ঠাকুরগাঁওয়ের কারিগররা শীতবস্ত্র তৈরিতে ব্যস্ত
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি: উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ে শীত অনুভূত হচ্ছে। দিনে গরম রাতে ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করছে। কুয়াশায় ঢাকা থাকছে ভোরের আকাশ, সকাল ৭-৮টা পর্যন্ত কুয়াশাচ্ছন্ন থাকছে জনপদ। দিনে গরম রাতে ঠান্ডা আবহাওয়া বিরাজ করছে। বিকাল থেকেই একটু একটু শীতল বাতাস আর সন্ধ্যার পরই কুয়াশা ঝরতে শুরু করেছে। মধ্যরাতের পর টিনের চালা থেকে পড়ছে হালকা বৃষ্টির মত পানি, ভোর পর্যন্ত হালকা থেকে মাঝারি কুয়াশা পড়ছে। শীতের সকালে পাকা ধানের শীতে সূর্য ওঠার অনেক পর পর্যন্ত শিশির লেগে থাকছে।
এদিকে শীতের প্রস্তুতি হিসেবে অনেকেই পুরনো শীতবস্ত্র ঠিকঠাক করে নিচ্ছেন। আবার অনেকে নতুন করে লেপ-তোশক তৈরি করে নিচ্ছেন এজন্য জেলা শহরসহ বিভিন্ন উপজেলার হাট-বাজারগুলোতে লেপ-তোশক তৈরির কারিগরদের কাজের ব্যস্ততা বেড়ে গেছে। এদিকে দিনের বেলায় রোদের কারণে আবহাওয়া কিছুটা গরম থাকলেও রাতের বেলায় কুয়াশায় পরিমাণ বেড়ে যায় ঠান্ডার পরিমাণ।
ফলে শিশুদের পাশাপাশি বয়স্করাও আক্রান্ত হচ্ছে সর্দিকাশি নিউমোনিয়াসহ বিভিন্ন প্রকার শীত জনিত রোগে। এ ব্যাপারে ঠাকুরগাঁও আধুনিক সদর হাসপাতালের শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ ডা. শাহজাহান নেওয়াজ বলে, শীতজনিত রোগ থেকে শিশুদেরর রক্ষা করতে গরম কাপড় ব্যবহার, মধু ও তুলীপাতার রস খাওয়ানোর পাশাপাশি শিশুদের প্রতি বাড়তি যত্ম নিতে অভিভাবকদের পরামর্শ দিয়েছেন।
একদিকে শীত এসেছে দুয়ারে অন্যদিকে উত্তর জনপদে এসেছে নবান্ন। তাই গ্রামে গ্রামে ধান কাটার ধুম পড়েছে। গ্রামবাংলার এক উৎসব এর আমেজ লক্ষ করা গেছে। এখন জেলার সর্বত্র চলছে শীতকে বরণ করার প্রস্তুতির পাশাপাশি চলছে নবান্নের আয়োজন।



