নবাবগঞ্জে একই জমিতে কেশোর ও তিল চাষ
নবাবগঞ্জ প্রতিনিধি: দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে কৃষি ফসলকে জনপ্রিয় করে তুলতে এলাকার ক্ষুদ্র, প্রান্তিক ও মাঝারি শ্রেণীর কৃষকেরা প্রযুক্তিভিত্তিক প্রশিক্ষণ নিয়ে একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে কেশোর আলুর সাথে তিল চাষ করে অনেক কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হয়েছে। উপজেলার ৭নং দাউদপুর ইউনিয়নের দোমাইল গ্রামে ৫০ জন কৃষক চলতি মৌসুমে একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে কেশোর আলুর সাথে তিল চাষ এখন জনপ্রিয় ফসল। উৎপাদনের সাথে জড়িত থাকা কৃষক সাখাওয়াত হোসেন জানান, বাড়ির পাশ্ববর্তী ভিটা জমিতে প্রতি বছরের ন্যায় একটি ফসলের উপর নির্ভরশীল না হয়ে একই সময়ে দুটি ফসল উৎপাদন করছে। তারা জানায়, বর্তমানে বিঘা প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ মণ কাচা কেশোর আলু উৎপাদন হয়ে থাকে। তাদের উৎপাদিত ওই আলু স্থানীয় হাটবাজার সহ পাশ্ববর্তী এলাকায় ৮শ থেকে ৯শ টাকা পাইকারি দরে বিক্রি করে থাকে। কেশোর আলু ওই ইউনিয়নের ৫০ জন কৃষকের উপরি অর্থ উপার্জনের সহায়ক হয়েছে। ওই ইউনিয়নের কৃষি অধিদপ্তরের উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. ফাত্তাহ উজ্জামান জানান, কৃষকদের সময় অনুযায়ী ফসল উৎপাদনে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবু রেজা মো. আসাদুজ্জামান জানান, কৃষকদের সার্বক্ষণিক একই জমিতে সাথী ফসল হিসেবে বাড়তি ফসল উৎপাদন করে অনেকেই ভাগ্যের চাকা ফিরিয়েছে।



