রংপুরে সোনালী আঁশে প্রতি বছর ৫ হাজার কোটি মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব
রংপুর প্রতিনিধি: এ দেশের মানুষ ও বিদেশীদের কাছে পাট সোনালী আঁশ হিসেবে ব্যপক পরিচিত । এ কারণেই সহজেই বিশ্ববাসী বাংলাাদেশ কে চেনেন। পাট রপ্তানী করে বৈদেশিক মুদ্রা আয় করে দেশ ও জাতি এগিয়েছিল সামনের দিকে। কতিপয় ষড়যন্ত্রকারীদের কবলে পাট শিল্পের মাধ্যমে সামনের দিকে আগানো বাধাগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। সেই বাধার প্রাচীর ভেঙ্গে এখন এগিয়ে চলার উপযুক্ত সময় এসেছে।
মঙ্গলবার সকালে রংপুর বিভাগীয় কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে পণ্যে পাটজাত মোড়কের বাধ্যতামূলক ব্যবহার আইন ২০১০ এর বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক মত বিনিময় সভায় আট জেলার ডিসিদের উদ্দেশ্যে উপরোক্ত কথাগুলো বলেন,বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের প্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম। বিভাগীয় কমিশনার মুহম্মদ দিলোয়ার বখত’র সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মত বিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন,বস্ত্র ও পাট মন্ত্রনালয়ের সচিব ফরিদ উদ্দিন আহমেদ চৌধুরী, বিজিএমসি’র চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল(অব:)হুমায়ুন খালেদ,পাট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মুয়াজ্জেম হোসাইন সহ পুলিশ,বিজিবি,র্যাব,চেম্বার,রাজনৈতিক ও বিভিন্ন মিডিয়ার প্রতিনিধি বৃন্দু।
এসময় মন্ত্রী আরও বলেন,প্রতি বছরে ৫৫ কোটি টাকার ঝুট ব্যাগ ব্যবহার হয়ে থাকে। ২০ কোটি টাকার পলিব্যাগ নদীর তলানীতে যায়। অথচ এদেশে বর্তমানে ৩০ লাখ মে: টন পাট খড়ি উৎপাদন হয়্। যা দিয়ে ৫ লাখ মে: টন চারকল তৈরী করে ৫ হাজার কোটি বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করা সম্ভব। সেই সাথে পরিবেশ বান্ধব এক দেশ গড়ে আবারও বিশে^র দরবারে বাংলাদেশকে উদাহরণের রোল মডেল হিসেবে পরিচিত করতে হবে।



