রায়পুরে সরকারী কর্মকর্তাকে হয়রানির অভিযোগ
লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ের এক কর্মকর্তাকে প্রভাবশালী কর্তৃক হয়রানির অভিযোগ উঠেছে। তার নাম কাজী মুহাম্মদ আবদুর রহিম। তিনি উক্ত কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম মুদ্রাক্ষরিক। দীর্ঘ ২৮ বছর যাবত লক্ষীপুর জেলা প্রশাসকের অধীন জেলার রায়পুর, রামগঞ্জ ও কমলনগর উপজেলার ভূমি অফিস ও ইউএনও অফিসে দায়িত্ব পালন করছেন।
লিখিত অভিযোগে তিনি বলেন, আমি রায়পুর ভূমি অফিসে দায়িত্বে থাকাকালীন সময়ে স্থানীয় প্রভাবশালী হারুনুর রশীদ ও তার ভাইয়েরা একটি জমি ভূয়া লিজ করাতে আসে। উক্ত কাজে আমি তাদেরকে সহযোগিতা না করায় আমার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লাগে। ঐ জমি তারা জোর করে দখল করায় হারুনের ভাই মামুন গ্রেফতার হয়। সেই কারনে বিভিন্ন মন্ত্রনালয়ে আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করে এবং ২০০৮ সালে ওমর ফারুক নামে আমার বাড়ির পাশের দুদকের স্টেনোটাইপিস্টকে দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি অভিযোগ করিয়ে হয়রানি করে। যা ২ ববছর ৮ মাস যাবত দুদকের বিভিন্ন তদন্তের মাধ্যমে মিথ্যা প্রমানিত হয় এবং ২৪/০১/২০১১ ইং তারিখে দুদকের স্মারক নং ১/১২৩-২০০৯ মূলে আমাকে অব্যাহতি দেয়।
এরপর আমার কাছে জমি পাইবে বলিয়া স্থানীয় পৌর আ. লীগের আহবায়ক বাক্কিবিল্লাহর অফিসে আমার বিরুদ্ধে শালিশ ডাকে। উক্ত শালিশে বর্তমান মেয়র ইসমাঈল খোকন, স্থানীয় মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার নিজাম পাঠানসহ গন্যমান্য লোকজন বিচার করে এবং অভিযোগ মিথ্যা প্রমানিত হয়।
ইতিমধ্যে রায়পুর উপজেলা ভূমি অফিস সংলগ্ন আমার স্ত্রী রেজিয়া বেগমের নামে ৫.৫ শতাংশ ভূমির উপর পুরাতন বাড়ি ভেঙ্গে আমি একটি বাড়ি নির্মানের কাজ শুরু করি। তাদের ভূয়া লীজকৃত সম্পত্তিটি আমার জমির পাশাপাশি হওয়ায় ইর্শান্বিত হয়ে আমার কাছে জমি পাইবে বলিয়া সহকারী কমিশনার ভূমির নিকট একটি অভিযোগ দায়ের করে যাহা তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হয়।
এতেও দারা খ্যান্ত না হয়ে কালের কন্ঠের জেলা সাংবাদিকের বরাত দিয়ে আমার বিরুদ্ধে একটি মিথ্যা রিপোর্ট করায়। রিপোর্টে লেখা হয় আমি অবৈধভাবে অনেক খাস ভুমি দখলে রেখেছি। রায়পুর বাজারে লিজকমত ১০ শতাংশ ভুমি বিক্রি করেছি এবং অবৈধ টাকা দিয়ে বহুতল ভবন নির্মান করছি। যাহা সম্পুর্ন মিথ্যা। প্রকৃতপক্ষে আমার নামে কোন সরকারী লিজকৃত জমি নেই। আমার স্ত্রীর এক ছেলে প্রবাসে থাকে, তাহার টাকা দিয়ে আমরা বাড়ি নির্মাণ করছি। ঐ সাংবাদিকের সাথে আমি ব্যাক্তিগতভাবে যোগাযোগ করিলে সে বলে পত্রিকার হেড অফিস থেকে আমার উপর চাপ আছে। মতাবস্থায় হারুন গংদের বিরুদ্ধে সংস্লিষ্ঠ কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করছি।



