রেকর্ড রুম ডিজিটাইজেশন: ঘরে বসে সংগ্রহ করা যাবে খতিয়ান
ডিজিটাল পদ্বতিতে ভূমি জরিপ ও রেকর্ড প্রনয়ন এবং সংরক্ষন (১ম পর্যায়:বিদ্যমান মৌজা ম্যাপস এবং খতিয়ান সমূহের কম্পিউটারাইজেশন) দুইদিন ব্যাপী এ প্রশিক্ষণ উদ্বোধন করেন অতিরিক্ত বিভাগিয় কমিশনার রাজস্ব জনাব মো: খলিলুর রহমান। আজ সকাল ৯ টায় জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। জনার খলিলুর রহমান বলেন ডিজিটাল বাংলাদেশ এখন আর নতুন কিছু নয়। প্রশাসন সহ রাষ্ট্রযন্ত্রের সর্বত্র ডিজিটাইজেশনের ছোয়া লেগেছে। ফলে একদিকে দেশের উন্নয়ন যেমন ঘটছে তড়িতভাবে তেমনি বাড়ছে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা।
প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধনি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন জেলা প্রশাসক জনাব মেজবাহ উদ্দিন। তিনি বলেন সাধারণ মানুষের মাঝে ভূমি সংক্রান্ত কাজ যেমন খতিযান সংগ্রহ, মিউটেশন সহ নানাবিধ কাজে হয়রানির শিকার হতে হয় এরকম একটি ধারণা আছে। অনেকক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ দালালদের দ্বারা হয়রিনি হতে পারে। কিম্বা কতিপয় দালাল শ্রেণীর সুবিধাভোগী মানুষ সাধারণ মানুষের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু রেকর্ডরুম ডিজিটাইজ্ড হয়ে গেলে এধরনের আর কোন ঝামেলা থাকবেনা। সময়, শ্রম এবং পয়সা সবকিছুই হ্রাস পাবে। তিনি আরো বলেন চট্টগ্রাম জেলার মোট ১০৬৪ টি মৌজার খতিয়ানের সংখ্যা প্রায় ৪০ লক্ষ। এ সকল রেকর্ড শতবর্ষী। ব্রিটিশ পিরিয়ড, পাকিস্থান আমলের এসব রেকর্ড এখন অনেকটাই ভঙ্গুর । তাই আশু সংরক্ষণের ব্যাবস্থা নেয়া জুরুরি। এ কারনে একটি সফ্টোয়ারের আওতায় ডাটা এন্টির মাধ্যমে এ খতিয়াগুলোকে সংরক্ষণ করা হবে। ডাটা ্ন্ট্রি য়েন নির্ভুল হয় একারণে এই প্রশিক্ষণ। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক রাজস্ব জনাব ইলিয়াস হোসেন বলেন চট্টগ্রাম জেলার ১৪ টি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত ১৪ জন টেকনিশিয়ান এবং প্রতি উপজেলার ১ টি ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারের একজন উদ্যোক্তাকে ( মোট ১৪ জন উদৌক্তা কে) এবং রেকর্ডরমে কর্মরত ১৮ জন স্টাফকে এ প্রশিক্ষণ প্রদান করা হচ্ছে। প্রাথমিক ভাবে আমরা কাজ শুরু করবো এবং পরবর্তীতে উপজেলা পর্যায়ে সকল উদ্যোক্তাকে এ প্রশিক্ষণ দেয়া হবে। মানুষ ইউনিয়ন ডিজিটাল সেন্টারে থতিয়ানের জন্য আবেদন করে তা সংগ্রহ করতে পারবে। রেকর্ড রুমের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জনাব মোহাম্মদ রাজীব উল আহসান বলেন রেকর্ড রুম ডিজিটাইজেশনের অংশ হিসেবে হতোমধ্যে ৫ এম,বি,পি,এস ইন্টারনেট সংযোগ (ওয়াইফাই ৪টি) স্থাপন করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় সংখ্যক কম্পিউটার (২১ টি) স্থাপন করা হয়েছে। এছাড়াও জেলা প্রশাসনের ৫ জন কর্মকর্তা ও রেকর্ডরুমে কর্মরত ৫ জন কর্মচারী মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে ৪ দিন ব্যাপী ইএলআরএস এর প্রশিক্ষন গ্রহন করেছেন। সার্বিক দিক দিয়ে চট্টগ্রাম জেলার খতিয়ান সমুহের ডাটা এন্ট্রির জন্য সমস্ত প্রস্তুতি মুলক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। খতিয়ানের ডাটা এন্ট্রি কার্য সমাপ্ত হলে চট্টগ্রামবাসী ঘরে বসে তাঁদের পর্চা যথাসময়ে পাবে বলে আমি বিশ্বাস করি বলে মন্তব্য করেন জনাব রাজীব উল আহসান।



