পৌর নির্বাচন পেছানোর দাবি বিএনপি ও জাতীয় পার্টির
সবার অংশগ্রহণে পৌরসভা নির্বাচনের ব্যাপারে আগ্রহী আওয়ামী লীগ। তাই আইনের অধীনে এ ব্যাপারে নির্বাচন কমিশন কোনো সিদ্ধান্ত নিলে আওয়ামী লীগ তা মেনে নেবে বলে মন্তব্য করেছেন দলটির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুল-উল আলম হানিফ।
রোববার দুপুরে নির্বাচন কমিশনে সাংবাদিকদের তিনি একথা বলেন।
এরআগে, নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে ৬ সদস্যের আওয়ামী লীগের প্রতিনিধি দল বৈঠক করে। এতে নির্বাচনে এমপি-মন্ত্রীদের প্রচারণার সুযোগ রাখার আবেদন করা হয় দলের প্রক্ষ থেকে। এদিকে, নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার সময়সীমা ১০ দিন বাড়াতে নির্বাচন কমিশনে আবেদন করেছে জাতীয় পার্টি।
রোববার সকালে দলের মহাসচিব জিয়াউদ্দিন বাবলুর নেতৃত্বে ৫ সদস্যের প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে এ আবেদনপত্র জমা দেয়। এ সময় তারা নির্বাচনী প্রচারণায় এমপিদের অংশ নেয়ার সুযোগ দেয়ারও আবেদন জানান।
এছাড়া মাঠ পর্যায়ে প্রস্তুতির জন্য বিএনপি’র পক্ষ থেকে নির্বাচন পেছানোর আবেদন নিয়ে এদিন দুপুরে দলটির একটি প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশনে যায়। ৬ সদস্যের প্রতিনিধি দলটির নেতৃত্ব দেন বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ড. ওসমান ফারুক।
‘নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি অযৌক্তিক’
নির্বাচন নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর দাবি অযৌক্তিক, কমিশনের উচিত সুষ্ঠু নির্বাচন অনুষ্ঠানের জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা, এ মন্তব্য করেছেন নির্বাচন বিশ্লেষক বদিউল আলম মজুমদার।
রোববার সময় সংবাদকে তিনি বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচারণায় মন্ত্রী-এমপিদের সুযোগ দেয়ার ব্যাপারে করা আওয়ামী লীগের আবেদন বাস্তবসম্মত নয়।’
অন্যদিকে সাবেক নির্বাচন কমিশনার ছহুল হোসাইন বলেছেন, নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে এবং সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের পরিপন্থী এমন কিছু করা উচিত হবে না।



