমের কৃষকেরও সোনালী স্বপ্ন! দুঃসপ্নে পরিনত হতে যাচ্ছে। সরজমিন এবং পটুয়াখালীর বিভিন্ন উপজেলা প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্য থেকে জানা যায়, গত ‘ক’ দিনের টানা বৃষ্টি ও ঝড়হাওয়ার কারনে আমন মৌসুমের ধানের গুচি গজিয়ে উঠা ও ধান পাকার শেষ মূহুর্তে এ ধরনের টানা বৃষ্টি ও বৈরী আআবহাওয়াগত কারনে ধানের গোছা সুয়ে পরে, যার দরুন আমন ও ইরি ফলনের ব্যপক খয় খতি হয়ার আশংখা করছেন গলাচিপা উপজেলার পানপট্রি ইউনিয়নের ২ নং ওয়ার্ডের সতিরাম গ্রামের মৃতঃ আবু হাওলাদারের ছেলে প্রান্তিক কৃষক মু. আতাউর রহমান হাওলাদার, একই ইউনিয়নের গ্রামর্দন গ্রামের মৃতঃ খলিলুর রহমান ফকিরের ছেলে কৃষক মু. সানু ফকির। তারা বলেন, আমাদের কষ্টার্জিত আমন ধানের ফলন এবার ঘড়ে তুলতে পারবোনা মনে হয়! বৈরী আবহাওয়া আমাদের স্বপ্ন ভেংঙ্গে দিয়েছে, আমাদের কি হবে? জানানি না বলে আবেগপ্লুত হয়ে পরেন। এ বিষয়ে পানপট্রি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল কালাম আজাদ প্রতিবেদককে জানান, আমার ইউনিয়নের প্রায় ৯০% ভাগ’ই কৃষক, তবে এভাবে ক্রমাগত বৈরী আবহাওয়া থাকলে কৃষি আবাদি জমির ফলন হুমকির মধ্যে, তা ছারা বেরীবাদ ভেংঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা, যার ফলে হাজারও গ্রাম তলিয়ে গিয়ে আবাদি জমি অনাবাদীযগ্য হয়ে পরবে। অন্য দিকে, রাঙ্গাবালী উপজেলা আমন মৌসুমে সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে আবাদী হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়। চরম্তাজ ইউনিয়নে প্রায় শত করা ৯৫% ভাগ কৃষক, ৭২ ঘন্টার টানা বৃষ্টির ফলে ইউনিয়ন বেষ্টনি নদী গুলো ফুলে ফ্যাপে উঠছে, আমন ধানের ফলনের ধানের গোছা গুলো সব সুইয়ে পরেছে, এখন আল্লাহ্ ছারা আর কোন গতি নেই! কথা গুলো চরমন্তাজ ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জনতা মু. হানিফ মিয়া প্রতিবেদককে জানান। কৃষকের খবরাখবর নিতে দশমিনা উপজেলা আলীপুরা ইউনিয়নের কৃষক আব্দুর হক, মু. জাহাঙ্গীর হাওলাদার, মু. ইদ্রিস মৃধা সহ বলেন, এ ভাবে বন্যা ১০ থেকে ১২ বছর আগে একবার হয়েছিলো, তাই আমরা কৃষি আবাদি জমির ফলনের যে ক্ষতি হবে তার’ই চিন্তায় এখন দিশে হারার অবস্থা! জানিনা আল্লাহ্ আমাদের ভাগ্যে কি দিয়েছেন? গলাচিপা উপজেলার চিকনিকান্দি ইউনিয়নে ৪ নং ওয়ার্ডের মৃতঃ ইয়াছিন আলী প্যাদার ছেলে মু. হানিফ প্যাদা, ৮নং ওয়ার্ডের উপজেলার শ্রেষ্ঠ মিডিয়া ভিত্তিক সফল পান চাষি টানা বৃষ্টির কারনে ধান ও পানের ব্যপক ক্ষতির আসংক্ষা করছেন, যা বিগত ১০ থেকে ১২ বছর আগেও বিপুল খয়- খতির মধ্যে দিয়ে বছর পার করছি। এ বিষয়ে, উক্ত ইউনিয়নের চেয়ারম্যান এরশাদ হোসেন বাদল দৈনিক বরিশাাল সময় কে জানান, এ বছর আল্লাহ্ ‘র রহমতে সারা দেশেই বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা ছিলো, অন্যান্য জায়গার মতো আমার ইউনিয়নেরও অনেক কৃষকের ফলন ক্ষতির খবর পাচ্ছি, বর্তমান সরকারের পাশা পাশি আমিও কৃষকের পাসে আছি থাকবো। বৈরী আবহাওয়া ও টানা বৃষ্টির কারনে বাম্পার ফলন ক্ষতির বিষয়ে, রাঙ্গাবালী+ গলাচিপা উপজেলা কৃষি অফিসার আব্দুল মন্নান মুঠো ফোনে জাতীয় দৈনিক দৈনিক দিন প্রতিদিন ও দৈনিক বরিশাল সময়কে বলেন, সরজমিনে ঘুরে দেখেছি, যে পরিমান আমন চাষ হয়েছে, তাতে এ বন্যাজল এর কারনে মোট ৩৩ হাজার ৫ শত হেক্টর জমির ৫ শতাংশ জমির ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে বলে জানান। এ বিষয়ে দশমিনা উপজেলা কৃষি অফিসার মু. বনি আমিন, ২৩ হাজার ৫ শত হেক্টর জমিতে এবছর আমন ও কিছু অংশে ইরি মৌসুমী ধানের বাম্পার ফলন আমরা আশা করছি, তবে এধরনের টানা বৃষ্টিপাত ও ঝড়ো হাওয়ায় কৃষককে হুমকির মধ্যে ফেলে দিয়েছে বলে প্রতিবেদককে জানান।



