তেঁতুলিয়া সদরে ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় চরম দূর্ভোগ
ডিজার হোসেন বাদশা, পঞ্চগড় প্রতিনিধি: সীমান্ত ঘেষা প্রান্তিক উপজেলা তেঁতুলিয়া সদরে কোন ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় চরম দূর্ভোগে পড়েছেন স্কুলগামী শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, জন-সাধারন সহ সড়কে চলাচলকারি যানবাহন গুলো। বাংলাদেশের সর্ব উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়া উপজেলা সারাদেশের মানুষের কাছে এক নামে পরিচিত হলেও নামে পরিচিতি অর্জন করেছে কিন্তু দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই। উপজেলা সদরের তেঁতুল তলা হতে তেঁতুলিয়া বাস-স্টান্ড পর্যন্ত সড়কে ভাঙ্গা চরার কারনে দুর্ভোগে পড়ছেন সকলেই। তেঁতুলিয়া সদরের কথাও কোন ড্রেন না থাকায় ভরা বর্ষায় জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হয়ে সড়কের বিটোমি উঠে খানাখন্দকে সড়ক ভরে যাচ্ছে। আর এর সাথে কাদা-মাটি যোগ হয়ে সৃষ্টি হচ্ছে দুর্ভোগ। সড়কের এ বেহাল অবস্থা, বর্ষায় দুর্ভোগ কাদা-মাটি ও চলা চলে ছোট খাট দূর্ঘটনা এ উপজেলাবাসীর নৃত্য দিনের সমস্যা। সারাবছর দেশ- বিদেশের নানা পর্যটকের আগমন ঘটে ভাঙ্গাচূড়া রাস্তার উপর দিয়ে। রাজনৈতিক নেত্রীবিন্দ এলাকার নির্বাচীত এমপি, মন্ত্রী কারো দৃষ্টি পড়েনি এ দুর্ভোগা মানুষের উপর। বর্ষা এলে কাদা-মাটি মেখে স্কুলে যেতে হয় শত শত শিক্ষার্থীকে। উপজেলার বিভিন্ন স্থান থেকে সাস্থ্য সেবা নিতে আসা মানুষদেরও দুর্ভোগের শেষ নেই। উপজেলা সদরের ব্যবসায়ীরা যেন দাত কামড়ে চুপ করে বসে আছে। বিভিন্ন মহলকে বার বার বলেও কোন প্রতৃকার পায়নি কেউ। ব্যবসায়ী ও শিক্ষার্থীদের দাবি আমাদের এই দুর্ভোগ দেখার কি কেউ নেই।
কাজি সাহাবদ্দীন বালিকা স্কুল এন্ড কলেজের ৭ম শ্রেণীর ছাত্রী মোছাঃ হুনুফা আক্তার জানান, রাস্তায় কাদা-মাটির কারনে স্কুলে যেতে অনেক সমস্যা হয়।
তেঁতুলিয়া সদরের অবসর প্রাপ্ত শিক্ষক জাহিদুল ইসলাম জানান, তেঁতুলিয় সদরে ড্রেনের ব্যবস্থা না থাকায় এলাকায় বসবাসকারী ও ব্যবসায়ীদের দুর্ভোগ দেখার যেন কেউ নেই।
তেঁতুলিয়া বাজার ব্যবসায়ী বণিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক দেলোয়ার হোসেন জানান, তেঁতুলিয়া চৌরাস্তা বাজারে ড্রেন ব্যবস্থার জন্য এলাকার এমপি, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এবং সড়ক জনপদ বিভাগের প্রকৌশলির কাছে ড্রেন ব্যবস্থার জন্য আবেদন করেছি।
এ বিষয়ে তেঁতুলিয়া সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আনিছ কাজি জানান, ড্রেনের জন্য আমরা জোর তৎপরতা শুরু করেছি। আশাকরা যায় খুব দ্রুত ড্রেন ব্যবস্থা করা সম্ভব হবে।
বাংলাদেশেরপত্র/এডি/আর



